বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

জিহাদ-৪




সশস্ত্র জিহাদ :

২:১৮০, ১৯১, ১৯২, ১৯৩, ২১৬, ২১৭, ২১৮, ২৪৪, ২৪৬-২৫২, ২৫৩
৩:১৩, ১২১, ১৪১, ১৪২-১৪৭, ১৫২, ১৬৬,
৪:৭১-৮০, ৮৪, ৮৯-৯১, ৯৫, ১০৪, ১৪১, ৫:৩৩,

সাধারণ যুদ্ধনীতি সমূহ :

২:১৯৪, ১৯১, ২:২৪৯, ৩:১২১, ১৪১, ১৪৪,
৩:৫২, ১৫৩, ১৫৭, ১৫৯,
৪:৭১, ৭৭, (হাতগুটিয়ে রাখো) , ৪:৯৫,
৫:৮. ৬৪,

আল্লাহর পথে মৃত্যুবরণ করা :

যারা নিজের জীবনকে আল্লাহর রাস্তায় বিলীন কর দেয় : ২:২০৭, ১৪১,
৩:১৪০, ১৫৭ (আল্লাহর পথে মৃত্যুবরণ করা), ৩:১৬৯ (তোমরা তাদেরকে মৃত বলোনা, তারা জীবিত)
৪:১৭৪,

আপোষহীন জিহাদ :

(২০:৭২) যাদুকররা জবাব দিল, “সেই সত্তার কসম! যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, উজ্জ্বল সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী সামনে এসে যাওয়ার পরও আমরা (সত্যের ওপর) তোমাকে প্রাধান্য দেবো, এটা কখনো হতে পারে না৷ তুমি যা কিছু করতে চাও করো৷ তুমি বড় জোর এ দুনিয়ার জীবনের ফায়সালা করতে পারো  

জিহাদ-৩




বিভিন্ন যুদ্ধ সংক্রান্ত বর্ণনা সমূহ :  (বিস্তারিত দেখুন : য  > যুদ্ধ)

১। ওহুদ যুদ্ধের বর্ণনা সমূহ: ৩:১২১-১২৮, ৩:১৩৮-১৫৭,

জিহাদ কেন দেওয়া হলো বা জিহাদের প্রয়োজন কি  ?

১। জানমালের ক্ষতির পরীক্ষা : ২:১৫৫,
২। জিহাদকারীদের পরীক্ষা : ২:২৪৯, ২৫০
৩। শহীদ হিসাবে জীবন দেওয়ার পরীক্ষা : ৩:১৪০, ১৫৪, 
একদলকে অপর দল দ্বারা পরীক্ষা : ৫:৯৪, ৬:৫৩, ৬:১৬৫,

আল্লাহর পথে সাহায্যকারী :

 ৩:৫২,

যারা লড়াই করে তাগুতের প্রতিষ্ঠার পথে:

৪:৭৬


তোমাদের কি ধারণা তোমরা এত সহজে জান্নাতে প্রবশ করতে চাও ?

অথচ তোমরা জিহাদে অংশগ্রহণ করে জীবন বাজী রাখোনি: আল্লাহ পরীক্ষ গ্রহণ করেননি : ৩:১৪২,

অন্যান্য নবী এবং তাদের সাথে তাদের সাহাবীরাও জিহাদ যুদ্ধ করেছেন এবং দু:খ কষ্ট ভোগ করেছেন:

৩:১৪৬,

আল্লাহ কাফেরদের মনে ভীতি সঞ্চার করে জিহাদে মু’মিনদের সহায়তা করেন :

৩:১৫১

জয় পরাজয় পালাক্রম আবর্তিত হয় : তবে মু’মিনরাই বিজয়ী হবে শেষ পযন্ত:

৩:১৪৬, ১৪০, ৫:২,  

জিহাদ -২




নবীরাও কি জালিম বাদশাহর সামনে দাওয়াতী/জিহাদী কাজ করতে গিয়ে ভয় পেতেন ? হ্যা পেতেন, কারণ তারাও মানুষ ছিলেন, তবে তারা সে ভয় কে জয় করেছেন :

(২০:৪৫) (মূসা ও হারুন ) উভয়েই  বললো, "হে আমাদের রব! আমাদের ভয় হয়, সে (ফেরাউন) আমাদের সাথে বাড়াবাড়ি করবে অথবা আমাদের ওপর চড়াও হবে”৷৪৬) আল্লাহ বললেন, “ভয় করো না, আমি তোমাদের সাথে আছি, সবকিছু শুনছি ও দেখছি৷  


জিহাদ, দাওয়াতী কাজ, হিজরত ইত্যাদি কাজকে আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা ও আল্লাহর জিকর বলা হয়েছে:

(২০:২৪) এখন তুমি যাও ফেরাউনের কাছে, সে বিদ্রোহী হয়ে উঠেছে”৷...... (২০:৩৩)(এর জবাবে হযরত মুসা আ: বক্ষ প্রশস্ত করে দেওয়ার জন্য ও হারুন আ: কে নবী বানিয়ে তার সহযোগী করে দেওয়ার জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করলেন এবং পরিশেষে বললেন – হে আল্লাহ, আমার এ দোয়াগুলো কবুল করো-) যাতে আমরা খুব বেশী করে তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করতে পারি,  ৩৪) এবং খুব বেশী করে তোমার চর্চা করি৷  
(২০:৪২) যাও, তুমি ও তোমার ভাই আমার নিদর্শনগুলোসহ এবং দেখো আমার স্মরণে ভুল করো না৷৪৩) যাও, তোমরা দু’জন ফেরাউনের কাছে, সে বিদ্রোহী হয়ে গেছে৷



প্রশ্ন-২-বিস্তারিত: ইসলামী আন্দোলন ফরয হয়ে থাকলে তার দলিল কী? যারা ইসলামী আন্দোলনে যোগ দান করবেনা অথবা এর বিরোধিতা করবে তাদের ব্যপারে শরীয়তের হুকুম কী?

জিহাদ - ১




(জিহাদের একটি অর্থ চেষ্টা প্রচেষ্টা, এর পূর্ণাঙ্গ অর্থ কোন উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য সর্বাত্নক প্রচেষ্টা, মৌখিক ও লেখনির মাধ্যমে দাওয়াত দেওয়া থেকে শুরু করে, জান মাল ব্যয় করে  প্রয়োজন দেখা দিলে সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে এ  ইসলামকে প্রতিষ্ঠার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে - - এ পূর্নাঙ্গ কাজটির নামই জিহাদ, , দেখুন : চ > চেষ্টা )

(২০:২) আমি এ কুরআন তোমার প্রতি এজন্য নাযিল করেনি যে, তুমি বিপদে পড়বে৷  



ইসলামের বিরুদ্ধে সমস্ত বাতিল শক্তি একজোট হয়ে যায় :

(২০:৬৪) আজ নিজেদের সমস্ত কলাকৌশল একত্র করে নাও এবং একজোট হয়ে ময়দানে এসো৷ ব্যস, জেনে রাখো, আজকে যে প্রাধান্য লাভ করবে সেই জিতে গেছে”৷


জালিম বাদশার সামনে দাওয়াত অথবা জিহাদী কাজে অগ্রসর  হলে মু’মিনদের মনে ভয় আসাটা স্বাভাবিক, তবে এ ভয়কে জয় করতে হবে, কারণ আল্লাহ দাওয়াতদানকারী/জিহাদকারীদের সাথে আছেন :

(২০:৪৫) (মূসা ও হারুন ) উভয়েই  বললো, "হে আমাদের রব! আমাদের ভয় হয়, সে (ফেরাউন) আমাদের সাথে বাড়াবাড়ি করবে অথবা আমাদের ওপর চড়াও হবে”৷৪৬) আল্লাহ বললেন, “ভয় করো না, আমি তোমাদের সাথে আছি, সবকিছু শুনছি ও দেখছি৷  


প্রশ্ন-১ : অজুর মধ্যে মাথা মাসেহ করা কি জরুরী ? মাথা মাসেহ করলে বা না করলে সুবিধা অসুবিধা সমূহ কি? কি?