খারাপ কাজ :
(৩৯-যুমার:১৩) বলো, আমি যদি আমার রবের অবাধ্য হই তাহলে আমার একটি ভয়ানক দিনের ভয় আছে৷
খারপ কাজকে শোভনীয় করে দেওয়া হয়েছে যাদের জন্য :
যারা কুফরীর উপর কুফরী করে হালাল কে
হারাম বানায় আবার হারাম কে হালাল বানায় : ৯:৩৭ ।
অসৎ পথ
যদি তোমরা অসৎ পথে চল / আল্লাহর ইবাদত না করো, তাতে আল্লাহর কোন ক্ষতি হবে না :
টিকা: ১৯) অর্থাৎ তোমাদের কুফরীর কারণে তাঁর প্রভুত্বের সামান্যতম ক্ষতিও হতে পারে না। তোমরা মানলেও তিনি আল্লাহ, না মানলেও তিনি আল্লাহ আছেন এবং থাকবেন। তাঁর নিজের ক্ষমতায়ই তাঁর কর্তৃত্ব চলছে। তোমাদের মানা বা না মানাতে কিছু এসে যায় না। হাদীসে নবী ﷺ
বলেছেন যে, আল্লাহ বলেনঃ
يَا عِبَادِى لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ
وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَفْجَرِ قَلْبِ رَجُلٍ مِنْكُمْ مَا
نَقَصَ مِنْ مُلْكِى شَيْئًا-
“হে আমার বান্দারা, যদি তোমরা আগের ও পরের সমস্ত মানুষ ও জিন তোমাদের মধ্যকার কোন সর্বাধিক পাপিষ্ঠ ব্যক্তির মত হয়ে যাও তাতেও আমার বাদশাহীর কোন ক্ষতি হবে না।” (মুসলিম)।
অসৎ পথ / অসৎ কাজ / অপরাধ :
আরো দেখুন : ব > বাজে কথা, বাজে কাজ ।
রিয়াদুস সালেহীন : আত্মসমালোচনা অধ্যায় ::
বই ১ :: হাদিস ৬১
হযরত আবু যার ও মুয়ায ইবনে জাবাল (রা) বর্ণনা করেনঃ রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেছেনঃ ‘তুমি যেখানেই থাকো, আল্লাহকে ভয় করে
চলো এবং মন্দ কাজ করে বসলে সঙ্গে সঙ্গে ভালো কাজ করো। তাহলে ভালো কাজ মন্দ কাজকে মুছে ফেলবে আর মানুষের সাথে সদাচারণ করো।’
(তিরমিযী)
ইমাম তিরমিযী এই হাদীসটি বর্ণনা প্রসঙ্গে একে ‘হাসান হাদীস’ রূপে অভিহিত করেছেন।
(মু’মিনুন:১) নিশ্চিতভাবে সফলকাম হয়েছে মু’মিনরা (৩) যারাঃ বাজে কাজ থেকে দূরে থাকে।
(৩০-রূম: ১০) শেষ পর্যন্ত যারা অসৎকাজ করেছিল তাদের পরিণাম
হয়েছিল বড়ই অশুভ, কারণ তারা আল্লাহর আয়াতকে মিথ্যা বলেছিল এবং তারা
সেগুলোকে বিদ্রুপ করতো৷
অসৎ কাজের পন্থাগুলো এবং পথভ্রষ্টতা প্রাচীন কাল থেকে নিয়ে বর্তমান কাল পর্যন্ত একই রয়েছে :
(মু’মিনুন:৮১) কিন্তু তারা সে একই কথা বলে যা
তাদের পূর্বের লোকেরা বলেছিল৷
রিজিক্ব অন্বেষণের জন্য কি অসৎ পন্থা অবলম্বনের কোন প্রয়োজন আছে ? না নেই, বরং এর সমাধান হচ্ছে নামাজ :
(২০:১৩২) নিজের
পরিবার পরিজনকে নামায পড়ার হুকুম দাও এবং নিজেও তা নিয়মিত পালন করতে
থাকো৷ আমি তোমার কাছে কোন রিযিক চাই না, রিযিক তো আমিই তোমাকে দিচ্ছি এবং শুভ পরিণাম তাকওয়ার জন্যই৷
(অর্থাৎ, রিজিক্ব
উপার্জনের জন্য অসৎ পন্থা বা হারাম পন্থা অবলম্বনের কোন প্রয়োজন নেই, নামাজের
মাধ্যমেই তাকওয়া অর্জিত হবে এবং যার ফলে হালাল রিজিক্ব অন্বেষণ করা ও পাওয়া আল্লাহ সহজ
করে দেবেন)
অসৎপথে থাকার পরও যারা মনে করে সৎপথে আছে : তারাই
সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ:
(১৮:১০৩) হে মুহাম্মাদ! এদেরকে বলো, আমি কি তোমাদের বলবো নিজেদের কর্মের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত কারা ? ১০৪) তারাই, যাদের দুনিয়ার জীবনের সমস্ত প্রচেষ্টা ও সংগ্রাম
সবসময় সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত থাকতো এবং যারা মনে করতো যে, তারা সবকিছু সঠিক করে যাচ্ছে৷
(২৭-নমল:৪) আসলে যারা আখেরাত বিশ্বাস করে না তাদের
জন্য আমি তাদের কৃতকর্মকে সুদৃশ্য করে দিয়েছি, ফলে তারা দিশেহারা হয়ে ঘুরে বেড়ায়৷৫) এদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্ট শাস্তি এবং আখেরাতে এরাই হবে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত৷
(আরো দেখুন : ক্ষ > ক্ষতি)
অপরাধ করার পরও জীবন উপভোগের সুযোগ পাওয়া এক ধরণের পরীক্ষা :
(২১:১১১) আমিতো মনে করি, হয়তো এটা (আযাব আসার বিলম্ব) তোমাদের
জন্য এটা পরীক্ষা ১০৩ এবং একটা বিশেষ
সময় পর্যন্ত তোমাদের জীবন উপভোগ করার সুযোগ দেয়া
হচ্ছে :
(১০৩. অর্থাৎ এ বিলম্বের কারণে তোমরা পরীক্ষার মুখোমুখি হয়েছো।
তোমাদের সামলে ওঠার জন্য যথেষ্ট অবকাশ দেবার এবং দ্রুততা
অবলম্বন করে সংগে সংগেই পাকড়াও না করার উদ্দেশ্যে বিলম্ব করা হচ্ছে। কিন্তু এর ফলে তোমরা বিভ্রান্তির শিকার হয়ে গেছো।
তোমরা মনে করছো, নবীর সব কথা মিথ্যা। নয়তো ইনি যদি সত্য নবীই হতেন এবং যথার্থ
আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসতেন, তাহলে একে মিথ্যা বলার ও অমান্য করার পর
আমরা কবেই পাকড়াও হয়ে যেতাম।)
(বিস্তারিত দেখুন : অ > অবকাশ, আ
> আযাব >আযাব আসতে
বিলম্ব হওয়ার কারণ
কি ? জবাব নং ২
)
আল্লাহর অনুগ্রহেই একমাত্র অসৎপথ থেকে বেঁচে থাকা যায় :
(১১:১১৯) এবং বিপথে যাওয়া থেকে একমাত্র তারাই বাঁচতে
যাদের ওপর তোমার রব অনুগ্রহ করেন৷
শয়তান অসৎপথ কে সুশোভন করে দেখায় :
(১৬:৬৩).... শয়তান তাদের খারাপ কার্যকলাপকে তাদের
সামনে সুশোভন করে দেখিয়েছে
(২৭-নমল:২৪)--- শয়তান তাদের কার্যাবলী তাদের জন্য শোভন করে দিয়েছে৩২ এবং তাদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করে দিয়েছেন এ
কারণে তারা সোজা পথ পায় না৷
(৩২. অর্থাৎ দুনিয়ার ধন-সম্পদ উপার্জন
এবং নিজের জীবনকে অত্যাধিক জাঁকালো ও বিলাসী করার
যে কাজে তারা নিমগ্ন ছিল, শয়তান তাদেরকে বুঝিয়ে দেয় যে, বুদ্ধি ও চিন্তার
এটিই একমাত্র নিয়োগ ক্ষেত্র এবং দৈহিক ও মানসিক শক্তিসমূহ প্রয়োগের একমাত্র উপযুক্ত
স্থান। তাই এ পার্থিব জীবন ও তার আরাম আয়েশ ছাড়া আর কোন জিনিস
সম্পর্কে গুরুত্ব সহকারে চিন্তা-ভাবনা করার দরকার নেই। এ আপাতদৃষ্ট পার্থিব জীবনের পিছনে কোন বাস্তব সত্য নিহিত
রয়েছে এবং তোমাদের প্রচলিত ধর্ম, নৈতিকতা, সভ্যতা, সংস্কৃতি ও জীবন ব্যবস্থার ভিত্তিসমূহ এ সত্যের সাথে সামঞ্জস্য রাখে, না পুরোপুরি তার বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে সেসব নিয়ে অযথা মাথা
ঘামাবার দরকার নেই বলে শয়তান তাদেরকে নিশ্চিন্ত
করে দেয় যে, তোমরা যখন ধন-দৌলত, শক্তি-সামর্থ ও শান-শওকতের দিক দিয়ে দুনিয়ায় অগ্রসর হয়েই
যাচ্ছো তখন আবার তোমাদের প্রচলিত
আকিদা-বিশ্বাস ও মতবাদকে সঠিক কিনা, তা চিন্তা করার
প্রয়োজনই বা কি! এসব সঠিক হবার স্বপে
তো এই একটি প্রমাণই যথেষ্ট যে, তোমরা আরামে ও
নিশ্চিন্তে অর্থ ও বিত্তের পাহাড় গড়ে তুলছো এবং আয়েশী জীবন
যাপন করছো।)
অসৎ নেতৃত্বের জবাবদিহিতা সাধারণ অপরাধীদের চেয়ে বেশী :
(১৯:৬৮) তোমার রবের কসম আমি নিশ্চয়ই তাদেরকে এবং
তাদের সাথে শয়তানদেরকেও ঘেরাও করে আনবো, তারপর তাদেরকে এনে জাহান্নামের চারদিকে নতজানু করে ফেলে দেবো৷
৬৯) তারপর প্রত্যেক দলের
মধ্যে যে ব্যক্তি করুণাময়ের বেশী অবাধ্য ও বিদ্রোহী
হয়ে উঠেছিল তাকে ছেঁটে বের করে আনবো৷৭০) তারপর আমি জানি তাদের মধ্য থেকে কারা
জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবার বেশী হকদার৷
অসৎ নেতার অনুসরণ :
(২১:৪৩) তাদের কাছে
কি এমন কিছু ইলাহ আছে যারা আমার মুকাবিলায় তাদেরকে রক্ষা করবে ? তারা না নিজেদেরকে সাহায্য করতে পারে, না আমার সমর্থন লাভ করে৷
দেখুন : অ > অনুসরণ > অসৎ নেতার অনুসরণ, ন
> নেতা > অসৎ নেতার অনুসরণ ।
(২৯-আনকাবুত:২৫)
......কিন্তু কিয়ামতের দিন তোমরা পরস্পরকে অস্বীকার এবং পরস্পরের প্রতি অভিসম্পাত
করবে আর আগুন তোমাদের আবাস হবে এবং তোমাদের কোন সাহায্যকারী হবে না৷”
(ব্যাখ্যার জন্য
দেখুন : ব > বন্ধুত্ব > কিয়ামতের দিন কি বন্ধুত্ব থাকবে ? )
যারা অসৎ কাজে লিপ্ত আছে তথা ইসলাম বিরোধীরা আল্লাহর পাকড়াও থেকে রক্ষা পাবেনা :
(২৯-আনকাবুত:৪) আর যারা খারাপ কাজ করছে ৪ তারা কি মনে করে বসেছে তারা আমার থেকে এগিয়ে চলে যাবে ? ৫ বড়ই ভুল সিদ্ধান্ত তারা করছে৷
৪ . যদিও আল্লাহর নাফরমানীতে লিপ্ত সকলের উদ্দেশ্যে এখানে বলা হতে পারে
তবুও বিশেষভাবে এখানে বক্তব্যেও লক্ষ হচ্ছে , কুরাইশদের সেই জালেম নেতৃবর্গ যারা ইসলামের
বিরোধিতায় নেমে ইসলাম গ্রহণকারীদের ওপর নিগ্রহ চালাবার ক্ষেত্রে অগ্রবর্তী ছিল,যেমন ওলীদ ইবনে মুগীরাহ, আবু জেহেল, উতবাহ, শাইবাহ, উকবাহ ইবনে আবু মু'আইত, হানযালা ইবনে ওয়াইল
এবং আরো অনেকে। এখানে পূর্বাপর বক্তব্যেও স্বতস্ফূর্ত দাবী এই যে, পরীক্ষা তথা বিপদ- মুসিবত ও জুলুম- নিপীড়নের মুকাবিলায় মুসলমানদেরকে
সবর ও দৃঢ়তা অবলম্বন করার নির্দেশ দেবার পর এ সত্যপন্থীদের ওপর যারা জুলূম-নিপীড়ন
চালাচ্ছিল তাদেরকে সম্বোধন করে ভীতি ও হুমকিমূলক কিছু কথাও বলা হোক।
৫ . এ অর্থও হতে পারে, " আমার পাকড়াও এড়িয়ে অন্য কোথাও পালিয়ে যেতে
পারবে।" মূল শব্দ হচ্ছে 'ইয়াসবিক্বুনা' অর্থাৎ আমার থেকে
এগিয়ে যাবে। এর দুটি অর্থ হতে পারে। একটি অর্থ হচ্ছে, যা কিছু আমি করতে চাই (অর্থাৎ আমার রসূলদের মিশনের সাফল্য) তা করতে
আমার সফল না হওয়া এবং যা কিছু তারা করতে চায় (অর্থাৎ আমার রসূলকে হেয়
প্রতিপন্ন করা )তা করতে সফল হওয়া । দ্বিতীয় অর্থ হচ্ছে, তাদের বাড়াবাড়ির জন্য আমি তাদেরকে পাকড়াও করতে চাই
এবং তারা পালিয়ে আমার ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যায়।
(আরো দেখুন : ই > ইসলাম বিরোধী)
অসৎ কাজ / অসৎকাজ :
সৎকাজ দ্বারা পূ্র্বেকৃত অসৎকাজ মিটে যায় :
(২৭.নামল:১১) তবে হ্যাঁ, যদি কেউ ভুল-ত্রুটি করে বসে৷ তারপর যদি সে দুষ্কৃতির পরে সুকৃতি দিয়ে (নিজের কাজ) পরিবর্তিত
করে নেয় তাহলে আমি ক্ষমাশীল ও করুণাময়৷
(বিস্তারিত দেখুন : স > সৎকাজ > সৎকাজের পুরস্কার
সমূহ। )
অসৎ কাজের নিষেধ :
অপরকে অসৎকাজ থেকে নিষেধ করা অথচ ঐ অসৎ কাজে নিজেই
লিপ্ত হয়ে যাওয়া : (এ থেকে বেচে থাকার উপায়)
(১১:৮৮) শো’আয়েব বললো : “ভাইয়েরা! তোমরা
নিজেরাই ভেবে দেখো, যদি আমি আমার রবের
পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ট সাক্ষের ওপর প্রতিষ্ঠিত থেকে থাকি, তারপর তিনি আমাকে উত্তম রিযিক দান করেন (তাহলে এরপর আমি তোমাদের গোমরাহী ও হারামখোরীর কাজে তোমাদের সাথে কেমন
করে শরীক হতে পারি ?) আর যেসব বিষয় থেকে
আমি তোমাদের বিরত রাখতে চাই আমি নিজে কখনো সেগুলোতে লিপ্ত হতে চাই না৷ আমি তো আমার সাধ্য অনুযায়ী সংশোধন করতে চাই৷ যাকিছু আমি করতে
চাই তা সবই আল্লাহর তাওফীকের ওপর নির্ভর কর৷ তাঁরি ওপর আমি ভরসা করেছি এবং সব
ব্যাপারে তাঁরই দিকে রুজু করি৷
অসৎ কাজের নিষেধের সুফল :
(৭:১৬৪) আর তাদের একথাও স্মরণ
করিয়ে দাও, যখন তাদের একটি দল অন্য দলকে বলেছিল, তোমরা এমন লোকদের উপদেশ দিচ্ছো কেন যাদেরকে আল্লাহ ধ্বংস
করবেন বা কঠোর শাস্তি দেবেন? জবাবে তারা বলেছিল, এসব কিছু এ জন্যেই করছি যেন আমরা তোমাদের রবের সামনে
নিজেদের ওপর পেশ করতে পারি এবং এ আশায় করছি যে, হয়তো এ লোকেরা তাঁর নাফরমানী করা ছেড়ে দেবে৷ (৭:১৬৫) শেষ পর্যন্ত তাদেরকে যে সমস্ত হেদায়াত স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছিল তারা
যখন সেগুলো সম্পূর্ণ ভুলে গেলো তখন যারা খারাপ কাজে বাধা দিতো তাদেরকে আমি
বাঁচিয়ে নিলাম এবং বাকি লোক যারা দোষী ছিল তাদের নাফরমানীর জন্য তাদেরকে কঠিন
শাস্তি দিলাম৷
অসৎ লোক
:
আযাবের সম্মুখীন হওয়ার পর অপরাধী / অসৎ লোকদের স্বীকারোক্তি :
(২১:৪৬) আর যদি
তোমার রবের আযাব তাদেরকে সামান্য স্পর্শ করে যায়, তাহলে তারা তৎক্ষণাত চিৎকার দিয়ে উঠবে, হায়! আমাদের দুর্ভাগ্য, অবশ্যই আমরা অপরাধী ছিলাম৷
অসৎ লোকেরা শয়তানের সাথী হয়ে যায় :
(১৯:৪৫) আব্বাজান! আমার ভয় হয় আপনি করুণাময়ের আযাবের শিকার হন কি না এবং
শয়তানের সাথী হয়ে যান কি না”৷
(বিস্তারিত দেখুন : শ > শয়তান)
অসৎ লোকদেরকে অবকাশ দেয়া হয় তাদের গুণাহে ডুবে থাকার জন্য :
৩:১৭৮,
আল্লাহ যদি
লোকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করার ব্যাপারে অতটাই
তাড়াহুড়া করতেন যতটা দুনিয়ার ভালো চাওয়ার ব্যাপারে তারা তাড়াহুড়া করে থাকে, তাহলে
তাদের কাজ করার অবকাশ কবেই খতম করে দেয়া হতো (কিন্তু আমার নিয়ম এটা নয়) তাই যারা
আমার সাথে সাক্ষাৎ করার আশা পোষণ করে না তাদেরকে আমি তাদের অবাধ্যতার মধ্যে
দিশেহারা হয়ে ঘুরে বেড়াবার জন্য ছেড়ে দেই ১০:১১,
(বিস্তারিত দেখুন :
অ > অবকাশ)
অসৎ লোকদের মন্দকর্মসমূহ তাদের দৃষ্টিতে সুশোভন করে দেয়া হয় :
সীমা অতিক্রমকারীদের জন্য
তাদের কার্যক্রমকে
তাদের দৃষ্টিতে সুশোভন করে দেয়া
হয়েছে - ১০:১২,
(৩০-রূম: ১০) শেষ
পর্যন্ত যারা অসৎকাজ করেছিল তাদের পরিণাম হয়েছিল বড়ই অশুভ, কারণ তারা আল্লাহর আয়াতকে মিথ্যা বলেছিল এবং তারা সেগুলোকে
বিদ্রুপ করতো৷
অসৎ লোকদের প্রতি আল্লাহর নসীহত :
হে মানুষ! তোমাদের এ বিদ্রোহ উল্টা তোমাদের বিরুদ্ধেই চলে যাচ্ছে৷ দুনিয়ার কয়েকদিনের আরাম আয়েশ
(ভোগ করে নাও),
তারপর্ আমার দিকেই তোমাদের ফিরে আসতে হবে৷ তোমরা কি কাজে লিপ্ত ছিলে তা তখন তোমাদের আমি জানিয়ে দেবো৷ - ১০:২৩
অপরাধীদের মৃত্যূ হবে নি:স্ব অবস্থায় : কর্তিত শস্যের ন্যায় :
(২১:১৪) বলতে লাগলো,
“হায়, আমাদের দুর্ভাগ্য! নিশ্চয়ই আমরা অপরাধী ছিলাম৷” ১৫) আর তারা এ আর্তনাদ করতেই থাকে যতক্ষণ আমি তাদেরকে
কাটা শস্যে পরিণত না করি, জীবনের একটি স্ফুলিংগও তাদের মধ্যে থাকেনি৷
অসৎকাজের প্রতিদান অসৎকাজের সমপরিমাণ হবে :
আর যারা খারাপ কাজ করেছে, তারা তাদের খারাপ কাজ অনুযায়ীই প্রতিফল পাবে
– ১০:২৭,
পূর্ববর্তী অসৎ লোকদের অবস্থা :
(২০:৫১) ফেরাউন
বললো, “আর পূর্ববর্তী বংশধর
যারা অতীত হয়ে গেছে তাদের তাহলে কি অবস্থা ছিল?”৫২) মূসা বললো “সেজ্ঞান আমার রবের
কাছে লিপিবদ্ধ অবস্থায় সংরক্ষিত আছে৷ আমার রব ভুলও করেন না, বিস্মৃতও হন না”৷
অপরাধীদের শাস্তির স্বরুপ : তাদেরকে কাটা শস্যে পরিণত করা হবে :
(২০:১৫) আর তারা এ
আর্তনাদ করতেই থাকে যতক্ষণ আমি তাদেরকে কাটা শস্যে পরিণত না করি, জীবনের একটি স্ফুলিংগও তাদের মধ্যে থাকেনি৷
(বিস্তারিত দেখুন :
শ > শাস্তি, আ > আযাব)
অসৎ নেতৃত্ব :
অসৎ নেতৃত্ব কিয়ামতের দিন তার অনুসারীদের নেতৃত্ব দিয়ে জাহান্নামে নিয়ে যাবে :
(১১:৯৭) কিন্তু তারা ফেরাউনের নির্দেশ মেনে চললো৷ অথচ
ফেরাউনের নির্দেশ সত্যাশ্রয়ী ছিল না৷(১১:৯৮) কিয়ামতের দিন সে
নিজের কওমের অগ্রবর্তী হবে এবং নিজের নেতৃত্বে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাবে৷ অবস্থানের জন্য কেমন নিকৃষ্ট স্থান সেটা৷ ৯৯) আর তাদের ওপর এ
দুনিয়ায় লানত পড়েছে এবং কিয়ামতের দিনও পড়বে৷ কত নিকৃষ্ট প্রতিদান সেটা, যা কেউ লাভ করবে!
অসৎ কাজের দুনিয়াতে শাস্তি :
অসৎ কর্মীরা দুনিয়া ও আখিরাত উভয় স্থানে শাস্তি পেয়ে থাকে:
(১৩:৩৪) এ ধরনের লোকদের জন্য দুনিয়ার জীবনেই রয়েছে
আযাব এবং আখেরাতের আযাব এর চেয়েও বেশী কঠিন৷ তাদেরকে আল্লাহর হাত থেকে বাঁচাবার কেউ নেই৷
যদি জনপদের লোকেরা
ঈমান আনতো এবং তাকওয়ার নীতি অবলম্বন করতো, তাহলে আমি তাদের জন্য আকাশ ও পৃথিবীর রবকতসমূহের দুয়ার খুলে
দিতাম৷ কিন্তু তারা তো প্রত্যাখ্যান করেছে৷ কাজেই তারা যে অসৎকাজ করে
যাচ্ছিলো তার জন্যে আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছি-৭:৯৬,
সীমা অতিক্রমকারীদের জন্য
তাদের কার্যক্রমকে
তাদের দৃষ্টিতে সুশোভন করে দেয়া
হয়েছে - ১০:১২,
হে মানব জাতি! তোমাদের আগের জাতিদেরকে (যারা তাদের
নিজেদের যুগে উন্নতির উচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল) আমি ধ্বংস করে দিয়েছি -যখন তারা
জুলুমের নীতি অবলম্বন করলো এবং তাদের রসূলগণ তাদের কাছে
সুষ্পষ্ট নিশানী নিয়ে এলেন, কিন্তু তারা আদৌ ঈমান আনলো না৷এভাবে আমি অপরাধীদেরকে
তাদের অপরাধের প্রতিফল দিয়ে থাকি-
১০:১৩,
অসৎ কাজের পুনরাবৃত্তি করলে ?
(১৭:৮) এখন তোমাদের রব তোমাদের প্রতি করুণা
করতে পারেন৷ কিন্তু যদি তোমরা আবার নিজেদের আগের আচরণের পুনরাবৃত্তি করো তাহলে আমিও আবার আমার
শাস্তির পুনরাবৃত্তি করবো৷
বাজে কথা / বাজে কাজ :
দেখুন : ব > বাজে কথা/বাজেকাজ, ক > কথা > বাজে কথা।
যারা অসৎ কাজে লিপ্ত আছে অথচ তারা মনে করছে যে, তারা সৎকাজ করছে :যাদের খারপ কাজকে তাদের দৃষ্টিতে সুন্দর / শোভনীয় করে দেওয়া হয়েছে : যাদের বিবেক নষ্ট হয়ে গেছে :
(৩৫-ফাতির:৮) এমন ১৫ ব্যক্তির
বিভ্রান্তির কোন শেষ আছে কি) যার জন্য তার খারাপ কাজকে
শোভন করে দেয়া হয়েছে এবং সে তাকে ভালা মনে করছে? ১৬ আসলে আল্লাহ যাকে
ইচ্ছা বিভ্রান্তিতে লিপ্ত করেন এবং তাকে চান সঠিক
পথ দেখিয়ে দেন৷ কাজেই (হে নবী!) অযথা ওদের জন্য দুঃখে ও শোকে তুমি প্রাণপাত কর না৷ ১৭ ওরা যা কিছু করছে
আল্লাহ তা ভালোভাবে জানেন৷১৮
১৫. ওপরের দুটি প্যারাগ্রাফ সাধারণ জনগণকে সম্বোধন করে বলা হয়েছিল। এখন এ প্যারাগ্রাফ যেসব বিভ্রান্তির নায়করা নবী করীম (সা) এর দাওয়াতকে ব্যর্থ করার
জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল তাদের কথা বলা হচ্ছে।
১৬. অর্থাৎ এমন এক ধরনের বিভ্রান্ত ও দুস্কৃতকারী লোক আছে যে
খারাপ কাজ করে ঠিকই কিন্তু সে জানে এবং স্বীকার করে যে সে
যা কিছু করছে খারাপই করছে। এ ধরনের লোককে
বুঝালেও ঠিক হয়ে যেতে পারে এবং কখনো
নিজের বিবেকের তাড়নায় ও সে সঠিক পথে চলে আসতে পারে। কারণ তার শুধুমাত্র অভ্যাসই
বিগড়েছে, মন মানসিকতা বিগড়ে যায়নি। কিন্তু আর এক ধরনের দুস্কৃতকারী আছে, যার মন মানসিতকাই বিগড়ে গেছে। তার ভালমন্দের পার্থক্যবোধই খতম হয়ে গেছে। গোনাহের জীবন তার
কাছে প্রিয় ও গৌরবময়। সৎকাজকে সে ঘৃনা
করে এবং অসৎকাজকে যথার্থ সভ্যতা ও সংস্কৃতি মনে
করে। সৎবৃত্তি ও তাকওয়াকে সে প্রাচীনত্ব এবং আল্লাহর হুকুম অমান্য করা ও অশ্লীল কাজ
করাকে প্রগতিশীলতা মনে করে। তার দৃষ্টিতে হিদায়াত গোমরাহীতে এবং গোমরাহ হিদায়াতে
পরিণত হয়। এ ধরনের লোকের ওপর কোন উপদেশ কার্যকর হয় না। সে নিজের নির্বুদ্ধিতার ওপর নিজেই সতর্ক হয় না এবং কেউ তাকে বোঝালেও বোঝে না। এ ধরনের লোকের পেছনে লেগে থাকা অর্থহীন। তাকে সৎপথে আনার চিন্তায় প্রাণপাত
না করে সত্যের আহবায়ককে এমনসব লোকের প্রতি দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন যাদের বিবেক এখনো বেঁচে আছে এবং যারা
সত্যের আহবানের জন্য নিজেদের মনের দুয়ার বন্ধ করে দেয়নি।
১৭. আগের বাক্য এবং এ বাক্যের মাঝখানে আল্লাহ যাকে চান
গোমরাহীতে লিপ্ত করেন এবং যাকে চান সঠিক পথ দেখান- একথা বলা পরিস্কারভাবে এ অর্থই প্রকাশ করছে যে, যারা এতদূর মানবিক বিকৃতির শিকার হয় আল্লাহ তাদেরকে হিদায়াতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেন
এবং পথহারা হয়ে এমন সব পথে ঘুরে বেড়াবার
জন্য তাদেরকে ছেড়ে দেন যেসব ভুল পথে ঘুরে বেড়ানোর জন্য তারা নিজেরাই জিদ ধরে। এ সত্যটি বুঝিয়ে
দেবার পর মহান আল্লাহ নবী করীম (সা) কে বলেন এ ধরনের লোকদেরকে সঠিক পথে আনার সামর্থ তোমার নেই কাজেই
তাদের ব্যাপারে সবর করো এবং আল্লাহ যেমন তাদের
পরোয়া করছেন না তেমনি তোমরাও তাদের অবস্থা দেখে দুঃখিত ও শোকাভিভূত হয়ো না।
এ ক্ষেত্রে দুটি কথা ভালভাবে বুঝে নিতে
হবে। এক, এখানে যাদের কথা
বলা হচ্ছে তারা সাধারণ লোক ছিল না। তারা ছিল মক্কা মু'আযযমার সরদার। তারা নবী করীম (সা) এর দাওয়াতকে ব্যর্থ করে দেবার জন্য সব রকমের মিথ্যা প্রতারণা ও
ফন্দি-ফিকিরের আশ্রয় নিয়ে চলছিল। তারা আসলে নবী করীম (সা) সম্পর্কে কোন ভুল ধারণা করত না। তিনি কিসের দিকে দাওয়াত
দিচ্ছেন এবং তার মোকাবিলায় তারা নিজেরা কোন ধরনের মূর্খতা ও নৈতিক দুষ্কৃতির প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট রয়েছে তা
তারা ভালভাবে জানত। এসব কিছু জানার ও বুঝার পর ঠান্ডা মাথায় তাদের সিদ্ধান্ত এই ছিল
যে, মুহাম্মাদ (সা) এর কথা চলতে দেয়া যাবে না। এ উদ্দেশ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট অস্ত্র এবং সবচেয়ে হীন হাতিয়ার
ব্যবহার করতে তারা একটুও কুন্ঠিত ছিল না। এখন একথা সুষ্পষ্ট, যারা জেনে বুঝে
এবং নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে প্রতিদিন একটি নতুন মিথ্যা
রচনা করে এবং কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তা ছড়িয়ে বেড়ায় তারা
সারা দুনিয়ার মানুষকে ধোকা দিতে পারে কিন্তু নিজেকে তো তারা মিথ্যুক বলে জানে এবং তাদের নিজেদের কাছে
একথা গোপন থাকে না যে, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে তারা একটি অপবাদ দিয়েছে সে তা থেকে মুক্ত। তারপর যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ মিথ্যা হাতিয়ার ব্যবহার করা হচ্ছে সে যদি এর জবাবে কখন সত্য
ও ন্যায়ের পথ থেকে সরে গিয়ে কোন কথা না
বলে তাহলে এ জালেমদের কাছে ও একথা কখনো গোপন থাকতে পারে না যে, তাদের মোকাবিলায় যিনি দাড়িয়ে আছেন তিনি একজন সত্যবাদী ও
নিখাদ পুরুষ। এরপর ও নিজেদের কৃতকর্মের জন্য যারা এতটুকু লজ্জিত হয় না এবং অনবরত
মিথ্যার মাধ্যমে সত্যের মোকাবিলা করে
যেতে থাকে, তাদের এ নীতি নিজেই একথার সাক্ষ বহন করে
যে, আল্লাহ লানত তাদের ওপর পড়েছে এবং ভালমন্দের কোন পার্থক্য বোধ তাদের
মধ্যে নেই।
দ্বিতীয় যে কথাটি এ প্রসংগে বুঝে নিতে
হবে সেটি হচ্ছে এই যে, নিছক স্বীয় রসূল পাককে কাফেরদের প্রকৃত অবস্থা উপলদ্ধি করানই যদি আল্লাহর
লক্ষ্য হত, তাহলে তিনি গোপনে কেবলমাত্র তাকেই একথা বুঝাতে পারতেন। এ উদ্দেশ্যে প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে সুষ্পষ্ট অহীর মাধ্যমে তার উল্লেখের প্রয়োজন ছিল না। কুরআন মজীদে একথা বর্ণনা করবার এবং সারা দুনিয়ার মানুষকে তা শুনিয়ে দেবার উদ্দেশ্যই
ছিল আসলে সাধারণ মানুষকে এই মর্মে সতর্ক
করে দেয়া যে, যেসব নেতার পেছনে তোমরা চোখ বন্ধ করে
ছুটে চলছো তারা কতখানি বিবৃত মানসিকতা সম্পন্ন লোক
তাদের বেহুদা কাজকর্ম কেমন চিৎকার করে করে বলছে যে, তাদের ওপর আল্লাহর লানত পড়েছে।
১৮. আলোচ্য বাক্যটির মধ্যে এ স্বতস্ফূর্ত হুমকি প্রচ্ছন্ন রয়েছে যে, এমন একটি সময় আসবে যখন আল্লাহ তাদেরকে এসব কৃতকর্মের শাস্তি দেবেন। কোন শাসক যখন কোন অপরাধী সম্পর্কে বলেন, তার কাজ কর্মের আমি সব খবর রাখি
তখন তার অর্থ কেবল এতটুকুই হয় না যে, শাসক তার কাজকর্ম
সব জানেন এবং তার মধ্যে এ সতর্কবাণীও নিহিত থাকে
যে, আমি তাকে শাস্তি দেবোই।
অসৎ কাজকে বৈধতা দেওয়ার প্রচেস্টা যুগে যুগে
:
ইউসুফ আ: এর ঘটনায় জুলায়খার প্রচেষ্টা :
(১২:৩১) সে যখন তাদের এ শঠতাপূর্ণ কথা শুনলো তখন তাদেরকে ডেকে পাঠালো৷ তাদের জন্য হেলান
দিয়ে বসার মজলিসের আয়োজন করলো৷
খাওয়ার বৈঠকে তাদের
সবার সামনে একটি করে ছুরি রাখলো৷ (তারপর ঠিক সেই মুহূর্তে যখন তারা ফল কেটে
কেটে খাচ্ছিল) সে ইউসুফকে তাদের সামনে বের হয়ে আসার ইশারা করলো৷ যখন ঐ মেয়েদের
দৃষ্টি তার ওপর পড়লো, তার বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে গেলো এবং নিজের হাত কেটে ফেললো৷ তারা
বললো, “আল্লাহর কী অপার মহিমা! এতো মানুষ নয়, এতো এক মহিমান্বিত ফেরেশ্তা৷”
অসৎ নেতার অনুসারীদের এ ওজর গ্রহণযোগ্য হবেনা যে,
তারা নিজেরা গোমরাহ হয়নি বরং তাদেরকে গোমরাহ করা হয়েছিল :
(৩৭- আস সফ্ফাত :৩৩) এভাবে তারা
সবাই সেদিন শাস্তিতে শরীক হবে৷ ২০ ৩৪) আমি অপরাধীদের সাথে এমনটিই করে থাকি৷
২০. অর্থাৎ নেতা ও অনুসারী এবং গোমরাহ ও
গোমরাহকারী উভয়ই একই শাস্তি লাভ করবে। অনুসারীরদের এ ওযর
মেনে নেয়া
হবে না যে ,
তারা নিজেরা গোমরাহ হয়নি বরং তাদেরকে গোমরাহ করা হয়েছিল । অন্যদিকে নেতাদের এ ওযর ও গ্রহণ করা হবে না যে , গোমরাহ লোকেরা
নিজেরাই সরল - সত্য পথের প্রত্যাশী ছিল না।
বিস্তারিত দেখুন : ন
> নেতা।
ফেরেশ্তারা ভালো করেই জানে তাদেরকে অপরাধী হিসেবে উপস্থিত করা হবে৷
(৩৭- আস সফ্ফাত :১৫৮) তারা আল্লাহ ও ফেরেশ্তাদের ৮৯ মধ্যে আত্মীয় সম্পর্ক স্থাপন করে রেখেছে৷ অথচ ফেরেশ্তারা ভালো
করেই জানে তাদেরকে অপরাধী হিসেবে উপস্থিত করা হবে৷ ১৫৯) (এবং তারা বলে,) “আল্লাহ সেসব দোষ থেকে মুক্ত ১৬০) যেগুলো তাঁর
একনিষ্ঠ বান্দারা ছাড়া অন্যেরা তাঁর ওপর আরোপ করে৷
৮৯. মূলে ' মালাইকা'র (ফেরেশতাবৃন্দ )
পরিবর্তে ' আল জিন্নাহ ' (আরবী -------------) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু কোন কোন
শ্রেষ্ঠ তাফসীকারের মতে এখানে ' জিন ' শব্দটি তার
আভিধানিক অর্থের (অর্থাৎ গুপ্ত সৃষ্টি।) প্রেক্ষিতে ' মালাইকা ' তথা ফেরেশতা অর্থে ব্যবহৃত
হয়েছে। কারণ ফেরেশতাও আসলে একটি গোপন জীবই । পরবর্তী বিষয়বস্তু এখানে জিন শব্দটি ফেরেশতা অর্থে
ব্যবহার করারই দাবী জানায়।
বিস্তারিত দেখুন : ফ > ফেরেশতা > ফেরেশতাদেরকে আল্লাহর কন্যা সন্তান
নির্ধারণ করে তাদের উপাসনা করা।
প্রশ্ন: ৭০ : কোম্পানীর মালামাল ক্রয় করা ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন