কিন্তু তাদের এমনি
অবস্থা ছিল যে, ভাল সময় এলে তারা বলতো এটা তো আমাদের প্রাপ্য৷আর খারপ সময় এসে মূসা ও তার সাথীদেরকে নিজেদের জন্য কূলক্ষুণে গণ্য
করতো৷ অথচ তাদের কুলক্ষণ তো আল্লাহর কাছে ছিল৷ কিন্তু
তাদের অধিকাংশই ছিল অজ্ঞ-৭:১৩১
১৪. তাদের এ
বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল একথা বুঝানো যে, তোমরা আমাদের জন্য কুলক্ষুণে ও অশুভ। তোমরা এসে আমাদের উপাস্য দেবতাদের বিরুদ্ধে যেসব কথাবার্তা বলতে শুরু করেছো তার ফলে দেবতারা আমাদের প্রতি রুষ্ট হয়ে
উঠেছে এবং এখন আমাদের ওপর যেসব বিপদ আসছে তা আসছে তোমাদেরই বদৌলতে। ঠিক এ একই কথাই আরবের কাফের ও মোনাফিরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিরুদ্ধে বলতোঃ
---------------------------
"যদি তারা কোন কষ্টের সম্মুখীন হতো, তাহলে বলতো, এটা হয়েছে তোমার কারণে । "(আন নিসা, ৭৮)
তাই কুরআন মজীদে বিভিন্ন স্থানে তাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে , এ ধরনের জাহেলী কথাবার্তাই প্রাচীন যুগের লোকেরাও তাদের নবীদের
সম্পর্কে বলতো। সামূদ জাতি তাদের নবীকে বলতো ---------"আমরা তোমাকে ও তোমার সাথীদেরকে অমংগল জনক পেয়েছি"। (আন্ নমল: ৪৭)
আর ফেরাউনের জাতিও এ একই মনোভাবের অধিকারী ছিলঃ
---------------------------
"যখন তারা ভালো অবস্থায় থাকে তখন বলে, এটা আমাদের সৌভাগ্যের ফল এবং তাদের ওপর কোন বিপদ এলে তাকে মূসা ও তার সাথীদের অলক্ষুণের ফল
গণ্য করতো। (আল আরাফ,
১৩১)
জবাব :
(৩৬-ইয়াসিন :১৯) রসূলরা জবাব দিল, তোমাদের অমংগল তোমাদের নিজেদের সাথেই লেগে আছে৷ ১৫ তোমাদের উপদেশ দেয়া হয়েছে বলেই কি তোমরা একথা
বলছো? আসল কথা হচ্ছে, তোমরা সীমালংঘনকারী লোক৷ ১৬
১৫. অর্থাৎ কেউ কারোর জন্য অপয়া ও অলক্ষণ নয়। প্রত্যেক ব্যক্তির তাকদীরের লিখন তার নিজেরই গলায়
ঝুলছে। কোন অকল্যাণ ও অঘটন ঘটলে তা হয় তার নিজের তাকদীরের
ফল এবং শুভ ও কল্যাণকর কিছু ঘটলে তাও হয় তার
তাকদীরের ফল।
---------------------------"প্রত্যেক ব্যক্তির কল্যাণ ও অকল্যাণের পরোয়ানা আমি তার গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছি"।
১৬. আসলে তোমরা কল্যাণ থেকে পালাতে চাও এবং হিদায়াতের পরিবর্তে গোমরাহী পছন্দ করো। তাই তোমরা যুক্তির মাধ্যমে হক ও বাতিলের
ফায়সালা করার পরিবর্তে কুসংস্কার ও পৌরানিক ভাব কল্পনার মাধ্যমে বাহানাবাজি করছো।
=======================================প্রশ্ন: ৪৫: ওযু সংক্রান্ত আয়াত কোন সূরার কত নাম্বার আয়াতে আছে?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন