কর্ম / কাজ / কৃতকর্ম
/ কার্যকলাপ :
কা্রয সম্পাদনের জন্য আল্লাহই
যথেষ্ট : ৪:১৩২,
(১১:১১১) আর একথাও সত্যি
যে, তোমার রব তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের পুরোপুরি বদলা দিয়েই তবে ক্ষান্ত হবেন৷ অবশ্যি তিনি তাদের সবার কার্যকলাপের খবর রাখেন৷
(১১:১২৩) যাকিছু তোমরা করছো তা থেকে তোমার রব গাফেল নন৷
বাজে কাজ / বাজে কথা থেকে দুরে থাকা :
(মু’মিনুন:১) নিশ্চিতভাবে সফলকাম হয়েছে মু’মিনরা ....(৩) যারাঃ বাজে কাজ থেকে
দূরে থাকে,
''যখন এমন কোন জায়গা দিয়ে তারা চলে যেখানে বাজে কথা
হতে থাকে অথবা বাজে কাজের মহড়া চলে তখন তারা ভদ্রভাবে সে জায়গা অতিক্রম করে চলে যায়।''
(আল ফুরকান, ৭২ আয়াত)
কর্ম সহজ করে দেওয়ার জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া :
(২০:২৭) (হে আল্লাহ) আমার কাজ আমার জন্য সহজ করে দাও।
কর্ম সঠিক করে নেওয়া :
(৩৩-আহযাব: ৭০) হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বলো৷৭১) আল্লাহ তোমাদের কার্যকলাপ ঠিকঠাক করে দেবেন এবং
তোমাদের অপরাধসমূহ মাফ করে দেবেন৷ যে ব্যক্তি
আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে সে বড় সাফল্য অর্জন করে৷
কর্মের অবকাশ, সৎকর্মে / সৎপথে ফিরে আসার জন্য অবকাশ :
(৩৫-ফাতির:৪৫) যদি কখনো তিনি লোকদেরকে তাদের কৃতকর্মের জন্য পাকড়াও করতেন তাহলে পৃথিবীতে
কোন প্রাণসত্তাকে জীবিত ছাড়তেন না কিন্তু একটি নির্ধারিত
সময় পর্যন্ত তিনি তাদেরকে অবকাশ দিচ্ছেন৷ তারপর
যখন তাদের সময় পুরা হয়ে যাবে তখন আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে দেখে নেবেন৷
বিস্তারিত দেখুন : অবকাশ
কৃতকর্মের বদৌলতে জান্নাত লাভ করা :
(১৬:৩২) এমন মুত্তাকীদেরকে, যাদের পবিত্র থাকা অবস্থায় ফেরেশতারা যখন মৃত্যু
ঘটায় তখন বলে, “তোমাদের প্রতি শান্তি, যাও নিজেদের কর্মকাণ্ডের বদৌলতে জান্নাতে প্রবেশ করো৷”
(১৬:৯৬) ..... তাদের প্রতিদান তাদের সর্বোত্তম কাজ অনুযায়ী দেবো৷
সবাই কর্ম অনুযায়ীই ফলাফল লাভ করবে :
(৩৬-ইয়াসিন :৫৪) আজ কারো প্রতি তিলমাত্র জুলুম করা হবে না এবং যেমন কাজ তোমরা করে এসেছ ঠিক তারই প্রতিদান তোমাদের দেয়া হবে ।
আরো দেখুন : ক > কর্ম ফল।
কৃতকর্মের ফলাফল সবাই নিজের চোখে দেখতে পাবে
:
নিজ নিজ কৃতকর্ম সমূহ যা ভালো কাজ বা মন্দ কাজ যা মানুষ করেছে সেদিন মানুষ নিজর চোখে দেখতে পাবে
:
৩:৩০, ৬:১০৮
(১৮:২৮) এমন কোনো লোকের আনুগত্য করো না যার অন্তরকে আমি আমার
স্মরণ থেকে গাফেল করে দিয়েছি, যে নিজের প্রবৃত্তির কামনা বাসনার অনুসরণ করেছে এবং
যার কর্মপদ্ধতি কখনো উগ্র, কখনো উদাসীন৷
তোমাদের কাজ তোমরা করে যাও, আর আমাদের কাজ আমরা করে যাই
(১৭:৮৪) হে নবী! এদেরকে বলে দাও, “প্রত্যেকে নিজ নিজ পথে কাজ করছে, এখন একমাত্র তোমাদের রবই ভালো জানেন কে আছে সরল সঠিক পথে৷”
আল্লাহ তার বান্দাদের সমস্ত কার্যকলাপ দেখছেন :
হে নবী! তুমি যে অবস্থায়ই থাকো এবং কুরআন থেকে যা কিছুই শুনাতে থাকো৷ আর হে লোকরা ,তোমরাও যা কিছু করো সে সবের মধ্যে আমি তোমাদের দেখতে থাকি৷-১০:৬১,
কর্ম সম্বন্ধে অবশ্যিই জিজ্ঞাসা করা হবে :
(১৫:৯২) তোমার রবের কসম, আমি অবশ্যি তাদের সবাইকে জিজ্ঞেস করবো, ৯৩) তোমরা কি কাজে নিয়োজিত ছিলে ?
আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে কর্মসম্পাদনকারী বানানো :
(১৮:১০২) তাহলে কি যারা কুফরী অবলম্বন
করেছে তারা একথা মনে করে যে, আমাকে বাদ দিয়ে আমার বান্দাদেরকে নিজেদের কর্মসম্পাদনকারী
হিসেবে গ্রহণ করে নেবে ? এ ধরনের কাফেরদের আপ্যায়নের
জন্য আমি জাহান্নাম তৈরি করে রেখেছি৷
কথা ও কাজের গড়মিল :
বিস্তারিত ব্যখ্যার জন্য দেখুন
:
ক > কথা > কথা ও কাজের গড়মিল।
কর্ম ব্যর্থ কাদের ?
যারা পরকালকে অস্বীকার করে তাদের কর্ম নষ্ট হয়ে গেছে :
(১৮:১০৫) এরা এমন সব লোক যারা নিজেদের রবের
নিদর্শনাবলী মেনে নিতে অস্বীকার করেছে এবং তাঁর সামনে হাযির হবার ব্যাপারটি বিশ্বাস করেনি৷ তাই তাদের সমস্ত কর্ম নষ্ট
হয়ে গেছে, কিয়ামতের দিন তাদেরকে কোনো
গুরুত্ব দেবো না৷
যারা অসৎ পথে থেকেও মনে করে সৎপথে আছে :
(১৮:১০৩) হে মুহাম্মাদ! এদেরকে
বলো, আমি কি তোমাদের বলবো নিজেদের কর্মের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত কারা ? ১০৪) তারাই, যাদের দুনিয়ার জীবনের সমস্ত
প্রচেষ্টা ও সংগ্রাম সবসময় সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত থাকতো এবং যারা মনে করতো যে, তারা সবকিছু সঠিক করে যাচ্ছে৷
যাদের মন্দ কর্ম সমূহ তাদের দৃষ্টিতে সুশোভিত ও সুদৃশ্য করে দেয়া হয়েছে :
৬:১০৮, ১২৩,
সীমা অতিক্রমকারীদের জন্য তাদের কার্যক্রমকে তাদের দৃষ্টিতে সুশোভন করে দেয়া হয়েছে - ১০:১২,
আসলে যারা সত্যের দাওয়াত মেনে নিতে অস্বীকার করেছে
তাদের জন্য তাদের প্রতারণাসমূহকে সুসজ্জিত করে দেয়া হয়েছে এবং
তাদেরকে সত্য-সঠিক পথ থেকে নিবৃত্ত করা
হয়েছে৷ তারপর আল্লাহ যাকে গোমরাহীতে লিপ্ত করেন তাকে পথ দেখাবার কেউ নেই৷-১৩:৩৩,
(১৮:৪৪) তখন জানা গেলো, কর্মসম্পাদনের ক্ষমতা
একমাত্র আল্লাহর হাতে ন্যস্ত, যিনি সত্য৷ আর পুরষ্কার সেটাই ভালো, যা তিনি দান করেন এবং পরিণতি সেটাই শ্রেয়, যা তিনি দেখান৷
(২৭.নামল:৪) আসলে যারা আখেরাত বিশ্বাস করে না তাদের
জন্য আমি তাদের কৃতকর্মকে সুদৃশ্য করে দিয়েছি, ফলে তারা দিশেহারা হয়ে ঘুরে বেড়ায়৷৫) এদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্ট শাস্তি এবং আখেরাতে এরাই হবে সবচেয়ে বেশী
ক্ষতিগ্রস্ত৷
(অর্থাৎ এটি আল্লাহর প্রাকৃতিক নিয়ম আর মানবিক মনস্তত্বের স্বাভাবিক
যুক্তিবাদিতাও একথাই বলে যে, যখন মানুষ জীবন এবং তার কর্ম ও প্রচেষ্টার ফলাফলকে কেবলমাত্র এ দুনিয়া পর্যন্ত সীমাবদ্ধ মনে করবে ,
যখন সে এমন কোন আদালত স্বীকার
করবে না যেখানে মানুষের সারা জীবনের সমস্ত কাজ
যাচাই-পর্যালোচনা করে তার দোষ-গুণের শেষ ও চূড়ান্ত ফায়সালা করা হবে, এবং যখন সে মৃত্যুর পরে এমন
কোন জীবনের কথা স্বীকার করবে না
যেখানে দুনিয়ার জীবনের
কর্মকাণ্ডের প্রকৃত মূল্য ও মর্যাদা অনুযায়ী যথাযথ পুরষ্কার ও শাস্তি দেয়া হবে তখন অনিবার্যভাবে তার মধ্যে একটি বস্তুবাদী দৃষ্টিভংগী
বিকাশ লাভ করবে। তার কাছে সত্য ও মিথ্যা, শির্ক ও তাওহীদ, পাপ ও পুণ্য এবং সচ্চরিত্র ও
অসচ্চরিত্রের যাবতীয় আলোচনা
একেবারেই অর্থহীন মনে হবে। এ দুনিয়ায় যা কিছু তাকে ভোগ, আয়েশ-আরাম , বস্তুগত উন্নতি, সমৃদ্ধি এবং শক্তি ও কর্তৃত্ব দান করবে,
তা কোন জীবন দর্শন, জীবন পদ্ধতি ও নৈতিক ব্যবস্থা
হোক না কেন, তার কাছে তাই হবে কল্যাণকর । প্রকৃত তত্ত্ব ও সত্যের
ব্যাপারে তার কোন মাথাব্যাথা থাকবে না। তার মৌল আকাংখা হবে কেবলমাত্র দুনিয়ার জীবনের সৌন্দর্য ও সাফল্য । এগুলো অর্জন করার চিন্তা তাকে সকল
পথে বিপথে টেনে নিয়ে যাবে। এ উদ্দেশ্যে সে যা কিছুই করবে তাকে নিজের দৃষ্টিতে মনে করবে বড়ই কল্যাণকর এবং যারা এ ধরনের বৈষয়িক স্বার্থোদ্ধারে ডুব দেয়নি এবং চারিত্রিক সততা ও অসততা থেকে বেপরোয়া হয়ে স্বেচ্ছাচারীর মত কাজ করে যেতে পারেনি তাদেরকে সে নির্বোধ মনে করবে।
কারো অসৎকার্যাবলীকে তার জন্য শোভন বানিয়ে এ কাজকে কুরআন মজীদে কখনো আল্লাহর
কাজ আবার কখনো শয়তানের কাজ বলা হয়েছে। যখন বলা হয় যে, অসৎকাজগুলোকে আল্লাহ শোভন করে দেন তখন তার অর্থ হয়, যে ব্যক্তি এ দৃষ্টিভংগী অবলম্বন করে তার কাছে স্বভাবতই জীবনের এ সমতল পথই সুদৃশ্য অনুভূত হতে থাকে। আর যখন বলা হয় যে, শয়তান ওগুলোকে সুদৃশ্য করে দেয়। তখন এর অর্থ হয়, এ চিন্তা ও কর্মপদ্ধতি
অবলম্বনকারী ব্যক্তির সামনে শয়তান সবসময় একটি কাল্পনিক জান্নাত পেশ করতে থাকে এবং তাকে
এই বলে ভালোভাবে আশ্বাস দিতে থাকে, শাবাশ! বেটা খুব চমৎকার কাজ করছ।
আর এধরণের লোকদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্ট শাস্তি আর এ নিকৃষ্ট শাস্তিটি
কিভাবে , কখন ও কোথায় হবে । তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। কারণ এ দুনিয়া ও বিভিন্ন ব্যক্তি, দল ও জাতি নানাভাবে এ
শাস্তি লাভ করে থাকে। এ দুনিয়া থেকে বিদায় নেবার সময় একেবারে মৃত্যুর দ্বারদেশেও জালেমরা এর একটি অংশ লাভ করে। মৃত্যুর পরে "আলমে বরযখে" ও (মৃত্যুর পর থেকে কিয়ামত পূর্ববর্তী
সময়) মানুষ এর মুখোমুখি হয়। আর তারপর হাশরের ময়দানে এর একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে এবং তারপর এক জায়গায় গিয়ে তা আর কোনদিন শেষ হবে না।)
যারা আল্লাহর নিদর্শনাবলী মানে না এবং আখিরাতকে অস্বীকার করে :
(১৮:১০৫) এরা এমন সব লোক যারা নিজেদের রবের
নিদর্শনাবলী মেনে নিতে অস্বীকার করেছে এবং তাঁর সামনে হাযির হবার ব্যাপারটি বিশ্বাস করেনি৷ তাই তাদের সমস্ত কর্ম নষ্ট
হয়ে গেছে, কিয়ামতের দিন তাদেরকে কোনো
গুরুত্ব দেবো না৷
যারা শুধুমাত্র দুনিয়ার জীবন কামনা করে :
(১১:১৫) যারা শুধুমাত্র এ
দুনিয়ার জীবন এবং এর শোভা-সৌন্দর্য কামনা করে তাদের কৃতকর্মের সমুদয় ফল আমি এখানেই তাদেরকে দিয়ে দেই এবং এ ব্যাপারে তাদেরকে কম দেয়া হয় না৷ (১১: ১৬) কিন্তু এ ধরনের লোকদের
জন্য আখেরাতে আগুন ছাড়া আর কিছুই নেই৷ (সেখানে তারা জানতে পারবে) যা
কিছু তারা দুনিয়ায় বানিয়েছে সব বরবাদ হয়ে গেছে
এবং এখন তাদের সমস্ত কৃতকর্ম ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে৷
(১৪:১৫) তারা ফায়সালা
চেয়েছিল (ফলে এভাবে তাদের ফায়সালা হলো) এবং প্রত্যেক উদ্ধত সত্যের দুশমন ব্যর্থ মনোরথ হলো৷
(১৪:১৮) যারা তাদের রবের সাথে কুফরী করলো তাদের
কার্যক্রমের উপমা হচ্ছে এমন ছাই-এর মতো, যাকে একটি ঝনঝাক্ষুব্ধ দিনের
প্রবল বাতাস উড়িয়ে দিয়েছে৷ তারা নিজেদের কৃতকর্মের কোনই ফল লাভ করতে পারবে না৷ ২৫ এটিই চরম বিভ্রান্তি৷
যেসব মৌখিক ঈমানের দাবীদাররা নামাজ রোজা ইত্যাদি করা সত্যেও ইসলাম ও কুফরীর যুদ্ধে ইসলামের পক্ষ নিয়ে জিহাদে অংশগ্রহণ করে না, বরং মুনাফিকদের ন্যায় যুদ্ধ থেকে দুরে সরে থাকে ও প্রাণ ভয়ে যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে পলায়ন করে :
(৩৩-আহযাব: ১৯) ……তারা কখনো ঈমান আনেনি, তাই আল্লাহ তাদের সমস্ত
কর্মকাণ্ড ধ্বংস করে দিয়েছেন ৩২ এবং এমনটি করা আল্লাহর জন্য অত্যন্ত সহজ৷৩৩
৩২. অর্থাৎ ইসলাম গ্রহণ করার পর তারা যেসব নামায পড়েছে, রোযা রেখেছে, যাকাত দিয়েছে এবং বাহ্যত যেসব
সৎকাজ করেছে সবকিছুকে মহান আল্লাহ নাকচ করে দেবেন এবং সেগুলোর কোন প্রতিদান তাদেরকে
দেবেন না। কারণ আল্লাহর দরবারে কাজের বাহ্যিক চেহারার ভিত্তিতে ফায়সালা করা হয় না বরং এ বাহ্য চেহারার গভীরতম প্রদেশে বিশ্বাস ও আন্তরিকতা আছে কিনা তার ভিত্তিতে
ফায়সালা করা হয়। যখন এ জিনিস আদতে তাদের মধ্যে নেই তখন এ লোক দেখানো কাজ একেবারেই অর্থহীন। এখানে এ বিষয়টি গভীরভাবে প্রণিধানযোগ্য যে, যেসব লোক আল্লাহ ও রসূলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল, নামায পড়ছিল, রোযা রাখছিল, যাকাতও দিচ্ছিল এবং মুসলমানদের সাথে তাদের অন্যান্য সৎকাজে শামিলও হচ্ছিল, তাদের সম্পর্কে পরিষ্কার
ফায়সালা শুনিয়ে দেয়া হলো যে, তারা আদতে ঈমানই আনেনি। আর এ ফায়সালা কেবলমাত্র এরি
ভিত্তিতে করা হলো যে, কুফর ও ইসলামের দ্বন্দে যখন কঠিন পরীক্ষার সময় এলো তখন তারা দোমনা হবার প্রমাণ দিল, দীনের স্বার্থের ওপর নিজের
স্বার্থের প্রার্ধন্য প্রতিষ্ঠিত করলো এবং ইসলামের হেফাজতের জন্য নিজের প্রাণ, ধন-সম্পদ ও শ্রম নিয়োজিত করতে
অস্বীকৃতি জানালো। এ থেকে জানা গেলো, ফায়সালার আসল ভিত্তি এসব বাহ্যিক কাজ-কর্ম নয়। বরং মানুষের বিশ্বস্ততা কার সাথে সম্পর্কিত তারি ভিত্তিতে এর ফায়সালা সূচিত হয়। যেখানে আল্লাহ ও তাঁর দীনের প্রতি বিশ্বস্ততা নেই সেখানে ঈমানের স্বীকৃতি এবং ইবাদাত ও অন্যান্য সৎকাজের
কোন মূল্য নেই।
৩৩. অর্থাৎ তাদের কার্যাবলীর কোন গুরুত্ব ও মূল্য নেই। ফলে সেগুলো নষ্ট করে দেয়া
আল্লাহর কাছে মোটেই কষ্টকর হবে না। তাছাড়া তারা এমন কোন শক্তিই
রাখে না যার ফলে তাদের কার্যাবলী ধ্বংস করে দেয়া তার জন্য কঠিন হতে পারে।
(বিস্তারিত ব্যাখ্যার জন্য
দেখুন : ম > মুনাফিক ও জিহাদ। য > যুদ্ধ > আহযাব এর যুদ্ধ। )
===============================
প্রশ্ন ৩৫ : বুখারী শরীফ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন