গযব :
আল্লাহর গযব প্রাপ্ত/লানত প্রাপ্ত কারা :
আল্লাহর গযব পড়েছে যাদের উপর
:৭:৭১ (যারা বাপ দাদাদের ভুল পথ অনুসরণ করতে চায়)
৮:১৫ (যেসব ঈমানের দাবীদাররা জিহাদের ময়দান থেকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে তাদেরকে আল্লাহর গযবে ঘেরাও করে নেবে),
(১১:১৮) আর যে ব্যক্তি আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা রটনা করে তার চেয়ে বড় জালেম আর কে
হবে ? এ ধরনের লোকদের তাদের রবের সামনে উপস্থিত করা হবে এবং সাক্ষীরা সাক্ষ দেবে, এরাই নিজেদের রবের বিরুদ্ধে মিথ্যা রটনা করেছিল৷
শোনো, জালেমদের ওপর আল্লাহর লানত (১১:১৯) এমন জালেমদের ওপর যারা আল্লাহর পথে
যেতে মানুষকে বাধা দেয়, সেই পথকে বাঁকা করে দিতে
চায় এবং আখেরাত অস্বীকার করে৷
(১১:৯৯) আর তাদের ওপর এ দুনিয়ায় লানত পড়েছে এবং কিয়ামতের
দিনও পড়বে৷ কত নিকৃষ্ট প্রতিদান সেটা,
যা কেউ লাভ করবে!
(১৩:২৫) আর যারা আল্লাহর অংগীকারে মজবুতভাবে আবদ্ধ
হবার পর তা ভেঙে ফেলে, আল্লাহ যেসব সম্পর্ক জোড়া দেবার হুকুম দিয়েছেন সেগুলো ছিন্ন করে এবং পৃথিবীতে বিপর্যয়
সৃষ্টি করে তারা লানতের অধিকারী এবং তাদের জন্য রয়েছে
আখেরাতে বড়ই খারাপ আবাস৷
(২০:৮১) --খাও আমার দেওয়া পবিত্র রিযিক এবং তা খেয়ে
সীমালংঘন করো না (তাগুতি বা বিদ্রোহ করোনা),
অন্যথায় তোমাদের ওপর আমার গযব আপতিত
হবে৷ আর যার ওপর আমার গযব আপতিত হয়েছে তার পতন অবধারিত৷
(২০:৮৬) ভীষণ ক্রোধ ও মর্মজ্বালা নিয়ে মূসা তার
সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে এলো৷ সে বললো, “হে আমার সম্প্রদায়ের লোকেরা!
তোমাদের রব কি তোমাদের সাথে ভালো ভালো ওয়াদা করেননি? তোমাদের কি দিনগুলো দীর্ঘতর মনে হয়েছে? অথবা তোমরা নিজেদের রবের গযবই নিজেদের ওপর আনতে চাচ্ছিলে, যে কারণে তোমরা আমার সাথে ওয়াদা ভংগ করলে?
(৩৫-ফাতির:৩৯) ..... এবং কাফেরদের কুফরী তাদেরকে এ ছাড়া আর কোন উন্নতি দান করে না যে, তাদের রবের ক্রোধ তাদের ওপর বেশী বেশী করে উৎক্ষিপ্ত হতে থাকে এবং কাফেরদের জন্য
ক্ষতিবৃদ্ধি ছাড়া আর কোন উন্নতি নেই৷
আল্লাহর গযব থেকে বেচে থাকক :
(৩৯-যুমার:১৬) তাদেরকে মাথার ওপর থেকে এবং নীচে থেকে আগুনের স্তর আচ্ছাদিত করে রাখবে৷ এ পরিণাম সম্পর্কেই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ভীতি প্রদর্শন করেন, হে আমার বান্দারা, আমার গযব থেকে নিজেদের রক্ষা করো ।
===============================================
প্রশ্ন-৬-বিস্তারিত: আমার একজন আত্মীয় আছে, যিনি লাগানো ভাংগানোর কাজ করেন। আমার কথা তার কাছে এবং তার কথা আমার কাছে এভাবে বলে বলে দুই পরিবারের মধ্যে ঝামেলা বাধিয়ে নিজেই আবার মাসীহা সাজেন। এ পর্যন্ত পরিবারগুলোর মধ্যে বহু ঝামেলা তিনি বাধিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত অতিষ্ঠ হয়ে তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছি। এটা কতটুকু যুক্তি যুক্তিযুক্ত? তাছাড়া আমি জানি যে বিসৃংখলা হত্যার চেয়েও মারাত্মক এবং বিসৃংখলা সৃস্টি কারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। অতএব সার্বিক দিক থেকে বিষয়টা বুঝিয়ে বললে কৃতার্থ হবো।
===============================================
প্রশ্ন-৬-বিস্তারিত: আমার একজন আত্মীয় আছে, যিনি লাগানো ভাংগানোর কাজ করেন। আমার কথা তার কাছে এবং তার কথা আমার কাছে এভাবে বলে বলে দুই পরিবারের মধ্যে ঝামেলা বাধিয়ে নিজেই আবার মাসীহা সাজেন। এ পর্যন্ত পরিবারগুলোর মধ্যে বহু ঝামেলা তিনি বাধিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত অতিষ্ঠ হয়ে তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছি। এটা কতটুকু যুক্তি যুক্তিযুক্ত? তাছাড়া আমি জানি যে বিসৃংখলা হত্যার চেয়েও মারাত্মক এবং বিসৃংখলা সৃস্টি কারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। অতএব সার্বিক দিক থেকে বিষয়টা বুঝিয়ে বললে কৃতার্থ হবো।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন