কাফের / কাফির / কুফরী প্রসঙ্গ :
(নুর:৫৭) যারা
কুফরী করছে
তাদের সম্পর্কে
এ ভুল
ধারণা পোষণ
করো না
যে, তারা পৃথিবীতে আল্লাহকে অক্ষম করে দেবে ৷
তাদের আশ্রয়স্থল
জাহান্নাম এবং
তা বড়ই
নিকৃষ্ট আশ্রয়
৷
(২৮-ক্বাছাছ : 86) কাজেই তুমি
কাফেরদের সাহায্যকারী
হয়ো না৷
(২৮-ক্বাছাছ :৮২) কাফেররা সফলকাম
হয় না"
(২৮-ক্বাছাছ : ৮৭)
আর এমনটি
যেন কখনো
না হয়
যে, আল্লাহর আয়াত
যখন তোমার
প্রতি অবতীর্ণ
হয় তখন কাফেররা তোমাকে
তা থেকে
বিরত রাখে৷
(৩৯-যুমার:১৩) বলো,
আমি যদি আমার রবের অবাধ্য হই তাহলে আমার একটি ভয়ানক দিনের ভয় আছে৷
“কাফ্ফার” শব্দের অর্থ কি ?
টিকা: ৭) আল্লাহ এখানে সেসব লোকের জন্য দু’টি শব্দ ব্যবহার করেছেন। একটিكَاذِبٌ (মিথ্যাবাদী) এবং অপরটি كَفَّارٌ (অস্বীকারকারী)। তাদেরকেكَاذِبٌ বলা হয়েছে এজন্য যে তারা নিজেদের পক্ষ থেকে মিথ্যা এ আকীদা বানিয়ে নিয়েছে এবং অন্যদের মধ্যে এ মিথ্যাই প্রচার করছে। আর ‘কাফফার’
শব্দের দু’টি অর্থ। একটি,
ন্যায় ও সত্যের চরম অস্বীকারকারী। অর্থাৎ তাওহীদের শিক্ষা সামনে আসার পর এরা এ ভ্রান্ত আকীদা আঁকড়ে ধরে আছে। আরেকটি,
নিয়ামতের অস্বীকারকারী। অর্থাৎ এরা নিয়ামত লাভ করছে আল্লাহর কাছ থেকে আর কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছে সেসব সত্তার যাদের সম্পর্কে তারা নিজের থেকেই ধরে নিয়েছে যে,
তাদের হস্তক্ষেপের কারণেই তারা এসব নিয়ামত লাভ করছে।
যদি তোমরা অসৎ পথে চল / আল্লাহর ইবাদত না করো / যদি তোমরা কুফরী করো তাতে আল্লাহর কোন ক্ষতি হবে না :
টিকা: ১৯) অর্থাৎ তোমাদের কুফরীর কারণে তাঁর প্রভুত্বের সামান্যতম ক্ষতিও হতে পারে না। তোমরা মানলেও তিনি আল্লাহ,
না মানলেও তিনি আল্লাহ আছেন এবং থাকবেন। তাঁর নিজের ক্ষমতায়ই তাঁর কর্তৃত্ব চলছে। তোমাদের মানা বা না মানাতে কিছু এসে যায় না। হাদীসে নবী ﷺ বলেছেন যে, আল্লাহ বলেনঃ
يَا عِبَادِى لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ
وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَفْجَرِ قَلْبِ رَجُلٍ
مِنْكُمْ مَا نَقَصَ مِنْ مُلْكِى شَيْئًا-
“হে আমার বান্দারা,
যদি তোমরা আগের ও পরের সমস্ত মানুষ ও জিন তোমাদের মধ্যকার কোন সর্বাধিক পাপিষ্ঠ ব্যক্তির মত হয়ে যাও তাতেও আমার বাদশাহীর কোন ক্ষতি হবে না।”
(মুসলিম)।
আনন্দের সময় আল্লাহকে স্মরন করোনা, অথচ দু:খে পতিত হলে আল্লাহকে দোষারোপ কর :
(৩০-রূম: ৫১) আর আমি যদি এমন একটি বাতাস পাঠাই যার প্রভাবে তারা দেখে তাদের শস্য পীতবর্ণ ধারণ করেছে তাহলে তো তারা কুফরী করতে থাকে৷
(অর্থাৎ তখন তারা আল্লাহর কুৎসা গাইতে এবং তাকে দোষারোপ করতে থাকে এই বলে যে, আমাদের ওপর এ কেমন বিপদ চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। অথচ যখন আল্লাহ তাদের ওপর তাঁর অনুগ্রহধারা বর্ষণ করে চলছিলেন তখন তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পরিবর্তে তাঁর অমর্যাদা করেছিল। এখানে আবার এ বিষয়বস্তুর প্রতি একটি সূক্ষ্ণ ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে যে,
যখন আল্লাহর রসূল তাঁর পক্ষ থেকে রহমতের পয়গাম নিয়ে আসেন তখন লোকেরা তাঁর কথা মেনে নেয় না এবং সেই নিয়ামত প্রত্যাখ্যান করে। তাঁরপর যখন তাদের কুফরীর কারণে জালেম ও স্বৈরাচারী একনায়কদেরকে তাদের ওপর চাপিয়ে দেন এবং তারা জুলুম- নিপীড়নের যাঁতাকলে তাদেরকে পিষ্ট করতে এবং মানবতাঁর নিকুচি করতে থাকে তখন তারাই আল্লাহকে গালি দিতে থাকে এবং তিনি এ কেমন জুলুমে পরিপূর্ণ দুনিয়া তৈরি করেছেন বলে দোষারোপও করতে থাকে। )
কাফেররা হচ্ছে বিদ্রোহীদের সাহায্যকারী :
(২৫.ফুরকান:৫৫)....কাফের নিজের রবের মোকাবিলায় প্রত্যেক বিদ্রোহীর সাহায্যকারী হয়ে আছে৷
(ব্যাখ্যার জন্য দেখুন : ই > ইসলামী বিরোধী > ইসলাম বিরোধীদেরকে যারা সাহায্য করে তারা কাফের । )
রাসুল সা: এর যুগের কাফেরগণ নাস্তিক ছিলনা, তার দেবদেবীদের পূজা করত আল্লাহর নিকট সুপারিশ লাভের আশায় :
(মু’মিনুন:৮৮) তাদেরকে জিজ্ঞেস
করো, বলো যদি তোমরা
জেনে থাকো, কার কর্তৃত্ব
চলছে প্রত্যেকটি
জিনিসের ওপর? আর কে
তিনি যিনি
আশ্রয় দেন
এবং তাঁর মোকাবিলায় কেউ
আশ্রয় দিতে
পারে না
? ৮৯) তারা
নিশ্চয়ই বলবে, এ বিষয়টি
তো আল্লাহরই
জন্য নির্ধারিত
৷ বলো,তাহলে তোমরা বিভ্রান্ত হচ্ছো
কোথায় থেকে
?
(মু’মিনুন:৮৬) তাদেরকে জিজ্ঞেস
করো, সাত আসমান ও
মহান আরশের
অধিপতি কে
? ৮৭) তারা
নিশ্চয়ই বলবে, আল্লাহ ৷ বলো, তাহলে তোমরা ভয়
করো না
কেন ?
(মু’মিনুন:৮৪) তাদেরকে জিজ্ঞেস
করোঃ যদি
তোমরা জানো
তাহলে বলো
এ পৃথিবী
এবং এর
মধ্যে যারা
বাস করে তারা কার ? ৮৫) তারা নিশ্চয়
বলবে, আল্লাহর ৷
বলো, তাহলে তোমরা
সচেতন হচ্ছো
না কেন
?
কাফেরদের দাবী মিথ্যা :
(মু’মিনুন:৯০) যা সত্য তা আমি তাদের সামনে এনেছি এবং এরা যে মিথ্যেবাদী এতে কোন সন্দেহ নেই ৷
কাফেরদের কর্মের উপমা :
(নূর:৩৯) কিন্তু যারা কুফরী করে তাদের কর্মের উপমা হলো পানিহীন মরুপ্রান্তরে মরীচিকা, তৃঞ্চাতুর পথিক তাকে পানি মনে করেছিল, কিন্তু যখন সে সেখানে পৌঁছুলো কিছুই পেলো না বরং সেখানে সে আল্লাহকে উপস্থিত পেলো,
যিনি তার পূর্ণ হিসেব মিটিয়ে দিলেন এবং আল্লাহর হিসেব নিতে দেরী হয় না ৷
কাফেরদের
কাছ থেকে কি উপহার / উপঢৌকন নেয়া জায়েয ? না, যদি তা ইসলামের দাওয়াতের ব্যাপারে আপোষ বা শিথিলতার জন্য হয় তবেতো একেবারেই নেয়া যাবে না :
(২৭-নমল:৩৫) (সাবা সম্রাজ্যের সূর্যপূজারী কাফের রাণী বললো) আমি তাদের কাছে (সুলাইমান আ: এর কাছে) একটি উপঢৌকন পাঠাচ্ছি তারপর দেখছি তোমার দূত কি জবাব নিয়ে ফেরে৷” ৩৬) যখন সে (রাণীর দূত) সুলাইমানের কাছে পৌঁছুলো, সে বললো, তোমরা কি অর্থ দিয়ে আমাকে সাহায্য করতে চাও?
আল্লাহ আমাকে যা কিছু দিয়েছেন তা তোমাদের যা কিছু দিয়েছেন তার চেয়ে অনেক বেশী৷ তোমাদের উপঢৌকন নিয়ে তোমরাই খুশি থাকো৷ ৩৭) (হে দূত!) ফিরে যাও নিজের প্রেরণকারীদের কাছে আমি তাদের বিরুদ্ধে এমন সেনাদল নিয়ে আসবো যাদের তারা মোকাবিলা করতে পারবে না এবং আমি তাদেরকে এমন লাঞ্ছিত করে সেখান থেকে বিতাড়িত করবো যে, তারা ধিকৃত ও অপমানিত হবে৷”
(অহংকার ও দাম্ভীকতার প্রকাশ এ কথার উদ্দেশ্য নয়। আসল বক্তব্য হচ্ছে,
তোমাদের অর্থ-সম্পদ আমার লক্ষ্য নয় বরং তোমরা ঈমান আনো এটাই আমার কাম্য। অথবা কমপক্ষে যে জিনিস আমি চাই তা হচ্ছে, তোমরা একটি সৎজীবন ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার অনুসারী হয়ে যাও। এ দু'টি জিনিসের মধ্যে কোন একটিই যদি তোমরা না চাও,
তাহলে ধন-সম্পদের উতকোচ গ্রহণ করে তোমাদেরকে এই শির্ক ও বিপর্যয় সৃষ্টিকারী নোংরা জীবন ব্যবস্থার ব্যাপারে স্বাধীন ছেড়ে দেয়া আমার পে সম্ভব নয়। তোমাদের সম্পদের তুলনায় আমার রব আমাকে যা কিছু দিয়েছেন তা ঢের বেশী। কাজেই তোমাদের সম্পদের প্রতি আমার লোভাতুর হওয়ার প্রশ্নই উঠে না।)
(প্রথম বাক্য এবং এ বাক্যটির মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ফাঁক রয়ে গেছে। বক্তব্যটি সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করলে এটি আপনা আপনিই অনুধাবন করা যায়। অর্থাৎ পুরো বক্তব্যটি এমনঃ হে দূত এ উপহার এর প্রেরকের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যাও। তাকে হয় আমার প্রথম কথাটি মেনে নিতে হবে অর্থাৎ মুসলিম হয়ে আমার কাছে হাজির হয়ে যেতে হবে আর নয়তো আমি সেনাদল নিয়ে তার ওপর আক্রমণ করবো।)
এরপর যে কুফরী করে তার কুফরী যেন তোমাকে বিষন্ন না করে :
(৩১-লোকমান: ২৩) এরপর যে কুফরী করে তার কুফরী যেন তোমাকে বিষন্ন না করে৷
(ব্যাখ্যার জন্য দেখুন : দ > দাওয়াতী কাজ > মনে কষ্ট ।
আল্লাহ কাফেরদের মুখ ফিরিয়ে দিয়েছেন, তারা বিফল হয়ে নিজেদের অন্তরজ্বালা সহকারে এমনিই ফিরে গেছে:
(৩৩-আহযাব: ২৫) আল্লাহ কাফেরদের মুখ ফিরিয়ে দিয়েছেন, তারা বিফল হয়ে নিজেদের অন্তরজ্বালা সহকারে এমনিই ফিরে গেছে এবং মুমিনদের পক্ষ থেকে লড়াই করার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট হয়ে গেছেন৷ আল্লাহ বড়ই শক্তিশালী ও পরাক্রান্ত৷
কুফরী করা উচিত নয় কেন :
২;২৮, ১৬২, ৩:১০১,
যে ব্যক্তি কুফরী করে তা তার নিজের জন্যই ক্ষতিকর, এতে আল্লাহর কোন ক্ষতি হয় না :
(৩১-লোকমান: ১২) ......আর যে ব্যক্তি কুফরী করবে,
সে ক্ষেত্রে প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ অমুখাপেক্ষী এবং নিজে নিজেই প্রশংসিত ৷ ১৯
১৯ . অর্থাৎ যে ব্যক্তি কুফরী করে তার কুফরী তার নিজের জন্য ক্ষতিকর। এতে আল্লাহর কোন ক্ষতি হয় না। তিনি অমুখাপেক্ষী । কারো কৃতজ্ঞতার মুখাপেক্ষী নন। কারো কৃতজ্ঞতা তার সার্বভৌম কর্তৃত্বে কোন বৃদ্ধি ঘটায় না। বান্দার যাবতীয় নিয়ামত যে একমাত্র তার দান করো অকৃতজ্ঞতা ও কুফরী এ জাজ্জ্বল্যমান সত্যে কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারে না। কেউ তার প্রশংসা করুক বা নাই করুক তিনি আপনা আপনিই প্রশংসিত। বিশ্ব-জাহানের প্রতিটি অণু-কণিকা তার পূর্ণতা ও সৌন্দর্য এবং তার স্রষ্টা ও অন্নদাতা হবার সাক্ষ দিচ্ছে এবং প্রত্যেকটি সৃষ্ট বস্তু নিজের সমগ্র সত্তা দিয়ে তার প্রশংসা গেয়ে চলছে।
(২৭-নমল:৪০)....আর যে ব্যক্তি শোকরগুযারী করে তার শোকর তার নিজের জন্যই উপকারী৷ অন্যথায় কেউ অকৃতজ্ঞ হলে, আমার রব করো ধার ধারে না এবং তিনি আপন সত্তায় আপনি মহীয়ান৷
কাফেরদের সৎকাজ ধর্তব্যের মধ্যে গণ্য হবে না, কারণ কুফরীই সবচেয়ে বড় অসৎকাজ, এরপরে অন্যকোন সৎকাজ বা অসৎকাজ মূল্যহীন :
(৩০-রূম: ১৬) আর যারা কুফরী করেছে এবং আমার নিদর্শনাবলী ও পরলোকের সাক্ষাতকারকে মিথ্যা বলেছে ২১ তাদেরকে আযাবে হাজির রাখা হবে৷
২১ . একথাটি অবশ্যই প্রণিধানযোগ্য যে,
ঈমানের সাথে সৎকাজের কথা বলা হয়েছে, যার ফলে মানুষ মহান মর্যাদা সম্পন্ন পরিণামফল ভোগ করবে।কিন্তু কুফরীর অশুভ পরিণাম বর্ণনা প্রসঙ্গে অসৎকাজের কোন বর্ণনা দেয়া হয়নি। এ থেকে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয় যে, মানুষের পরিণাম নষ্ট করার জন্য কুফরীই যথেষ্ঠ। অসৎকাজের সাথে তাঁর শামিল হওয়ায় বা না হওয়ায় কিছু যায় আসে না।
কাফিরদের / অপরাধীদের সীদ্ধান্ত গ্রহণ ভুল হয় : যা পরিণামের তাদের নিজেদেরই ক্ষতির কারণ হয় :
(২৮-ক্বাছাছ : ৮) . শেষ পর্যন্ত ফেরাউনের পরিবারবর্গ তাকে (দরিয়া থেকে) উঠিয়ে নিল,যাতে সে তাদের শত্রু এবং তাদের দুঃখের কারণ হয়৷১১ যথার্থই ফেরাউন,
হামান ও তার সৈন্যরা (তাদের ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ) ছিল বড়ই অপরাধী৷
(১১. এটা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না বরং এ ছিল তাদের কাজের পরিণাম। যা তাদের জন্য নির্ধারিত ছিল। তারা এমন এক শিশুকে উঠাচ্ছিল যার হাতে শেষ পর্যন্ত তাদেরকে ধ্বংস হতে হবে।)
কাফেরদের শাস্তি :
(৩৫-ফাতির:৩৯) তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি করেছেন৷৬৪ এখন যে কেউ কুফরী করবে তার কুফরীর দায়ভার তার ওপরই পড়বে ৬৫ এবং কাফেরদের কুফরী তাদেরকে এ ছাড়া আর কোন উন্নতি দান করে না যে, তাদের রবের ক্রোধ তাদের ওপর বেশী বেশী করে উৎক্ষিপ্ত হতে থাকে এবং কাফেরদের জন্য ক্ষতিবৃদ্ধি ছাড়া আর কোন উন্নতি নেই৷
৬৪. এর দুটি অর্থ হতে পারে। এক, পূর্ববর্তী প্রজন্ম ও জাতিদের অতিবাহিত হওয়ার পর তাঁরপর এই পৃথিবীর বুকে তিনি তেমাদেরকে তাদের জায়গায় স্থাপন করেছেন। দুই, তিনি পৃথিবীতে তোমাদেরকে বিভিন্ন জিনিস ব্যবহার করার যে ক্ষমতা দিয়েছেন তা তোমাদের এ জিনিসগুলোর মালিক হবার কারণে নয় বরং মূল মালিকের প্রতিনিধি হিসেবে তোমাদের এগুলো ব্যবহার করার ক্ষমতা দিয়েছেন।
৬৫. যদি পূর্বের বাক্যের এ
অর্থ গ্রহণ করা হয় যে,
তোমাদেরকে তিনি পূর্ববর্তী জাতিদের স্থলাভিষিক্ত করেছেন তাহলে এ বাক্যটির অর্থ হবে,
যারা অতীতের জাতি সমূহের পরিণাম থেকে কোন শিক্ষাগ্রহণ করেনি এবং যে কুফরীর বদৌলতে জাতিসমূহ ধবংস হয়ে গেছে সেই একই কুফরী নীতি অবলম্বন করছে তারা নিজেদের এ নির্বুদ্ধিতার ফল ভোগ করবেই। আর যদি এ বাক্যটির এ অর্থ গ্রহণ করা হয় যে, আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে পৃথিবীতে ক্ষমতা দান করেছেন তাহলে এ বাক্যের অর্থ হবে, যারা নিজেদের প্রতিনিধিত্বের মর্যাদা ভুলে গিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম ক্ষমতা সম্পন্ন হয়ে বসেছে অথবা যারা আসল মালিককে বাদ দিয়ে অন্য কারো বন্দেগী করেছে তারা নিজেদের এ বিদ্রোহাত্মক কর্মনীতির অশুভ পরিণাম ভোগ করবে।
.
কাফেরদের পক্ষ থেকে পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণ দেয়া হলেও তাদের তওবা কবুল করা হবে না :
৩:৮৬-৯১,
তোমরা কেমন করে কাফের হতে পারো ?
৩:১০১,
কাফেররা লাঞ্ছিত, ধ্বংস রয়েছে তাদের জন্য এবং তারা বঞ্চিত :
৩:১২৭ ,
কাফেরদের জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে জাহান্নাম :
৩:১৭৬-১৭৭, ৫:১০, ২:১৯০-১৯৩, ৫:৩৩, ১১৫, ৬:৭০, ১২৩,
কাফেরদের ধন সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন কাজে আসবে না :
৩:১১৬, ৬:৪৪,
কাফেরদেরকে আল্লাহ সফলতার পথ দেখাবেন না :
৫:৬৭.
৫:১০৩, -১০৫, ৬:৩১, ২৭-২৯, ১২৮-১৩০,
কাফেররা বিজয়ী হতে পারবে না :
(২১:৪৪) আসল কথা হচ্ছে,
তাদেরকে ও তাদের পূর্বপুরুষদেরকে আমি জীবনের উপায়-উপকরণ দিয়েই এসেছি৷ এমনকি তারা দিন পেয়ে গেছে৷ কিন্তু তারা কি দেখে না, আমি বিভিন্ন দিক থেকে পৃথিবীকে সংকুচিত করে আনছি ? তবুও কি তারা বিজয়ী হবে ?
যারা কুফরী করেছে, তাদের জন্য রয়েছে আগুন :
(৩৫-ফাতির:৩৬) আর যারা কুফরী করেছে ৬২ তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন৷ না তাদের অস্তিত্ব খতম করে দেয়া হবে যাতে তারা মরে যাবে এবং না তাদের জন্য জাহান্নামের আযাব কিছু কমানো হবে৷ এভাবে আমি প্রত্যেক কুফরীকারীকে প্রতিফল দিয়ে থাকি৷
৬২. অর্থাৎ আল্লাহ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর যে কিতাব নাযিল করেছেন তা মেনে নিতে অস্বীকার করেছে।
কাফের / অপরাধীদেরকে সম্পদশালী করে দেওয়া হয় ? কারণ কি ?
(২০:১৩১) আর চোখ তুলেও তাকাবে না দুনিয়াবী জীবনের শান-শওকতের দিকে,
যা আমি এদের মধ্য থেকে বিভিন্ন ধরনের লোকদেরকে দিয়ে রেখেছি৷ এসব তো আমি এদেরকে পরীক্ষার মুখোমুখি করার জন্য দিয়েছি এবং তোমার রবের দেয়া হালাল রিযিকই উত্তম ও অধিকতর স্থায়ী৷
কিয়ামতের দিন কাফেররা আফসোস করে যা কিছু বলবে :
হায়, যদি মাটি ফেটে যেত এবং তারা তার মধ্যে চলে যেত : ৪:৪২,
কাফেররা কুফর ও ঈমানের মাঝখানে একটি পথ বের করতে চায় :
৪:১৫০-১৫১,
কাফেররা আল্লাহর কোন অনিষ্ট সাধন করতে পারবে না :
৩:১৭৬, ১৭৭,
যারা ঈমানের পরিবর্তে কুফরকে ক্রয় করে নিয়েছে :
৩:১৭৭, ১৭৮,
কাফেররা চায় নবীগণ যে আযাবের হুমকি দেখাচ্ছেন, তা তারাতারি নিয়ে আসোতো ? –এর জবাব :
৬:৫৭, ৫৮,
(আরো দেখুন : আ > আযাবের হুমকি)
কুফরী কর্মকান্ডের নিয়মগুলো নতুন নয়, প্রাচীন কালথেকেই চলে আসছে:
এ ধরনের লোকদের এ রীতি প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে৷-১৫:১২,
পথভ্রষ্টতার পন্থাগুলো প্রাচীন কাল থেকে নিয়ে বর্তমান কাল পর্যন্ত একই রয়েছে :
(মু’মিনুন:৮১) কিন্তু তারা সে একই কথা বলে যা তাদের পূর্বের লোকেরা বলেছিল৷
কাফেরদের কুফরী কার্যক্রম এর উপমা হচ্ছে ছাই এর মত :
(১৪:১৮) যারা তাদের রবের সাথে কুফরী করলো তাদের কার্যক্রমের উপমা হচ্ছে এমন ছাই-এর মতো,
যাকে একটি ঝনঝাক্ষুব্ধ দিনের প্রবল বাতাস উড়িয়ে দিয়েছে৷ তারা নিজেদের কৃতকর্মের কোনই ফল লাভ করতে পারবে না৷ এটিই চরম বিভ্রান্তি৷
কাফেরদের অন্তরে কুরআনের বানী লৌহ শলাকার ন্যায় প্রবেশ করে :
(১৫:১২) এ বাণীকে অপরাধীদের অন্তরে আমি এভাবেই (লৌহ শলাকার মতো) প্রবেশ করাই৷’
(কারণ কুরআন তাদের সমস্ত
কুফরী কর্মকান্ডের বিপরীত কথা বলে, ঈমান ও সৎকাজের কথা বলে, তাই কুরআনের কথা তাদের কাছে লৌহ শলাকার মত মনে হয়)
.
(২৬.শুআরা:২০০) অনুরূপভাবে একে আমি অপরাধীদের হৃদয়ে বিদ্ধ করে দিয়েছি৷
(অর্থাৎ এ কুরআন সত্যপন্থীদের দিলে যেমন আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও হৃদয়ের শান্তনা হয়ে দেখা দেয় তাদের দিলে এর প্রতিক্রিয়া ঠিক সেভাবে হয় না। বরং একটি গরম লোহার শলাকা হয়ে এটা তাদের হৃদয়ে এমনভাবে বিদ্ধ হয় যে,
তারা অস্থির হয়ে ওঠে এবং এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করার পরিবর্তে তার প্রতিবাদ করার উপায় খুঁজতে থাকে।)
কাফেরদের দোয়া কি কবুল হবে ?
ঠিক এমনিভাবে কাফেরদের দোয়াও একটি লক্ষভ্রষ্ট তীর ছাড়া আর কিছু নয়৷
-১৩:১৪,
আর অন্যান্য সত্তাসমূহ, আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে এ লোকেরা ডাকে, তারা তাদের প্রার্থনায় কোন সাড়া দিতে পারে না৷ তাদেরকে ডাকা তো ঠিক এমনি ধরনের যেমন কোন ব্যক্তি পানির দিকে হাত বাড়িয়ে তার কাছে আবেদন জানায়,
তুমি আমার মুখে পৌঁছে যাও, অথচ পানি তার মুখে পৌঁছতে সক্ষম নয়৷-১৩:১৪,
কাফেরদের প্রধান পরিচয় হচ্ছে তারা পরকালে অবিশ্বাসী :
(১৩:৫) এখন যদি তুমি বিস্মিত হও,
তাহলে লোকদের একথাটিই বিস্ময়কর : “মরে মাটিতে মিশে যাবার পর কি আমাদের আবার নতুন করে পয়দা করা হবে ?” এরা এমনসব লোক যারা নিজেদের রবের সাথে কুফরী করেছে৷
(মানুষ পুনরায় জীবিত হবেনা, অর্থাৎ, এর মাধ্যমে আল্লাহকেও তারা অক্ষম মনে করে)
কাফেররা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ে গেছে :
(১২:৮৭) আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না৷ তাঁর রহমত থেকে তো একমাত্র কাফেররাই নিরাশ
হয়৷”
কাফেরদের গলায় শিকল পরানো আছে :
এরা এমনসব লোক যাদের গলায় শেকল পরানো আছে৷ (১৩:৫)
(গলায় শেকল পরানো থাকা কয়েদী হবার আলামত। তাদের গলায় শেকল পরানো আছে বলে একথা বুঝানো হচ্ছে যে, তারা নিজেদের মূর্খতা,
হঠকারিতা, নফসানী খাহেশাত ও বাপ-দাদার অন্ধ অনুকরণের শেকলে বাঁধা পড়ে আছে। তারা স্বাধীনভাবে চিন্তা-ভাবনা করতে পারে না। অন্ধ স্বার্থ ও গোষ্ঠীপ্রীতি তাদেরকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে যে,
তারা আখেরাতকে মেনে নিতে পারে না যদিও তা মেনে নেয়া পুরোপুরি যুক্তিসংগত। আবার অন্যদিকে এর ফলে তারা আখেরাত অস্বীকারের ওপর অবিচল রয়েছে,
যদিও তা পুরোপুরি যুক্তিহীন।)
Bmjv‡gi c‡_ hviv evav n‡q `vovq Avjøvn Aek¨B Zv‡`i‡K Avhve
†`‡eb : 8:34 (hviv gmwR‡` †h‡Z evav †`q),
Kv‡diiv hv wKQz K‡i Avjøvn Zv wN‡i i‡q‡Qb : 8:47,
Zviv (Bmjvg we‡ivaxiv) Ggb ai‡Yi †jvK hv‡`i †evakw³ †bB :
8:65,
যারা ঈমানের দাবী করে এবং প্রয়োজনের সময় জিহাদে যোগদান করেনা, তাদের ঈমানের দাবী মিথ্যা এবং তারাও
কুফরীতে লিপ্ত :৯:৯০ (তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি)
কিছু কিছু গ্রামীণ আরবের লোকেরা (আরব বেদুইনরা) জিহাদে না গিয়ে মুনাফিকীর পরিচয় দিয়েছিল, তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি : ৯:৯০,
(নুর:৫৭) যারা
কুফরী করছে
তাদের সম্পর্কে
এ ভুল
ধারণা পোষণ
করো না
যে, তারা পৃথিবীতে আল্লাহকে অক্ষম
করে দেবে
৷ তাদের
আশ্রয়স্থল জাহান্নাম
এবং তা
বড়ই নিকৃষ্ট
আশ্রয় ৷
ইসলামের দাওয়াত প্রত্যাখ্যান কারী কাফেরদের কার্যাবলী :
দেখো, এরা তাঁর কাছ থেকে আত্মগোপন করার জন্য বুক ভাঁজ করছে৷ সাবধান! যখন এরা কাপড় দিয়ে নিজেদেরকে ঢাকে তখন তারা যা গোপন করে এবং যা প্রকাশ করে তা সবই আল্লাহ জানেন৷ তিনি তো অন্তরে যা সংগোপন আছে তাও জানেন৷ ১১:৫।
কাফের / ইসলাম বিরোধীদের প্রতি আল্লাহর নসীহত :
Bmjv‡gi we‡ivaxZv Kiv ÿvšÍ w`‡q Bmjvg MÖnb K‡i Kg©bxwZ
ms‡kvab K‡i wb‡j c~e©eZx© ¸bvn ¸‡jv ÿgv K‡i †`qv n‡e:
8:38 (Ab¨_vq c~e©eZ©x RvwZ‡`i mv‡_ Avjøvn hv K‡i‡Qb Zv‡Zv
meviB Rvbv),
কাফির /কাফের / ইসলাম বিরোধীদের প্রতি আল্লাহর হুশিয়ারী / হুমকি / সাবধান বানী :
যুদ্ধের ময়দানে নিহত কাফেরদের রূহ ফেরেশতা কবয করার সময় তাদের পিঠে ও চেহারায় আঘাত করে এবং বলে নাও এবার জ্বালা পোড়ার শাস্তি ভোগ কর : ৮:৫০-৫২,
কাফেরদের (সত্য অস্বীকার কারী কুফরী কর্মপন্থা গ্রহণকারীদের) জন্য রয়েছ আযাব : ৮:৩৫
(২১:৭০) তারা চাচ্ছিল ইবরাহীমের ক্ষতি করতে কিন্তু আমি তাদেরকে ভীষণভাবে ব্যর্থ করে দিলাম৷
(২৮-ক্বাছাছ : ৬) পৃথিবীতে তাদেরকে কর্তৃত্ব দান করবো৷ এবং তাদের থেকে ফেরাউন,
হামান ও তার সৈন্যদেরকে সে সবকিছুই দেখিয়ে দেবো, যার আশংকা তারা করতো৷
(১৭:৭৬) আর এরা এ দেশ থেকে তোমাকে উৎখাত করার এবং এখান থেকে তোমাকে বের করে দেবার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছিল৷ কিন্তু যদি এরা এমনটি করে তাহলে তোমার পর এরা নিজেরাই এখানে বেশীক্ষণ থাকতে পারবে না।
(ব্যাখ্যা : এটি একটি সুস্পষ্ট ভবিষ্যদ্বাণী । সে সময় এটি তো নিছক হুমকি মনে হচ্ছিল । কিন্তু দশ বারো বছরের মধ্যেই এর সত্যতা অক্ষরে অক্ষরে প্রমাণ হয়ে গেলো । কাফেররা মুহাম্মদ সা: কে নিজের জন্মভূমি থেকে বের হয়ে যেতে
বাধ্য করলো এবং এরপর ৮ বছরের বেশী সময় অতিবাহিত হতে না হতেই তিনি বিজয়ীর বেশে মক্কা মুয়াযযমায় প্রবেশ করলেন । তারপর দু'বছরের মধ্যেই সমগ্র আরব ভূখণ্ড মুশরিক শূন্য করা হলো । এরপর যারাই এ দেশে বসবাস করেছে মুসলমান হিসেবেই বসবাস করেছে, মুশরিক হিসেবে কেউ সেখানে টিকতে পারেনি ।)
(বিস্তারিত দেখুন : জ > জিহাদ > কাফির ও জিহাদ)
আল্লাহর আযাবের ব্যাপারে কেবল কাফের সম্প্রদায়ই নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকতে পারে :
জনপদের লোকেরা কি এখন এ ব্যাপারে নির্ভয় হয়ে গেছে যে, আমার শাস্তি কখনো অকস্মাত রাত্রিকালে তাদের ওপর এসে পড়বে না,
যখন তারা থাকবে নিদ্রামগ্ন? অথবা তারা নিশ্চিন্তে হয়ে গেছে যে, আমাদের মজবুত হাত কখনো দিনের বেলা তাদের ওপর এসে পড়বে না,
যখন তারা খেলা ধুলায় মেতে থাকবে? এরা কি আল্লাহর কৌশলের ব্যাপারে নির্ভীক হয়ে গেছে? অথচ যে সব সম্প্রায়ের ধ্বংস অবধারিত তারা ছাড়া আল্লাহর কৌশলের ব্যাপারে আর কেউ নির্ভীক হয় না-৭:৯৭৯৯,
দুনিয়ার দুদিনের জীবন ভোগ করে নাও, তারপর আমার দিকে তাদের ফিরে আসতে হবে, তখন
তারা যে কুফরী করছে তার প্রতিফল স্বরূপ তাদেরকে কঠোর শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাবো৷-১০:৭০,
কুফরী বাক্য :
কঠোর নির্যাতনের কারণে জীবন বাচানোর জন্য কুফরী বাক্য উচ্চারণ করা কি জায়েজ ?
(১৬:১০৬) যে ব্যক্তি ঈমান আনার পর কুফরী করে,
(তাকে যদি) বাধ্য করা হয় এবং তার অন্তর ঈমানের ওপর নিশ্চিন্ত থাকে (তাহলে তো ভালো কথা), কিন্তু যে ব্যক্তি পূর্ণ মানসিক তৃপ্তিবোধ ও নিশ্চিন্ততা সহকারে কুফরীকে গ্রহণ করে নিয়েছে তার ওপর আল্লাহর গযব আপতিত হয় এবং এ ধরনের সব লোকদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি৷
কাফেরদের বিভিন্ন অজুহাত ও যুক্তি : ইসলাম গ্রহণ করি কিভাবে ?
Cgvb I Bmjvg MÖnY bv Kivi mc‡ÿ Kv‡di‡`i wewfbœ hyw³ I ARynvZ
mg~n:
Cgvb Gi c‡_ Pj‡j Avgv‡`i ÿwZ n‡e, Avgiv aŸsm n‡q hv‡ev: G AvksKv K‡i
Kv‡di m¤úª`vq : তার সম্প্রদায়ের প্রধানরা,
যারা তার কথা মেনে নিতে অস্বীকার করেছিল, পরস্পরকে বললোঃ “যদি তোমরা শোআইবের আনুগত্য মেনে নাও,
তাহলে ধ্বংস হয়ে যাবে-7:90,
`ywbqv‡Z Kv‡diiv cybivq †diZ Avm‡Z PvB‡e mrKvR Kivi Rb¨ :
7:53,
Kv‡diMY bmxnZ Kvix‡K cQ›` K‡ibv : তোমরা তো নিজেদের হিতাকাংখীকে পসন্দই কর না৷” -7:79,
কাফিরদিগকে দুনিয়ার জীবনে দেওয়া অবকাশ :
(১৫:৩) ছেড়ে দাও এদেরকে,
খানাপিনা করুক, আমোদ ফূর্তি করুক এবং মিথ্যা প্রত্যাশা এদেরকে ভুলিয়ে রাখুক৷ শিগ্গির এরা জানতে পারবে৷৪) ইতিপূর্বে আমি যে জনবসতিই ধ্বংস করেছি তার জন্য একটি বিশেষ কর্ম-অবকাশ লেখা হয়ে গিয়েছিল ।
অবকাশ কাফিরদিগকে দেওয়া হয় কেন ?
(১৫:৪) ইতিপূর্বে আমি যে জনবসতিই ধ্বংস করেছি তার জন্য একটি বিশেষ কর্ম-অবকাশ লেখা হয়ে গিয়েছিল।৫) কোনো জাতি তার নিজের নির্ধারিত সময়ের পূর্বে যেমন ধ্বংস হতে পারে না,
তেমনি সময় এসে যাওয়ার পরে অব্যাহতিও পেতে পারে না৷
ইসলামের দাওয়াতী
কাজের একটি উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে কাফিরদের উপর প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত করে দেয়া :
বিস্তারিত দেখুন : দ > দাওয়াতী কাজ > দাওয়াতী কাজের উদ্দেশ্য সমূহ।
(৩৬-ইয়াসিন :৭০) যাতে সে প্রত্যেক জীবিত ব্যক্তিকে সতর্ক করে দিতে পারে ৫৯ এবং অস্বীকারকারীদের ওপর প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়৷
৫৯. জীবন বলতে চিন্তাশীল ও বিবেকবান মানুষ বুঝানো হয়েছে। যার অবস্থা পাথরের মতো নির্জীব ও নিষ্ক্রিয় নয়। আপনি তার সামনে যতই যুক্তি সহকারে হক ও বাতিলের পার্থক্য বর্ণনা করেন না কেন এবং যতই সহানুভূতি সহকারে তাকে উপদেশ দেন না কেন সে কিছুই শোনে না, বোঝে না এবং নিজের জায়গা থেকে একটুও নড়ে না।
কাফিরদিগকেআযাব প্রেরণ করার পূর্বে অবকাশ দেওয়া হয় কেন ?
(১৫:৩) ছেড়ে দাও এদেরকে,
খানাপিনা করুক, আমোদ ফূর্তি করুক এবং মিথ্যা প্রত্যাশা এদেরকে ভুলিয়ে রাখুক৷ শিগ্গির এরা জানতে পারবে৷ ৪) ইতিপূর্বে আমি যে জনবসতিই ধ্বংস করেছি তার জন্য একটি বিশেষ কর্ম-অবকাশ লেখা হয়ে গিয়েছিল।৫) কোনো জাতি তার নিজের নির্ধারিত সময়ের পূর্বে যেমন ধ্বংস হতে পারে না, তেমনি সময় এসে যাওয়ার পরে অব্যাহতিও পেতে পারে না৷
(এর মানে হচ্ছে , কুফরী করার সাথে সাথেই আমি কখনো কোন জাতিকে পাকড়াও করিনি । তাহলে এই নির্বোধরা কেন এ ভুল ধারণা করছে যে , নবীকে তারা যেভাবে মিথ্যা বলছে এবং ঠাট্টা-বিদ্রূপ করছে , তাতে যেহেতু এখনো তাদেরকে কোন শাস্তি দেয়া হয়নি , তাই এ নবী আসলে কোন নবীই নয় ৷ আমার নিয়ম হচ্ছে , প্রত্যেক জাতিকে শুনবার , বুঝবার ও নিজেকে শুধরে নেবার জন্য কি পরিমাণ অবকাশ দেয়া হবে এবং তার যাবতীয় দুষ্কৃতি ও অনাচার সত্বেও পূর্ণ ধৈর্য সহকারে তাকে নিজের ইচ্ছামত কাজ করার কতটুকু সুযোগ দেয়া হবে তা আমি পূর্বাহ্নেই স্থির করে নিই । যথক্ষণ এ অবকাশ থাকে এবং আমার নির্ধারিত শেষ সীমা না আসে ততক্ষণ আমি ঢিল দিতে থাকি ।)
আল্লাহ যদি লোকদের
সাথে খারাপ ব্যবহার
করার ব্যাপারে অতটাই তাড়াহুড়া
করতেন যতটা দুনিয়ার
ভালো চাওয়ার ব্যাপারে
তারা তাড়াহুড়া করে থাকে, তাহলে তাদের কাজ করার অবকাশ কবেই খতম করে দেয়া হতো (কিন্তু আমার নিয়ম এটা নয়) তাই যারা আমার সাথে সাক্ষাৎ করার আশা পোষণ করে না তাদেরকে আমি তাদের অবাধ্যতার
মধ্যে দিশেহারা হয়ে ঘুরে বেড়াবার জন্য ছেড়ে দেই ১০:১১,
তিনি তোমাদের ডাকছেন তোমাদের গুনাহ মাফ করার এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তোমাদের অবকাশ দেয়ার জন্য৷”-১৪:১০,
(ব্যাখ্যা : নির্দিষ্ট সময় মানে ব্যক্তির মৃত্যুকালও হতে পারে আবার কিয়ামতেও হতে পারে। জাতিসমূহের উত্থান ও পতনের ব্যাপারে বলা যেতে পারে,
আল্লাহর কাছে তাদের উত্থান-পতনের সময় কাল নির্দিষ্ট হওয়ার বিষয়টি তাদের গুণগত অবস্থার ওপর নির্ভরশীল। একটি ভালো জাতি যদি তাদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে বিকৃতির সৃষ্টি করে তাহলে তার কর্মের অবকাশ কমিয়ে দেয়া হয় এবং তাকে ধ্বংস করে ফেলা হয়। আর একটি ভ্রষ্ট জাতি যদি নিজেদের অসৎগুণাবলীকে শুধরে নিয়ে সৎগুণাবলীতে পরিবর্তিত করে তাহলে তার কর্মের অবকাশ বাড়িয়ে দেয়া হয়। এমনকি তা কিয়ামত পর্যন্তও দীর্ঘায়িত হতে পারে। এ বিষয়বস্তুর দিকেই সূরা রা'আদের ১১ আয়াতে ইংগিত করে। আল্লাহ বলেছেন, আল্লাহ কোন জাতির অবস্থার ততক্ষন পরিবর্তন ঘটান না যতক্ষণ না সে নিজের গুণাবলীর পরিবর্তন করে।
বিভিন্ন কাফের সম্প্রদায়কে যে সম্সত প্রদ্ধতিতে ধ্বংস করা হয়েছে :
কিন্তু তারা তাকে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করলো৷ অবশেষে আমি তাকে ও তার সাথীদেরকে একটি নৌকায় (আরোহণ করিয়ে ) রক্ষা করি এবং আমার আয়াতকে যারা মিথ্যা বলেছিল তাদেরকে ডুবিয়ে দেই৷ নিসন্দেহে তারা ছিল দৃষ্টিশক্তিহীন জনগোষ্ঠি-৭:৬৪,
অবশেষে নিজ অনুগ্রহে আমি হূদ ও তার সাথীদেরকে উদ্ধার করি এবং আমার আয়াতকে যারা মিথ্যা বলেছিল এবং যারা ঈমান আনেনি তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দেই-৭:৭২,
অবশেষে একটি প্রলয়ংকর দুর্যোগ তাদেরকে গ্রাস করলো এবং তারা নিজেদের ঘরের মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়ে রইল৭:৭৮,
কিন্তু সহসা একটি প্রলয়ংকারী বিপদ তাদেরকে পাকড়াও করে এবং তারা নিজেদের ঘরের মধ্য মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে,
যারা শোআইবকে মিথ্যা বলেছিল তারা এমনভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় যেন সেই সব গৃহে কোনদিন তার বসবাসই করতো না৷ শোআইবকে যারা মিথ্যা বলেছিল অবশেষে তারা ধ্বংস হয়ে যায়-৭:৯১-৯২,
তাই আমি তাদের থেকে বদলা নিয়েছি এবং তাদেরকে সমুদ্রে ডুবিয়ে দিয়েছি৷ কারণ তারা আমার নিদর্শনগুলোকে মিথ্যা বলেছিল এবং সেগুলোর ব্যাপারে বেপরোয়া হয়ে গিয়েছিল-৭:১৩৬,
আর ফেরাউন ও তার জাতি যা কিছু তৈরী করেছিল ও উচূ করছিল তা সব ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে-৭:১৩৭,
নূহ আ: এর জাতিকে মহাপ্লাবনের মাধ্যমে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে : ১১:৩৩-৪৩, (তারপর বলে দেয়া হলো,
জালেম সম্প্রদায় দূর হয়ে গেলো! -১১:৪৪, )
(১১:৬৭) আর যারা জুলুম করেছিল একটি বিকট আওয়াজ তাদেরকে আঘাত করলো এবং তারা নিজেদের বাড়ীঘরে এমন অসাড় ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে রইলো৷ (সালেহ আ: এর জাতি) (১১:৬৮) যেন তারা সেখানে কখনো বসবাসই করেনি৷ শোনো! সামূদ তার রবের সাথে কুফরী করলো৷ শোনো! দূরে নিক্ষেপ করা হলো সামূদকে৷
(১১:৮২) তারপর যখন আমার ফায়সালার সময় এসে গেলো,
আমি গোটা জনপদটি উল্টে দিলাম এবং তার ওপর পাকা মাটির পাথর অবিরামভাবে বর্ষণ করলাম,
৮৩) যার মধ্য থেকে প্রত্যেকটি পাথর তোমার রবের কাছে চিহ্নিত ছিল৷ আর জালেমদের থেকে এ শাস্তি মোটেই দূরে নয়৷ (লুত আ: এর জাতির ঘটনা)।
(১১:৯৪) শেষ পর্যন্ত যখন আমার ফায়সালার সময় এসে গেলো তখন আমি নিজের রহমতের সাহায্যে শো’আয়েব ও তার সাথী মুমিনদের উদ্ধার করলাম৷ আর যারা জুলুম করেছিল একটি প্রচণ্ড আওয়াজ তাদেরকে এমনভাবে পাকড়াও করলো যে,
নিজেদের আবাসভূমিতেই তারা নির্জীব নিস্পন্দের মতো পড়ে লইলো, ৯৫) যেন তারা সেখানে কোনদিন বসবাসই করতো না৷ শোন,
মাদয়ানবাসীরাও দূরে নিক্ষিপ্ত হয়েছে যেমন সামূদ নিক্ষিপ্ত হয়েছিল৷
কাফেরদের দুনিয়াতে পরিণাম :
Avjøvn Kv‡di‡`i wkKo †K‡U
†`‡eb : 8:7,
Zv‡`i weiæ‡× gyÕwgb‡`i
Øviv wRnv` cwiPvjbv Kivi gva¨‡g,
gyÕwgb‡`i‡K wRnv‡` ‡d‡ikZv Øviv Ges Ab¨vb¨ c×wZ‡Z mnvqZv Kivi gva¨‡g, wRnv‡`
Kv‡diiv civwRZ n‡e Gi gva¨‡g : 8:9-14,
Kv‡di‡`i g‡b AvZ¼ m„wói K‡i †`‡eb : 8:12,
Kv‡di‡`i †KŠkj¸‡jv Avjøvn `ye©j K‡i †`‡eb:8:17,
‡Zvgiv Avjøvn‡K Aÿg I kw³ nxb Ki‡Z cvi‡e bv Avi mZ¨
A¯^xKviKvix‡`i‡K Avjøvn Aek¨B jvwÃZ Ki‡eb : 9:2-3,
Kv‡di‡`i‡K KwVb Avhv‡ei mymsev` `vI: 9:3,
তারপর বলে দেয়া হলো, জালেম সম্প্রদায় দূর হয়ে গেলো! -১১:৪৪,
কাফেরদের আখিরাতে শাস্তি ও পরিণাম :
কিয়ামতের দিন আল্লাহ যাদেরকে ভুলে যাবেন : যারা দ্বীনকে খেলা কৌতুক বানায় :
যারা দ্বীনকে খেলা কৌতুক বানায়-৭:৫১,
কাফিরদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি :
১৩. অর্থাৎ আল্লাহর কিতাব এবং তার রসূলের এ দাওয়াত মেনে নিতে অস্বীকার করবে।
কাফিরদের পুরস্কার হলো জাহান্নাম :
(১৮:১০৬) যে কুফরী তারা করেছে তার প্রতিফল স্বরূপ এবং আমার নিদর্শনাবলী ও রসূলদের সাথে যে বিদ্রূপ তারা করতো তার প্রতিফল হিসেবে তাদের প্রতিদান জাহান্নাম৷
(৩৬-ইয়াসিন :৬৩) এটা সে জাহান্নাম,
যার ভয় তোমাদের দেখানো হতো৷ ৬৪) দুনিয়ায় যে কুফরী তোমরা করতে থেকেছো তার ফলস্বরূপ আজ এর ইন্ধন হও৷
কাফিরদের পরকালীন অনুশোচনা :
(১৫:২) এমন এক সময় আসা বিচিত্র নয় যখন আজ যারা (ইসলামের দাওয়াত গ্রহণ করতে) অস্বীকার করছে, তারা অনুশোচনা করে বলবে, হায়, যদি আমরা আনুগত্যের শির নত করে দিতাম !
পরকালে কাফিররা ঈমান আনতে চাইবে :
৭৩. অর্থ হচ্ছে,
এমন শিক্ষার প্রতি ঈমান আনলাম যা রসূল দুনিয়ায় পেশ করেছিলেন।
আল্লাহর পক্ষ থেকে এর জবাব :
৭৪. অর্থাৎ ঈমান আনার জায়গা ছিল দুনিয়া। সেখান থেকে এখন তারা বহুদুরে চলে এসেছে। আখেরাতের জগতে পৌঁছে যাবার পর এখন আর তাওবা করা ও ঈমান আনার সুযোগ কোথায় পাওয়া যেতে পারে। বিস্তারিত দেখুন
: প
> কাফির ও পরকাল
কাফেররা ইসলামের বিরুদ্ধে যেসব কথা তৈরী করে সেগুলো তাদের আন্দাজ ও অনুমান নির্ভর কথাবার্তা :
৭৫. অর্থাৎ রসূল,
রসূলের শিক্ষা এবং ঈমানদারদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপবাদ দিত, বিদ্রুপাত্মক শব্দ উচ্চারণ করত ও ধ্বনি দিত। কখন বলত, এ ব্যক্তি যাদুকর, কখন বলত পাগল। কখন তাওহীদ নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত আবর কখন আখেরাতের ধারণাকে উপহাস করতো। কখনো এই মর্মে গল্প তৈরী করতো যে, রসূলকে অন্য কেউ পড়িয়ে ও শিখিয়ে দেয় আবার কখন মুমিনদের ব্যাপারে বলত, এরা শুধুমাত্র নিজেদের অজ্ঞতার কারনে রসূলের অনুসারী হয়েছে।
কাফেররা তাদের নিজস্ব বিশ্বাসের ব্যাপারে সন্দেহে নিপতিত থাকে, নিশ্চিত জ্ঞান ও বিশ্বাস তাদের নেই :
(৩৪-সাবা: ৫৪) সে সময় তারা যে জিনিসের আকাংখা করতে থাকবে তা থেকে তাদেরকে বঞ্চিত করে দেয়া হবে যেমনটি তাদের পূর্বসূরী সমপস্থীরা বঞ্চিত হয়েছিল৷ তারা বড়ই বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে পতিত ছিল৷৭৬
৭৬. আসলে শিরক,
নাস্তিক্যবাদ ও আখেরাত অস্বীকার করা বিশ্বাস কোন ব্যক্তি নিশ্চয়তার ভিত্তিতে গ্রহণ করে না এবং করতে পারে না। কারণ নিশ্চয়তা একমাত্র সঠিক জ্ঞান জানার ভিত্তিতেই অর্জিত হতে পারে। আর আল্লাহ নেই অথবা বহু আল্লাহ আছে কিংবা বহু সত্তা আল্লাহর সার্বভৌম কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার অধিকারী অথবা পরকাল হওয়া উচিত নয় ইত্যাকার বিষয়গুলো সম্পর্কে কোন ব্যক্তিরই সঠিক জ্ঞান নেই। কাজেই যে ব্যক্তিই দুনিয়ায় এ আকীদা বিশ্বাস অবলম্বন করেছে সে নিছক আন্দাজ অনুমান ও ধারণার ভিত্তিতে একটি ইমারত নির্মাণ করেছে। এ
ইমারতের মুল ভিত্তি সন্দেহ সংশয় ছাড়া আর কিছু নয়। আর এ সন্দেহ তাকে নিয়ে গেছে ঘোরতর বিভ্রান্তি ও ভ্রষ্টতার দিকে। আল্লাহর অস্তিত্বে সে সন্দিহান হয়েছে।
তাওহীদের অস্তিত্বে সন্দিহান হয়েছে। আখেরাতের আগমনে সন্দেহ পোষণ করেছে। এমনকি এ
সন্দেহকে সে নিশ্চিত বিশ্বাসের মত মনের মধ্যে বদ্ধমূল করে নবীদের কোন কথা মানেনি এবং নিজের জীবনের সমগ্র কর্মকালকে একটি ভুল পথে ব্যয় করে দিয়েছে।
বাছাইকৃত / মুখলেস বান্দা হওয়া সম্পর্কে কাফেররা যা কিছু বলত :
(৩৭- আস সফ্ফাত :১৬৭) তারা তো আগে বলে বেড়াতো ১৬৮) হায়! পূর্ববর্তী জাতিরা যে “যিকির”
লাভ করেছিল তা যদি আমাদের কাছে থাকতো ১৬৯) তাহলে আমরা হতাম আল্লাহর নির্বাচিত বান্দা৷ ৯২ ১৭০) কিন্তু (যখন সে এসে গেছে) তখন তারা তাকে অস্বীকার করেছে৷ এখন শিগ্গির তারা
(তাদের এ নীতির ফল) জানতে পারবে৷
৯২. একই বিষয়বস্তু সূরা ফাতিরের ৪২ আয়াতে আলোচিত হয়েছে।
যেখানে ঈমান থাকবে সেখানে শোকরও থাকবে : যেখানে কুফরী থাকবে সেখানে শোকরও থাকবে না :
২১ . এখানে ' কুফর ' এর বিপরীতে ' ঈমান ' শব্দ ব্যবহার না করে 'শোকর ' শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এতে আপনা থেকেই এ বিষয়ের ইংগিত পাওয়া যায় যে , কুফরী প্রকৃতপক্ষে অকৃতজ্ঞতা ও নেমক হারামির নাম আর ঈমান প্রকৃতপক্ষে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অনিবার্য দাবী । যে ব্যক্তির মধ্যে আল্লাহর দয়া ও মেহেরবানীর সামান্য অনুভূতিও আছে সে ঈমান ছাড়া অন্য কোন পথ গ্রহণ করতে পারে না। এ কারণে ' শোকর ' ও ' ঈমান ' এমন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে যে , যেখানে শোকর থাকবে সেখানে ঈমানও অবশ্যই থাকবে। অপর দিকে যেখানে কুফরী থাকবে সেখানে শোকর বা কৃতজ্ঞতা থাকার কোন প্রশ্নই ওঠে না। কারণ কুফরীর সাথে " শোকরের " কোন অর্থ হয় না।===============================
প্রশ্ন ৩১: এশার সালাতের আগে সুন্নত কত রাকাত জানতে চাই
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন