কষ্ট :
(১৭:৫৬) এদেরকে বলো,
ডাক দিয়ে দেখো তোমাদের সেই মাবুদদেরকে, যাদেরকে তোমরা আল্লাহ
ছাড়া (নিজেদের কার্যোদ্ধারকারী) মনে করো, তারা তোমাদের কোনো কষ্ট দূর
করতে পারবে না এবং তা পরিবর্তন করতেও পারবে
না৷
মুনাফিকেরা নিজেদের কথার দ্বারা রাসুলকে কষ্ট দেয় : ৯:৬১ (তারা বলেছে : এ ব্যক্তি তো অতিশয় কান কথা
শোনে),
কষ্টে পতিত হওয়া :
৩:১৬৫, ৬:৪০, ৪২, ৪৩
মুহাম্মদ সা: কে কষ্ট দেওয়া হারাম :
মুমিনদেরকে কষ্ট দেওয়া :
(৩৩-আহযাব:৫৮) আর যারা মু’মিন পুরুষ ও মহিলাদেরেক কোন অপরাধ ছাড়াই কষ্ট দেয় তারা একটি বড় অপবাদ১০৯ ও সুষ্পষ্ট গোনাহের বোঝা নিজেদের ঘাড়ে চাপিয়ে নিয়েছে৷
১০৯. এ আয়াতটি অপবাদের সংজ্ঞা নিরূপণ করে। অর্থাৎ মানুষের মধ্যে যে দোষ নেই অথবা যে অপরাধ মানুষ করেনি তা তার ওপর আরোপ করা। নবী ﷺ
ও এটি সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন। আবু দাউদ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হয়, গীবত কি? জবাবে বলেনঃ ذكرك اخاك بما يكره“তোমার নিজের ভাইয়ের আলোচনা এমনভাবে কর যা সে অপছন্দ করে।” জিজ্ঞেস করা হয়, যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে সেই দোষ সত্যিই থেকে থাকে? জবাব দেনঃ
ان كان فيه ما تقول فقد اغتبته وان لم يكن
فيه ماتقوم فقد بهته
“তুমি যে দোষের কথা
বলছো তা যদি তার মধ্যে থাকে তাহলে তুমি তার গীবত করলে আর যদি তা তার মধ্যে না
থাকে তাহলে তার ওপর অপবাদ দিলে।”
এ কাজটি কেবলমাত্র একটি নৈতিক গোনাহই নয়, আখেরাতে যার শাস্তি পাওয়া যাবে বরং এ আয়াতের দাবী হচ্ছে
ইসলামী রাষ্ট্রের আইনেও মিথ্যা অপবাদ দান করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ গণ্য করতে হবে।
(৩৩-আহযাব:৫৯) হে নবী! তোমার স্ত্রীদের, কন্যাদের ও মু’মিনদের নারীদেরকে বলে
দাও তারা যেন তাদের চাদরের প্রান্ত তাদের ওপর টেনে নেয়৷১১০ এটি অধিকতর উপযোগী পদ্ধতি, যাতে তাদেরকে চিনে নেয়া যায় এবং কষ্ট না দেয়া হয়৷ আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়৷
(৩৭- আস সফ্ফাত :১১৪) আমি অনুগ্রহ করেছি মূসা ও হারূনের প্রতি৷১১৫) তাদের উভয়কে ও তাদের জাতিকে
উদ্ধার করেছি মহাক্লেশ থেকে৷ ৬৯
৬৯. অর্থাৎ ফেরাউন ও
তার জাতি তাদেরকে যে ভয়াবহ বিপদের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল তা
থেকে।
শয়তান মানুষকে কি ধরণের কষ্টে ফেলতে পারে ?
(৩৮-সোয়াদ:৪১.) আর স্মরণ করো আমার বান্দা আইয়ূবের কথা৪১ যখন সে তাঁর রবকে ডাকলো এই বলে যে, শয়তান আমাকে কঠিন যন্ত্রণা ও কষ্টের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।৪২
টিকা: ৪২) এর অর্থ এ নয় যে, শয়তান আমাকে রোগগ্রন্ত করে দিয়েছে এবং আমাকে বিপদের মধ্যে ফেলে দিয়েছে বরং এর সঠিক অর্থ হচ্ছে, রোগের প্রচণ্ডতা, ধন-সম্পদের বিনাশ এবং আত্মীয়-স্বজনদের মুখ ফিরিয়ে নেবার কারণে আমি যে কষ্ট ও যন্ত্রণার মধ্যে নিক্ষিপ্ত হয়েছি তার চেয়ে বড় কষ্ট ও যন্ত্রণা আমার জন্য এই যে, শয়তান তার প্ররোচনার মাধ্যমে আমাকে বিপদগ্রস্ত করছে। এ অবস্থায় সে আমাকে আমার রব থেকে হতাশ করার চেষ্টা করে, আমাকে আমার রবের প্রতি অকৃতজ্ঞ করতে চায় এবং আমি যাতে অধৈর্য হয়ে উঠি সে প্রচেষ্টায় রত থাকে। হযরত আইয়ূবের ফরিয়াদের এ অর্থটি দু’টি কারণে আমাদের কাছে প্রাধান্য লাভের যোগ্য। এক, কুরআন মজীদের দৃষ্টিতে আল্লাহ শয়তানকে কেবলমাত্র প্ররোচণা দেবার ক্ষমতাই দিয়েছেন। আল্লাহর বন্দেগীকারীদেরকে রোগগ্রস্ত করে এবং তাদেরকে শারীরিক যন্ত্রণা দিয়ে বন্দেগীর পথ থেকে সরে যেতে বাধ্য করার ক্ষমতা তাদেরকে দেননি। দুই, সূরা আম্বিয়ায় যেখানে হযরত আইয়ূব আল্লাহর কাছে তাঁর রোগের ব্যাপারে অভিযোগ পেশ করছেন সেখানে তিনি শয়তানের কোন কথা বলেন না। বরং তিনি কেবল বলেন,
أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنْتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
“আমি রোগগ্রস্ত হয়ে পড়েছি এবং তুমি পরম করুণাময়।”
(আরো দেখুন : শ > শয়তান > মানুষকে বিপথে নেবার
ক্ষমতা শয়তানকে দেয়া হয়নি )
=========================================
প্রশ্ন ৩৯ : রাসুল সা: কি নূরের তৈরী ?
=========================================
প্রশ্ন ৩৯ : রাসুল সা: কি নূরের তৈরী ?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন