শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৯

কুরআনের বিরুদ্ধে কাফিরদের অভিযোগ ও আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জবাব সমূহ :



কুরআন  অভিযোগ :



কুরআনের বিরুদ্ধে কাফিরদের  অভিযোগ সমূহ  আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জবাব :    


অভিযোগ () - কুরআন মুহাম্মদ সাএর নিজের রচনানিজের মনগড়া বক্তব্য

(২১:তারা বলে, “বরং এসব বিক্ষিপ্ত স্বপ্নবরং এসব তার মনগড়া বরং  ব্যক্তি কবি৷  নয়তো সে আনুক একটি নিদর্শন যেমন পূর্ববর্তীকালের নবীদেরকে পাঠানো হয়েছিল নিদর্শন সহকারে৷

(১০:৩৮তারা কি একথা বলেপয়ম্বর নিজেই এটা রচনা করেছে?
(১১:১৩এরা কি বলছেনবী নিজেই  কিতাবটি রচনা করেছে ?
(১১:৩৫হে মুহাম্মদএরা কি একথা বলে যে ব্যক্তি নিজেই সবকিছু রচনা করেছে ?
(১৬:১০১) ....তখন এরা বলেতুমি নিজেই  কুরআন রচনা কর৷  আসলে এদের অধিকাংশই প্রকৃত সত্য জানে না৷
(৩৮-সোয়াদ:নিকট অতীতের মিল্লাতগুলোর মধ্য থেকে কারো কাছ থেকে তো আমরা একথা শুনিনি৷  এটি একটি মনগড়া কথা ছাড়া আর কিছুই নয়৷ (ব্যাখ্য > লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ কালেমাকে মনগড়া বলার কারণ)
(ফুরকান:যারা নবীর কথা মেনে নিতে অস্বীকার করেছে তারা বলে ফুরকান একটি মনগড়া জিনিসযাকে  ব্যক্তি নিজেই তৈরি করেছে এবং অপর কিছু লোক তার  কাজে তাকে সাহায্য করেছে৷ বড়ই জুলুম   ডাহা মিথ্যায় তারা এসে পৌছেছে৷৫বলেএসব পুরাতন লোকদের লেখা জিনিস - যেগুলো  ব্যক্তি লিখিয়ে নিয়েছে এবং তা তাকে সকাল-সাঁঝে শুনানো হয়৷
এতো পুরান কাহিনীএমন কথা আমরাও শুনাতে পারি : :৩১,

(বিস্তারিত ব্যাখ্যার জন্য দেখুন :  > কবি > কাফিরদের অভিযোগ : মুহাম্মদ সাএবং অন্যান্য নবীগণ কবি ছিলেন এবং তার জওয়াব। )


(৩২-আস-সাজদাএরা  কি বলে  ব্যক্তি নিজেই এটি তৈরি করে নিয়েছেন 


 . এটি নিছক প্রশ্ন  জিজ্ঞাসা নয়। বরং এখানে মহাবিস্ময় প্রকাশের ভঙ্গি অবলম্বন করা হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে , যে সমস্ত বিষয়ের কারণে  কিতাবের আল্লাহর কাছ থেকে অবতীর্ণ হওয়ার ব্যাপারটি যাবতীয় সন্দেহ-সংশয়মুক্ত হয় সেসব সত্ত্বেও কি এরা প্রকাশ্যে এমন হঠকারিতার কথা বলে যাচ্ছে যেমুহাম্মদ (সানিজেই এটি রচনা করে মিথ্যামিথ্যি একে আল্লাহ রব্বুল আলামীনের রচনা বলে চালিয়ে দিয়েছেন  এমন একটি বাজে  ভিত্তিহীন দোষারোপ করতে তারা একটুও লজ্জিত হচ্ছে না  যারা মুহাম্মদ (সাএবং তার কথা  কাজ সম্পর্কে জানে আর  কিতাবটিও অনুধাবন করে তারা  বাজে  ভিত্তিহীন দোষারোপের কথা শুনে কি অভিমত পোষণ করবে সে সম্পর্কে কোন অনুভূতি কি তাদের নেই 

(৩৪-সাবা৪৩) ...এরা বলে, “ (কুরআননিছক একটি মনগড়া মিথ্যা ছাড়া আর কিছুই নয়

(৩৪-সাবা: ৪৩)  কাফেরদের সামনে যখনই সত্য এসেছে তখনই এরা বলে দিয়েছে  তো সুস্পষ্ট যাদু  




অভিযোগের জবাব : (তাহলে তোমরা সবাই মিলে কুরআনের অনুরূপ একটি সূরা রচনা করে নিয়ে আসো:



(১৭:৮৮বলে দাওযদি মানুষ  জিন সবাই মিলে কুরআনের মতো কোনো একটি জিনিস আনার চেষ্টা করে তাহলে তারা আনতে পারবে নাতারা পরস্পরের সাহায্যকারী হয়ে গেলেও৷

বলো , “তোমাদের  দোষারুপের ব্যাপারে তোমরা যতি সত্যবাদী হয়ে থাকো তাহলে এরই মতো একটি সূরা রচনা করে আনো এবং এক আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাকে ডাকতে পারো সাহায্যের জন্য ডেকে নাও”-১০:৩৮,
বলোঠিক আছেতাই যদিহয়তাহলে এর মতো দশটি সূরা তোমরা বানিয়ে নিয়ে এসো এবং আল্লাহ ছাড়া তোমাদের আর যেসব মাবুদ আছে তাদেরকে সাহায্যের জন্যে ডাকতে পারলে ডেকে নাওযদি তোমরা (তাদেরকে মাবুদ মনে করার ব্যাপারেসাচ্চা হয়ে থাকে৷ -১১:১৩এখন যদি তোমাদের মাবুদরা তোমাদের সাহায্যে না পৌঁছে থাকে তাহলে জেনে রাখো  আল্লাহর ইল্ থেকে নাযিল হয়েছে এবং তিনি ছাড়া আর কোন সত্যিকার মাবুদ নেই৷ তাহলে কি তোমরা ( সত্যের সামনেআনুগত্যের শির নত করছো ?-১১:১৪,


আর  কুরআন আল্লাহর অহী  শিক্ষা ছাড়া রচনা করা যায় না৷ বরং  হচ্ছে যা কিছু আগে এসেছিল তার সত্যায়ন এবং আল কিতাবের বিশদ বিবরণ  এতে কোন সন্দেহ নেই যেএটি বিশ্ব জাহানের অধিকর্তার পক্ষ থেকে এসেছে৷-১০:৩৭,


ওদেরকে বলে দাও, “যদি আমি নিজে এসব রচনা করে থাকিতাহলে আমার অপরাধের দায়-দায়িত্ব আমার৷ আর যে অপরাধ তোমরা করে যাচ্ছো তার জন্য আমি দায়ী নই৷-১১:৩৫,
(১৭:৭৩) .....যাতে তুমি আমার নামে নিজের পক্ষ থেকে কোনো কথা তৈরি করো৷  যদি তুমি এমনটি করতে তাহলে তারা তোমাকে নিজেদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করতো৷
(ফুরকান:হে মুহাম্মদবলো, “একে নাযিল করেছেন তিনিই যিনি পৃথিবী  আকাশমন্ডলীর রহস্য জানেন৷
 আসলে তিনি বড়ই ক্ষমাশীল  দয়ার্দ্র৷
মানুষ  জীনরা মিলে চেষ্টা করলেও  কিতাবের মতো কিছু একটা রচনা করে আনতে পারবে নাঃ (সূরা ইউনুসঃ ৩৮)


জবাব (কুরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে আগত সত্য :


(৩২-আস-সাজদা কিতাবটি রব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ এতে কোন সন্দেহ নেই৷  …….)………..নাবরং এটি সত্য তোমার রবের পক্ষ থেকে


 . কুরআন মজীদের অনেকগুলো সূরা  ধরনের কোন না কোন পরিচিতিমূলক বক্তব্য দিয়ে শুরু হয়েছে।  বাণী কোথায় থেকে আসছে সূরার শুরুতেই তা জানিয়ে দেয়াই হয় এর উদ্দেশ্য  রেডিও ঘোষক প্রোগ্রাম শুরু করার সূচনাতেই যেমন ঘোষণা করে দেনআমি অমুক স্টেশন থেকে বলছি এটা বাহ্যত তেমনি ধরনের একটা ভূমিকাসূচক বক্তব্য। কিন্তু রেডিওর এমনি ধরনের একটা মামুলি ঘোষণার বিপরীতে কুরআন মজীদের কোন সূরার সূচনা যখন  ধরনের একটা অসাধারণ ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হয় যাতে বলা হয় বাণী আসছে বিশ্বজাহানের শাসনকর্তার পক্ষ থেকে তখন এটা শুধমাত্র বাণীর উৎস বর্ণনা করাই হয় না বরং এই সঙ্গে এর মধ্যে শামিল হয়ে যায় একটা বিরাট বড় দাবীএকটা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ এবং একটা কঠোর ভীতি প্রদর্শনও। কারণ কথা শুরু করেই সে ঝট করে এত বড় একটা খবর দিয়ে দিচ্ছে যেএটা মানুষের সামনে  দাবী স্বীকার করা না করার কোন প্রশ্ন উত্থাপন করে। স্বীকার করলে চিরকালের জন্য তার সামনে আনুগত্যের শির নত করে দিতে হবেতারপর তার মোকাবিলায় মানুষের আর কোন স্বাধীনতা থাকতে পারে না। আর স্বীকার না করলে নিশ্চিতভাবেই তাকে একটা ভয়াবহ আশঙ্কার মুখোমুখি হতে হবে। অর্থাৎ যদি সত্যিই এটা বিশ্ব-জাহানের প্রভুর বাণী হয়ে থাকে তাহলে একে প্রত্যাখ্যান করার ফল স্বরূপ তাকে চিরন্তন দুভার্গ্যের শিকার হতে হবে।  জন্য  ভূমিকাসূচক বাক্যটির শুধুমাত্র নিজের এই প্রকৃতিগত অসাধারণত্বেরই কারণে মানুষকে কান লাগিয়ে চূড়ান্ত মনোনিবেশ সহকারে  বাণী শোনার এবং একে আল্লাহর বাণী হিসেবে স্বীকার করার বা না করার ফায়সালা করতে বাধ্য করে 
 কিতাব রব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে নাযিল করা হয়েছেশুধুমাত্র এতটুকু কথা বলেই এখানে শেষ করা হয়নি। বরং এর পরেও পূর্ণ জোরেশোরে বলা হয়েছে অর্থাৎ এটা আল্লাহর কিতাব এবং আল্লাহর কাছ থেকে এর অবতীর্ণ হবার ব্যাপারে আদৌ কোন সন্দেহের অবকাশই নেই।  তাগিদসূচক বাক্যাংশ টিকে যদি কুরআন নাযিলের ঘটনামূলক পটভূমি এবং খোদ কুরআনের নিজের পূর্বাপর বক্তব্যের আলোকে দেখা হয় তাহলে পরিষ্কার অনুভব করা যাবে যেতার মধ্যে দাবীর সাথে যুক্তি-প্রমাণও নিহিত রয়েছে এবং  যুক্তি-প্রমাণ মক্কা মু'আযযামার যেসব অধিবাসীর সামনে  দাবী পেশ করা হচ্ছিল তাদের কাছে গোপন ছিল না।  কিতাব উপস্থাপনকারীর সমগ্র জীবন তাদের সামনে ছিল। কিতাব উপস্থাপন করার আগেরও এবং পরেরও। তারা জানতোযিনি  দাবী সহকারে  কিতাব পেশ করছেন তিনি আমাদের জাতির সবচেয়ে সত্যাবাদীদায়িত্বশীল  সৎ চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তি। তারা এও জানতো যেনবুওয়াত দাবী করার একদিন আগে পর্যন্তও কেউ তার মুখ থেকে কখনো সেসব কথা শোনেননি যেগুলো নবুওয়াত দাবী করার পরপরই তিনি সহসাই বলতে শুরু করে দিয়েছিলেন। তারা  কিতাবের ভাষা  বর্ণনাভঙ্গি এবং মুহাম্মদ (সাএর ভাষা  বর্ণনাভঙ্গির মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য দেখতে পেতো। তারা পরিষ্কারভাবে একথাও জানতো যেএকই ব্যক্তি কখনো এত বেশি সুস্পষ্ট পার্থক্য সহকারে দু'টি ভিন্ন স্টাইলের অধিকারী হতে পারে না। তারা  কিতাবের একান্ত অসাধারণ সাহিত্য অলংকারও দেখছিল এবং আরবী ভাষাভাষি হিসেবে তারা নিজেরাই জানতো যেতাদের সকল কবি  সাহিত্যিক এর নজির পেশ করতে অক্ষম হয়েছে। তাদের জাতির কবিগণক  বাগ্নীদের বাণী এবং  বাণীর মধ্যে কত বড় ফারাক রয়েছে এবং  বাণীর মধ্যে যে পবিত্র-পরিচ্ছন্ন বিষয়বস্তু বর্ণিত হয়েছে কত উন্নতমানের তাও তাদের অজানা ছিল না। তারা  কিতাব  এর উপস্থাপকের দাওয়াতের মধ্যে কোথাও দূরবর্তী এমন কোন স্বার্থপরতার সামান্যতম চিহ্নও দেখতে পেতো না যা থেকে কোন মিথ্যা দাবীদারের কথা  কাজ কখনো মুক্ত হতে পারে না। নবুওয়াতের দাবী করে মুহাম্মদ (সানিজের নিজের পরিবার অথবা নিজের গোত্র  জাতির জন্য কি অর্জন করতে চাচ্ছিলেন এবং  কাজের মধ্যে তার নিজের কোন স্বার্থটি নিহিত রয়েছে তা তারা অণুবীক্ষণ যন্ত্র লাগিয়েও চিহ্নিত করতে পারতো না। তারপর  দাওয়াতের দিকে তার জাতির কেমন ধরনের লোকেরা আকৃষ্ট হয়ে চলছে এবং তার সাথে সম্পৃক্ত তাদের জীবনে কতবড় বিপ্লব সাধিত হচ্ছে তাও তারা দেখছিল।  সমস্ত বিষয় মিলে মিশে দাবীর স্বপক্ষে যুক্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। তাই  পটভূমিতে একথা বলা একদম যথেষ্ঠ ছিল যে কিতাবের রব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে নাযিলকৃত হওয়াটা সকল প্রকার সন্দেহসংশয়ের উর্ধ্বে। এর পাশে আরো কোন যুক্তি বসিয়ে যুক্তির বহর বৃদ্ধি করার কোন প্রয়োজন ছিল না।
 . যেভাবে প্রথম আয়াতে 'লা রাইবা ফিহীবলা যথেষ্ঠ মনে করা হয়েছিল এবং কুরআনুল কারীমের আল্লাহর কালাম হবার স্বপক্ষে এর চেয়ে বড় কোন যুক্তি পেশ করার প্রয়োজন মনে করা হয়নি। অনুরূপভাবে মক্কার কাফেরদের মিথ্যা অপবাদের জবাবে কেবলমাত্র এতটুকু বলাই যথেষ্ঠ মনে করা হচ্ছে যে, " এটি সত্য তোমার রবের পক্ষ থেকে।ওপরে এক নম্বর টীকায় আমরা যে কারণ বর্ণনা করেছি এর কারণও তাই। কেকোন ধরনের পরিবেশেকিতাবে  কিতাব পেশ করছিলেন সেসব বিষয় শ্রোতাদের সামনে ছিল এবং  কিতাবও তার নিজস্ব ভাষাশৈলীসাহিত্য সম্পদ  বিষয়বস্তু সহকারে সবার সামনে ছিল। এই সঙ্গে এর প্রভাব  ফলাফলও মক্কার সমকালীন সমাজে সবাই স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করছিল।  অবস্থায়  কিতাবের রব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে আগত সত্য হওয়াটা এমন সুস্পষ্ট বাস্তব ঘটনা ছিল যাকে শুধুমাত্র চূড়ান্তভাবে বর্ণনা করে দেয়াই কাফেরদের দোষারোপ খণ্ডনের জন্য যথেষ্ঠ ছিল।  জন্য কোন যুক্তি প্রদান করার প্রচেষ্টা চালানো প্রতিপাদ্য বিষয়কে মজবুত করার পরিবর্তে তাকে আরো দুর্বল করে দেবার কারণ হয়ে দাঁড়ায়  ব্যাপারটি ঠিক যেমন নাকি দিনের বেলা সূর্য কিরণ দিতে থাকে এবং কোন বেহায়া বেলাজ ব্যক্তি নির্দ্ধিধায় বলে দেয় এখন তো অন্ধকার রাত। এর জবাবে কেবলমাত্র এতটুকু বলাই যথেষ্ঠ হয় যেতুমি একে রাত বলছো  এখন তো সামনে রয়েছে আলো ঝলমল দিন। এরপর দিনের উপস্থিতির স্বপক্ষে যদি যুক্তি প্রমাণ পেশ করা হয়তাহলে এর ফলে নিজের জবাবের শক্তিবৃদ্ধি করা হবে না বরং তার শক্তি কিছুটা কমই করে দেয়া হবে।

জবাব () – কুরআন বিজ্ঞানময় কিতাব ধরণের বিজ্ঞানময় কিতাব কোন মানুষের পক্ষে রচনা করা সম্ভব নয় :




(৩৬-ইয়াসিন :বিজ্ঞানময় কুরআনের কসম তুমি নিসন্দেহে রসূলদের অন্তরভুক্ত, 
এভাবে বক্তব্য শুরু করার কারণ নাউযুবিল্লাহ  নয় যেনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর নবুওয়াতের ব্যাপারে কোন প্রকার সন্দিহান ছিলেন এবং তাঁকে নিশ্চয়তা দান করার জন্য আল্লাহর একথা বলার প্রয়োজন হয়েছিল বরং এর কারণ হচ্ছে এই যেসে সময় কুরাইশ বংশীয় কাফেররা অত্যন্ত জোরেশোরে নবী করীমের (সা)নবুওয়াত অস্বীকার করছিল তাই আল্লাহ কোন প্রকার ভুমিকা ছাড়াই তাঁর ভাষণ শুরুই করেছেন  বাক্য দিয়ে যে, "তুমি নিশ্চয়ই রসূলদের অন্তরভুক্ত" অর্থাৎ যারা তোমার নবুওয়াত অস্বীকার করছে তারা বিরাট ভুল করছে তারপর একথার ওপর কুরআনের কসম খাওয়া হয়েছে এবং কুরআনের গুণ বর্ণনা করতে গিয়ে "বিজ্ঞানময়"শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে এর অর্থ হচ্ছে এই যে তোমার নবী হবার সুস্পষ্ট প্রমাণ হচ্ছে  কুরআন যা পুরোপুরি জ্ঞানে পরিপূর্ণ  জিনিসটি নিজেই সাক্ষ দিচ্ছে যেযে ব্যক্তি এমন জ্ঞানপূর্ণ বাণী উপস্থাপন করছেন তিনি নিসন্দেহে আল্লাহর রসূল কোন মানুষ এমন ধরনের বাণী রচনা করার ক্ষমতা রাখে না আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যারা জানতো তাদের পক্ষে কোনক্রমেই  বিভ্রান্তির শিকার হওয়া সম্ভব ছিল না যে বাণী তিনি নিজে রচনা করে আনছেন অথবা অন্য কোন মানুষের কাছ থেকে শিখে এসে শুনাচ্ছেন ( বিষয়বস্তু বিস্তারিত ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআনসূরা ইউনুসূ২০২১২২৪৪৪৫বনী ইসরাঈল১০৪১০৫টীকাসূরা নূরের ভুমিকাসূরা আশ্ শূআরা আন নামল৯২আল কাসাস ৬২৬৩৬৪১০২-১০৯আল আনকাবুত৮৮-৯১টীকা এবং আর রুমের ঐতিহাসিক পটভূমি   টীকা )







অভিযোগ (কুরআন যদি আমাদের মনমতো হয় তবে গ্রহণ করবো”- কাফেরদের বক্তব্য :


যখন তাদেরকে আমার সুষ্পষ্ট  পরিষ্কার কথা শুনানো হয় তখন যারা আমার সাথে সাক্ষাতের আশা পোষণ করে না তারা বলেএটার পরিবর্তে অন্য কোন কুরআন আনো অথবা এর মধ্যে কিছু পরিবর্তন করো-১০:১৫,

অভিযোগ (কুরআনের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন করার আব্দার কাফেরদের



বিস্তারিত দেখুন :  > কুরআন পরিবর্তন করার অধিকার রাসুলকেও দেওয়া হয়নি।



যখন তাদেরকে আমার সুষ্পষ্ট  পরিষ্কার কথা শুনানো হয় তখন যারা আমার সাথে সাক্ষাতের আশা পোষণ করে না তারা বলেএটার পরিবর্তে অন্য কোন কুরআন আনো অথবা এর মধ্যে কিছু পরিবর্তন করো-১০:১৫,

হে মুহাম্মাদওদেরকে বলে দাও, “নিজের পক্ষ থেকে এর মধ্যে কোন পরিবর্তন পরিবর্ধন করা আমার কাজ নয়৷ আমি তো শুধুমাত্র আমার কাছে যে অহী পাঠানো হয়তার অনুসারী৷ যদি আমি আমার রবের নাফরমানী করি তাহলে আমার একটি ভয়াবহ দিনের আযাবের আশংকা হয়”- ১০:১৫,
 (১৭:৭৩হে মুহাম্মাদ ! তোমার কাছে আমি যে অহী পাঠিয়েছি তা থেকে তোমাকে ফিরিয়ে রাখার জন্য  লোকেরা তোমাকে বিভ্রাটের মধ্যে ঠেলে দেবার প্রচেষ্টায় কসুর করেনিযাতে তুমি আমার নামে নিজের পক্ষ থেকে কোনো কথা তৈরি করো৷  যদি তুমি এমনটি করতে তাহলে তারা তোমাকে নিজেদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করতো৷

(১৮:২৭হে নবী!  তোমার রবের কিতাবের মধ্য থেকে যাকিছু তোমার ওপর অহী করা হয়েছে তা (হুবহুশুনিয়ে দাও৷ তাঁর বক্তব্য পরিবর্তন করার অধিকার কারো নেই, (আর যদি তুমি কারো স্বার্থে তার মধ্যে পরিবর্তন করো তাহলেতাঁর হাত থেকে নিষ্কৃতি পেয়ে পালাবার জন্য কোনো আশ্রয়স্থল পাবে না৷

অভিযোগ () : তুমি যেসব আযাবের কথা শুনাচেছা পারলে সেগুলো নিয়ে আসো :


আরো দেখুন :  > আযাব   বিস্তারিত দেখুন :  > অবকাশ।

(১১:৩২শেষ পর্যন্ত তারা বললো, “হে নূহতুমি আমাদের সাথে ঝগড়া করেছোঅনেক ঝগড়া করেছোযদি সত্যবাদী হও তাহলে এখন আমাদের যে আযাবের ভয় দেখাচ্ছো তা নিয়ে এসো৷” 
(১৭:৯২অথবা তুমি আকাশ ভেংগে টুকরো টুকরো করে তোমার হুমকি অনুযায়ী আমাদের ওপর ফেলে দেবে৷ অথবা আল্লাহ  ফেরেশতাদেরকে আমাদের সামনে নিয়ে আসবে৷


তাদেরকে যেসব খারাপ পরিণামের ভয় দেখাচ্ছি সেগুলোর কোন অংশ যদি তোমার জীবদ্দশায় দেখিয়ে দেই অথবা এর আগেই তোমাকে উঠিয়ে নেইসর্বাবস্থায় তাদের আমারই দিকে ফিরে আসতে হবে এবং তারা যা কিছু করছে আল্লাহ তার সাক্ষী-১০:৪৬,

(১১:৩৩নূহ জবাব দিল, “তা তো আল্লাহই আনবেন যদি তিনি চান এবং তা প্রতিহত করার ক্ষমতা তোমাদের নেই৷  

(১৩:৪০হে নবীআমি এদেরকে যে অশুভ পরিণামের ভয় দেখাচ্ছি চাই তার কোন অংশ আমি তোমার জীবিতাবস্থায় তোমাকে দেখিয়ে দেই অথবা তা প্রকাশ হবার আগেই তোমাকে উঠিয়ে নিই- সর্বাবস্থায় তোমার কাজই হবে শুধুমাত্র পয়গাম পৌঁছিয়ে দেয়া আর হিসেব নেয়া হলো আমার কাজ৷
(১৩:৪১এরা কি দেখে না আমি  ভূখণ্ডের ওপর এগিয়ে চলছি এবং এর গণ্ডী চতুরদিক থেকে সংকুচিত করে আনছি

এর জবাবের জন্য বিস্তারিত দেখুন :  > অবকাশ > অবকাশ কেন দেওয়া হয় ?

অভিযোগ : () - কুরআনের কোন কোন আয়াত রহিত করণ প্রসঙ্গে :


(১৬:১০১) যখন আমি একটি আয়াতের জায়গায় অন্য একটি আয়াত নাযিল করি-আর আল্লাহ ভালো জানেন তিনি কি নাযিল করবেন-তখন এরা বলেতুমি নিজেই  কুরআন রচনা কর৷
(১৬:১০২) এদেরকে বলোএকে তো রূহুল কুদুস ঠিক ঠিকভাবে তোমার তোমার রবের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে নাযিল করেছে,

অভিযোগ : () : পূর্ববর্তী আসমানী কিতাব সমূহ রহিত করণ প্রসঙ্গে :



 প্রত্যেক যুগের জন্য একটি কিতাব রয়েছে৷-১৩:৩৮,
 (১৩:৩৯আল্লাহ যা চান নিশ্চিহ্ন করে দেন এবং যা চান কায়েম রাখেন৷ উম্মুল কিতাব তাঁর কাছেই আছে৷
(এটিও বিরোধীদের একটি আপত্তির জবাব। তারা বলতোইতিপূর্বে যেসব কিতাব এসেছে সেগুলোর উপস্থিতিতে আবার নতুন কিতাবের কি প্রয়োজন ছিল৷ তুমি বলছোসেগুলো বিকৃত হয়ে গেছেএখন সেগুলো নাকচ করে দেয়া হয়েছে এবং তার পরিবর্তে  নতুন কিতাবের অনুসারী হবার হুকুম দেয়া হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর কিতাব কেমন করে বিকৃত হতে পারে৷ তুমি বলছোএটি সেই আল্লাহর কিতাব যিনি তাওরাত  ইঞ্জীল নাযিল করেছিলেন। কিন্তু  কি ব্যাপারতোমার কোন কোন পদ্ধতি দেখছি তাওরাতের বিধানের বিরোধী৷ যেমন কোন কোন জিনিস তাওরাত হারাম ঘোষণা করেছে কিন্তু তুমি সেগুলো হালাল মনে করে খাও। এসব আপত্তির জবাব পরবর্তী সূরাগুলোয় বেশী বিস্তারিত আকারে দেয়া হয়েছে। এখানে এগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত  পূর্ণাংগ জবাব দিয়ে শেষ করে দেয়া হয়েছে।"উম্মূল কিতাবমানে আসল কিতাব অর্থাৎ এমন উৎসমূল যা থেকে সমস্ত আসমানী কিতাব উৎসারিত হয়েছে।)

অভিযোগ () : কুরআন হচ্ছে পুরানো দিনের কিচ্ছাকাহিনী : 

(১৬:২৪) আর যখন কেউ তাদেরকে জিজ্ঞেস করেতোমাদের রব  কী জিনিস নাযিল করেছেন তারা বলে, “জ্বীওগুলো তো আগের কালের বস্তাপচা গপ্পো৷
(মুমিনুন:৮৩আমরা  প্রতিশ্রুতি অনেক শুনেছি এবং আমাদের পূর্বে আমাদের বাপ-দাদারাও শুনে এসেছে৷ এগুলো নিছক পুরাতন কাহিনী ছাড়া আর কিছুই নয়৷

অভিযোগ () : অন্য একজন ব্যক্তি রাসুল সাকে কুরআন শিখিয়ে দিচ্ছে :

(১৬:১০৩) আমি জানি এরা তোমার সম্পর্কে বলে ব্যক্তিকে একজন লোক শিক্ষা দেয়৷


(১৬:১০৩) ….অথচ এরা যে ব্যক্তির দিকে ইংগিত করে তার ভাষা তো আরবী নয়৷ আর এটি হচ্ছে পরিষ্কার আরবী ভাষা৷  
মানুষ  জীনরা মিলে চেষ্টা করলেও  কিতাবের মতো কিছু একটা রচনা করে আনতে পারবে নাঃ (সূরা ইউনুসঃ ৩৮)

অভিযোগ () : কুরআন  দাওয়াত হচ্ছে আজেবাজে স্বপ্ন দেখার ফলশ্রতি   মনগড়া বক্তব্য :

 (২১:তারা বলে, “বরং এসব বিক্ষিপ্ত স্বপ্নবরং এসব তার মনগড়া বরং  ব্যক্তি কবি৷  নয়তো সে আনুক একটি নিদর্শন যেমন পূর্ববর্তীকালের নবীদেরকে পাঠানো হয়েছিল নিদর্শন সহকারে৷

অভিযোগ (১০) : সমগ্র কুরআন একই সাথে নাযিল করা হলোনা কেন ?

(২৫.ফুরকান:৩২অস্বীকারকারীরা বলে, “ ব্যক্তির কাছে সমগ্র কুরআন একই সাথে নাযিল করা হলো না কেন?”

(২৫.ফুরকান:৩২) .......হ্যাঁএমন করা হয়েছে এজন্যযাতে আমি একে ভালোভাবে তোমার মনে গেঁথে দিতে থাকি  এবং ( উদ্দেশ্যেএকে একটি বিশেষ ক্রমধারা অনুযায়ী আলাদা আলাদা অংশে সাজিয়ে দিয়েছি৷৩৩আর (এর মধ্যে  কল্যাণকর উদ্দেশ্যও রয়েছে যেযখনই তারা তোমার সামনে কোন অবিনব কথা (অথবা অদ্ভুত ধরনের প্রশ্ননিয়ে এসেছে তার সঠিক জবাব যথাসময়ে আমি তোমাকে দিয়েছি এবং সর্বোত্তম পদ্ধতিতে বক্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছি৷

অভিযোগ (১১) : কুরআন নিয়ে আসে শয়তান   



(২৬.শুআরা:২১০ (সুস্পষ্ট কিতাবটিনিয়ে শয়তানরা অবতীর্ণ হয়নি৷২১১ কাজটি তাদের শোভাও পায় না৷ এবং তারা এমনটি   করতেই পারে না৷২১২তাদের কে তো এর শ্রবন থেকেও দূরে রাখা হয়েছে৷১৩৩ 
(১৩৩অর্থাৎ কুরআনের বাণী হৃদয়ে সঞ্চার করার ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করা তো দূরের কথা যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে রুহুল আমীন তা নিয়ে চলতে থাকেন এবং যখন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মনোরাজ্যে তিনি তা নাযিল করেন তখন  সমগ্র ধারাবাহিক কার্যক্রমের কোন এক জায়গায়ও শয়তানদের কান লাগিয়ে শোনারও কোন সুযোগ মেলে না। আশেপাশে কোথাও তাদের ঘুরে বেড়াবার কোন অবকাশই দেয়া হয় না। কোথাও থেকে কোনভাবে কিছু শুনে টুনে দু'একটি কথা চুরি করে নিয়ে গিয়ে তারা নিজেদের বন্ধু বান্ধবদের বলতে পারতো না যেআজ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাণী শুনাবেন অথবা তাঁর ভাষণে অমুক কথা বলা হবে। (ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআনআল হিজর -১২  আস সাফফাত - টীকাসূরা আল জিন -৯ও ২৭ আয়াত))

অভিযোগ ১২ : মহান আল্লাহ কোন কিছুই নাযিল করেননি :


(৩৬-ইয়াসিন :১৫জনপদবাসীরা বললো, “তোমরা আমাদের মতো কয়েকজন মানুষ ছাড়া আর কেউ নও ১১ এবং দয়াময় আল্লাহ মোটেই কোন জিনিস নাযিল করেননি১২  তোমরা স্রেফ মিথ্যা বলছো৷ 

১২এটি আরো একটি মূর্খতা  অজ্ঞতা মক্কার কাফেররা  মূর্খতা  অজ্ঞতায় লিপ্ত ছিল বর্তমানকালের তথাকথিত মুক্ত বুদ্ধির প্রবক্তারাও এতে লিপ্ত রয়েছে এবং প্রাচীনতমকাল থেকে প্রত্যেক যুগের অহী  রিসালাত অস্বীকারকারীরা এতে লিপ্ত থেকেছে চিরকাল এদের সবার চিন্তা ছিলমানুষের হিদায়াতের জন্য আল্লাহ আদতে কোন অহী নাযিল করেন না তিনি কেবলমাত্র উর্ধজগতের ব্যাপারে আগ্রহান্বিত মানুষের ব্যাপারে মানুষদের নিজেদের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন


(৩৬-ইয়াসিন :১৬রাসূলরা বললোআমাদের রব জানেন আমাদের অবশ্যই তোমাদের কাছে রসূল হিসেবে পাঠানো হয়েছে  

অভিযোগ : ১৩ : কুরআন একটি কবিতা সমগ্র :

বিস্তারিত দেখুন :  > কবি 



(৩৬-ইয়াসিন :৬৯আমি  (নবী)-কে কবিতা শিখাইনি এবং কাব্য চর্চা তার জন্য শোভনীয়ও নয়৷৫৮   তো একটি উপদেশ এবং পরিস্কার পঠনযোগ্য কিতাব, ৭০যাতে সে প্রত্যেক জীবিত ব্যক্তিকে সতর্ক করে দিতে পারে ৫৯ এবং অস্বীকারকারীদের ওপর প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়৷  

৫৮কাফেররা তাওহীদআখেরাতমৃত্যুপরের জীবন  জান্নাত -জাহান্নাম সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথাকে নিছক কাব্য কথা গণ্য করে নিজেরা তাকে গুরুত্বহীন করে দেবার যে প্রচেষ্টা চালাতো এখানে তারই জবাব দেয়া হয়েছে

৫৯জীবন বলতে চিন্তাশীল  বিবেকবান মানুষ বুঝানো হয়েছে যার অবস্থা পাথরের মতো নির্জীব  নিষ্ক্রিয় নয় আপনি তার সামনে যতই যুক্তি সহকারে হক  বাতিলের পার্থক্য বর্ণনা করেন না কেন এবং যতই সহানুভূতি সহকারে তাকে উপদেশ দেন না কেন সে কিছুই শোনে নাবোঝে না এবং নিজের জায়গা থেকে একটুও নড়ে না

কুরআনের কথা হিসেবে প্রচার করাঅথচ সেকথা কুরআনে নেই - এর শাস্তি :


 তারপর যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা বানিয়ে তাকে আল্লাহর কথা বলে প্রচার করে অথবা আল্লাহর যথার্থ আয়াতকে মিথ্যা সাব্যস্ত করেতার চেয়ে বড় জালেম আর কে হতে পারে?   নিসন্দেহে অপরাধী কোনদিন সফলকাম হতে পারে না-১০:১৭,


কুরআন বিরোধী/ইসলাম বিদ্বেষী:


বিস্তারিত দেখুন :   > শাস্তি > কুরআন বিরোধীদের শাস্তি সমূহ 

কুরআন বিরোধীদের প্রতি আল্লাহর বক্তব্য সমূহ :

বেশ তোমরা ঠাট্টা করতে থাকোতবে তোমরা যে জিনিষটার প্রকাশ হওয়া ভয় করছো আল্লাহ তা প্রকাশ করে দিবেন : :৬৪।

আসল ব্যাপার হচ্ছেযে জিনিসটি এদের জ্ঞানের আওতায় আসেনি এবং যার পরিণামও এদের সামনে নেই তাকে এরা (অনর্থক আন্দাজে ) মিথ্যা বলে৷  এমনিভাবে এদের আগের লোকেরাও মিথ্যা আরোপ করেছে৷ কাজেই দেখো জালেমদের পরিনাম কী হয়েছে!:১০:৩৯,

তাদের মধ্য থেকে কিছু লোক ঈমান আনবে এবং কিছু লোক ঈমান আনবে না৷ আর তোমার রব  বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদেরকে ভালভাবেই জানেন৷-১০:৪০,

কুরআন বিরোধীদের শাস্তি :


কুরআনর কথাকে যারা উল্টো অর্থে গ্রহণ করে তাদেরকে উল্টো করে ঝুলিয়ে জাহান্নামে শাস্তি দেওয়া হবে :


(২৫.ফুরকান:৩৪যাদেরকে উপুড় করে জাহান্নামের দিকে ঠেলে দেয়া হবে তাদের অবস্থান বড়ই খারাপ এবং তাদের পথ সীমাহীন ভ্রান্তীতে পরিপূর্ণ৷৪৭

(৪৭অর্থাৎ যারা সোজা কথাকে উল্টোভাবে চিন্তা করে এবং উল্টো ফলাফল বের করে তাদের বুদ্ধি উল্টোমুখো হয়েছে।  কারণেই তারা কুরআনের সত্যতা প্রমাণ পেশকারী প্রকৃত সত্যগুলোকে তাদের মিথ্যা হবার প্রমাণ গণ্য করছে। আর এজন্যই তাদেরকে নিম্নমুখী করে মুখের উপর জাহান্নামের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে। )

কুরআনের মাধ্যমে দাওয়াতী কাজ করতে হবে :

:,

রহিত করণ :

কুরআনের কোন কোন আয়াত রহিত করণ প্রসঙ্গ :  (আরো দেখুন :  > কুরআনের বিরুদ্ধে কাফেরদের বিভিন্ন অভিযোগ)


:১০৬,


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন