শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৯

কুলক্ষুণে / অমঙ্গলজনক / অপয়া


 কিন্তু তাদের এমনি অবস্থা ছিল যে, ভাল সময় এলে তারা বলতো এটা তো আমাদের প্রাপ্য৷আর খারপ সময় এসে মূসা ও তার সাথীদেরকে নিজেদের জন্য কূলক্ষুণে গণ্য করতো৷ অথচ তাদের কুলক্ষণ তো আল্লাহর কাছে ছিল৷ কিন্তু তাদের অধিকাংশই ছিল অজ্ঞ-৭:১৩১
(৩৬-ইয়াসিন :১৮) জনপদবাসীরা বলতে লাগলো, “আমরা তো তোমাদেরকে নিজেদের জন্য অমঙ্গলজনক মনে করি৷ ১৪ 
১৪. তাদের এ বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল একথা বুঝানো যে, তোমরা আমাদের জন্য কুলক্ষুণে ও অশুভতোমরা এসে আমাদের উপাস্য দেবতাদের বিরুদ্ধে যেসব কথাবার্তা বলতে শুরু করেছো তার ফলে দেবতারা আমাদের প্রতি রুষ্ট হয়ে উঠেছে এবং এখন আমাদের ওপর যেসব বিপদ আসছে তা আসছে তোমাদেরই বদৌলতেঠিক এ একই কথাই আরবের কাফের ও মোনাফিরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিরুদ্ধে বলতোঃ
---------------------------
"যদি তারা কোন কষ্টের সম্মুখীন হতো, তাহলে বলতো, এটা হয়েছে তোমার কারণে "(আন নিসা, ৭৮)
তাই কুরআন মজীদে বিভিন্ন স্থানে তাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে , এ ধরনের জাহেলী কথাবার্তাই প্রাচীন যুগের লোকেরাও তাদের নবীদের সম্পর্কে বলতোসামূদ জাতি তাদের নবীকে বলতো ---------"আমরা তোমাকে ও তোমার সাথীদেরকে অমংগল জনক পেয়েছি"। (আন্ নমল: ৪৭)
আর ফেরাউনের জাতিও এ একই মনোভাবের অধিকারী ছিলঃ
---------------------------
"যখন তারা ভালো অবস্থায় থাকে তখন বলে, এটা আমাদের সৌভাগ্যের ফল এবং তাদের ওপর কোন বিপদ এলে তাকে মূসা ও তার সাথীদের অলক্ষুণের ফল গণ্য করতো। (আল আরাফ, ১৩১)


(৩৬-ইয়াসিন :১৯) রসূলরা জবাব দিল, তোমাদের অমংগল তোমাদের নিজেদের সাথেই লেগে আছে৷ ১৫  তোমাদের উপদেশ দেয়া হয়েছে বলেই কি তোমরা একথা বলছো? আসল কথা হচ্ছে, তোমরা সীমালংঘনকারী লোক৷ ১৬ 
১৫. অর্থাৎ কেউ কারোর জন্য অপয়া ও অলক্ষণ নয়প্রত্যেক ব্যক্তির তাকদীরের লিখন তার নিজেরই গলায় ঝুলছে কোন অকল্যাণ ও অঘটন ঘটলে তা হয় তার নিজের তাকদীরের ফল এবং শুভ ও কল্যাণকর কিছু ঘটলে তাও হয় তার তাকদীরের ফল
---------------------------
"প্রত্যেক ব্যক্তির কল্যাণ ও অকল্যাণের পরোয়ানা আমি তার গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছি"
১৬. আসলে তোমরা কল্যাণ থেকে পালাতে চাও এবং হিদায়াতের পরিবর্তে গোমরাহী পছন্দ করোতাই তোমরা যুক্তির মাধ্যমে হক ও বাতিলের ফায়সালা করার পরিবর্তে কুসংস্কার ও পৌরানিক ভাব কল্পনার মাধ্যমে বাহানাবাজি করছো
=======================================

প্রশ্ন: ৪৫: ওযু সংক্রান্ত আয়াত কোন সূরার কত নাম্বার আয়াতে আছে?


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন