শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৯

খোটা দেওয়া


  

খোটা দেওয়া :

ফেরাউন মূসা : খোটা দিলো : তাকে তারা প্রতিপালন করেছে :

(২৬.শুআরা:১৮) ফেরাউন বললো, "আমরা কি তোমাকে আমাদের এখানে প্রতিপালন করিনি যখন ছোট্ট শিশুটি ছিলে? বেশ ক'টি বছর আমাদের এখানে কাটিয়েছো,
(২৬.শুআরা:২২) আর তোমার অনুগ্রহের কথা যা তুমি আমার প্রতি দেখিয়েছো, তার আসল কথা হচ্ছে এই যে, তুমি বনী ইসরাঈলকে দাসে পরিণত করেছিলে৷"
( অর্থাৎ তোমরা যদি বনী ইসরাঈলের প্রতি জুলুম-নিপীড়ন না চালাতে তাহলে আমি প্রতিপালিত হবার জন্য তোমাদের গৃহে কেন আসতাম ৷ তোমাদের জুলুমের কারণেই তো আমার মা আমাকে ঝুড়িতে ভরে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন । নয়তো আমার লালন-পালনের জন্য কি আমার নিজের গৃহ ছিল না ৷ তাই এ লালন-পালনের জন্য অনুগৃহীত করার খোটা দেয়া তোমার মুখে শোভা পায় না।)



=================================


প্রশ্ন: ৫৮ : নামাজ পড়ার সময় কি মহিলাদের পায়ের উপরের পাতা কি ঢাকতে হবে ?
========================

খেলা - ধুলা


খেলা - ধুলা :


জীবন মৃত্যু , আকাশ পৃথিবী ইত্যাদি আল্লাহ খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করেননি :

(২১:১৬) এ আকাশ ও পৃথিবী এবং এদের মধ্যে যা কিছুই আছে এগুলো আমি খেলাচ্ছলে তৈরি করিনি৷১৭) যদি আমি কোনো খেলনা তৈরি করতে চাইতাম এবং এমনি ধরনের কিছু আমাকে করতে হতো তাহলে নিজেরই কাছ থেকে করে নিতাম৷১৮) কিন্তু আমি তো মিথ্যার ওপর সত্যের আঘাত হানি, যা মিথ্যার মাথা গুঁড়িয়ে দেয় এবং সে দেখতে দেখতে নিশ্চিহ্ন হয়৷ আর তোমাদের জন্য ধ্বংস! যেসব কথা তোমরা তৈরি করো সেগুলোর বদৌলতে৷
(জীবন সম্পর্কে যে দৃষ্টিভংগীর কারণে তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দাওয়াতের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করতো না এটি হচ্ছে সেই সমগ্র দৃষ্টিভংগীর ওপর মন্তব্য। তাদের ধারণা ছিল, মানুষকে দুনিয়ায় এমনটিই স্বাধীন ছেড়ে দেয়া হয়েছে। নিজের যা ইচ্ছা সে করবে। যেভাবে চাইবে করবে। তার কোন কাজের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করার কেউ নেই। কারো কাছে তাকে হিসেব দিতে হবে না। ভালো-মন্দ কয়েক দিনের এই জীবন যাপন করে সবাইকে ব্যস এমনিই ধ্বংস হয়ে যেতে হবে। পরবর্তী কোন জীবন নেই, যেখানে ভালো কাজের পুরস্কার ও খারাপ কাজের শাস্তি দেয়া হবে। এসব ধারণা ও চিন্তা-ভাবনা আসলে একথাই ব্যক্ত করছিল যে, বিশ্ব-জাহানের এ সমগ্র ব্যবস্থা নিছক একজন খেলোয়াড়ের খেলা ছাড়া আর কিছুই নয়, কোন গুরুগম্ভীর ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও লক্ষ একে পরিচালিত করছে না। আর এ ধরনের চিন্তা-ভাবনাই তাদের নবীর দাওয়াত অবহেলা করার আসল কারণ ছিল। )
(বিস্তারিত দেখুন : জ > জীবন ,  ম > মৃত্যু, আ > আকাশ ও পৃথিবী )


খেলা তামাশা : দ্বীনকে যারা খেলা কৌতুক বানায় :

দ্বীনকে যারা খেলা কৌতুক বানায় : ৭:৫১ (তাদের পরিণাম : কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদেরকে ভুলে যাবেন )

দুনিয়ার জীবন তো একটা খেলা তামাশার ব্যাপার  - এর অর্থ কি ?

(৭-আ’রাফ : ৩২) দুনিয়ার জীবন তো একটি খেল-তামাসার ব্যাপার৷২০ আসলে যারা ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে চায় তাদের জন্য আখেরাতের আবাসই ভালো৷ তবে কি তোমরা বুদ্ধি-বিবেচনাকে কাজে লাগাবে না ? 

২০. এর মানে এ নয় যে, দুনিয়ার জীবনটি নেহাত হাল্‌কা ও গুরুত্বহীন বিষয়, এর মধ্যে কেন গাম্ভীর্য নেই এবং নিছক খেল-তামাসা করার জন্য এ জীবনটি তৈরী করা হয়েছেবরং এর মানে হচ্ছে, আখেরাতের যথার্থ ও চিরন্তন জীবনের তুলনায় দুনিয়ার এ জীবনটি ঠিক তেমনি যেমন কোন ব্যক্তি কিছুক্ষণ খেলাধূলা করে চিত্তবিনোদন করে তারপর তার আসল ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করাবারে মনোনিবেশ করেতাছাড়া একে খেলাধূলার সাথে তুলনা করার কারণ হচ্ছে এই যে, এখানে প্রকৃত সত্য গোপন থাকার ফলে যারা ভেতরে দৃষ্টি না দিয়ে শুধুমাত্র বাইরেরটুকু দেখতে অভ্যস্ত তাদের জন্য বিভ্রান্তির শিকার হবার বহুতর কারণ বিদ্যামানএসব বিভ্রান্তির শিকার হয়ে মানুষ প্রকৃত সত্যের বিরুদ্ধে এমন সব অদ্ভুত ধরনের কর্মপদ্ধতি অবলম্বন করে যার ফলশ্রুতিতে তাদের জবীন নিছক একটি খেলা ও তামাসার বস্তুতে পরিণত হয়যেমন যে ব্যক্তি এ পৃথিবীতে বাদশাহের আসনে বসে তার মর্যাদা আসলে নাট্যমঞ্চের সেই কৃত্রিম বাদশাহার চাইতে মোটেই ভিন্নতর নয়, যে, সোনার মুকুট মাথায় দিয়ে সিংহাসনে বসে এবং এমনভাবে হুকুম চালাতে থাকে সে সত্যিকারের একজন বাদশাহঅথচ প্রকৃত বাদশাহীর সামান্যতম নামগন্ধও তার মধ্যে নেইপরিচালকের সামান্য ইংগিতেই তার বরখাস্ত, বন্দী ও হত্যার সিদ্ধান্তও হয়ে যেতে পারেএ দুনিয়ার সর্বত্র এ ধরনের অভিনয়ই চলছেকোথাও কোন পীর-অলী বা দেব-দেবীর দরবারে মনস্কামনা পূরণের জন্য প্রার্থনা করা হচ্ছেঅথচ সেখানে মনস্কামনা পূর্ণ করার ক্ষমতার লেশ মাত্রও নেইকোথাও অদৃশ্য জ্ঞানের কৃতিত্বের প্রকাশ ঘটানো হচ্ছেঅথচ সেখানে অদৃশ্য জ্ঞানের বিন্দু বিসর্গও নেই কোথাও কেউ মানুষের জীবিকার মালিক হয়ে বসে আছেঅথচ সে বেচারা নিজের জীবিকার জন্য অন্যের মুখাপেক্ষীকোথাও কেউ নিজেকে সম্মান ও অপমানের এবং লাভ ও ক্ষতির সর্বময় কর্তা মনে করে বসে আছেসে এমনভাবে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের ডংকা বাজিয়ে চলছে যেন মনে হয়, আশেপাশের সমুদয় সৃষ্টির সে এক মহাপ্রভুঅথচ তার ললাটে চিহ্নিত হয়ে আছে দাসত্বের কলংক টীকাভাগ্যের সামান্য হেরফেরই শ্রেষ্ঠত্বের আসন থেকে নামিয়ে তাকে সেসব লোকের পদতলে নিষ্পিষ্ট করা হতে পারে যাদের ওপর কাল পর্যন্তও সে প্রভুত্ব ও কৃর্তত্ব চালিয়ে আসছিল দুনিয়ার এই মাত্র কয়েকদিনের জীবনেই এসব অভিনয় চরছে মৃত্যুর মুহূর্ত আসার সাথে সাথেই এক লহমার মধ্যেই এসব কিছুই বন্ধ হয়ে যাবে জীবনের সীমান্ত পার হবার সাথে সাথেই মানুষ এমন এক জগতে পৌছে যাবে যেখানে সবকিছুই হবে প্রকৃত সত্যের অনুরূপ এবং যেখানে এ দুনিয়ার জীবনের সমস্ত বিভ্রান্তির আবরণ খুলে ফেলে দিয়ে মানুষকে দেখিয়ে দেয়া হবে কি পরিমাণ সত্য সে সাথে করে এনেছেসত্যের মীযান তথা ভারসাম্যপূর্ণ তুলাদণ্ডে পরিমাপ করে তার মূল্য ও মান নির্ধারণ করা হবে

===========================================

প্রশ্ন: ৫৯ : এক সাথে দুই তিন ওয়াক্ত নামাজ কাজা হয়ে গেলে

==========================================




খেজুর




(১৯:২৪) ফেরেশতা পায়ের দিক থেকে তাকে ডেকে বললো, “দুঃখ করো না, তোমার রব তোমার নীচে একটি নহর প্রবাহিত করেছেন, ২৫) এবং তুমি এ গাছের কাণ্ডটি একটু নাড়া দাও, তোমার ওপর তরতাজা খেজুর ঝরে পড়বে৷২৬) তারপর তুমি খাও, পান করো এবং নিজের চোখ জুড়াও৷ তারপর যদি তুমি মানুষের দেখা পাও তাহলে তাকে বলে দাও, আমি করুণাময়ের জন্য রোযার মানত মেনেছি, তাই আজ আমি কারোর সাথে কথা বলবো না

(১৮:৩২) হে মুহাম্মাদ! এদের সামনে একটি দৃষ্টান্ত পেশ করে দাও৷  দু ব্যক্তি ছিল৷ তাদের একজনকে আমি দুটি আংগুর বাগান দিয়েছিলাম এবং সেগুলোর চারদিকে খেজুর গাছের বেড়া দিয়েছিলাম আর তার মাঝখানে রেখেছিলাম কৃষি ক্ষেত৷
(১৬:১) এ পানির সাহায্যে তিনি শস্য উৎপন্ন করেন এবং জয়তুন, খেজুর, আংগুর ও আরো নানাবিধ ফল জন্মান৷ এর মধ্যে যারা চিন্তা-ভাবনা করে তাদের জন্য রয়েছে একটি বড় নিদর্শন৷  
(২৬.শুআরা:১৪৬) এখানে যেসব জিনিস আছে সেগুলোর মাঝখানে কি তোমাদের এমনিই নিশ্চিন্তে থাকতে দেয়া হবে? ১৪৭) এসব উদ্যান ও প্রস্রবনের মধ্যে?  ১৪৮) এসব শস্য ক্ষেত ও রসালো গুচ্ছ বিশিষ্ট খেজুর বাগানের মধ্যে?১৪৯) তোমরা পাহাড় কেটে তার মধ্যে সগর্বে ইমারত নির্মান করছো৷

(১৬:৬৭) (অনুরূপভাবে) খেজুর গাছ ও আংগুর লতা থেকেও আমি একটি জিনিস তোমাদের পান করাই, যাকে তোমরা মাদকেও পরিণত করো এবং পবিত্র খাদ্যেও৷ বুদ্ধিমানদের জন্য এর মধ্যে রয়েছে একটি নিশানী৷

খেজুর গাছের কান্ডে শূলে চড়ানো :

(২০:৭১) ফেরাউন বললো, “তোমারা ঈমান আনলে, আমি তোমাদের অনুমতি দেবার আগেইদেখছি, তোমাদের গুরু, এ-ই তোমাদের যাদুবিদ্যা শিখিয়েছিল৷ এখন আমি তোমাদের হাত-পা বিপরীত দিক থেকে কাটাচ্ছি এবং খেজুর গাছের কাণ্ডে তোমাদের শুলিবিদ্ধ করছি এরপর তোমরা জানতে পারবে আমাদের দুজনের মধ্যে কার শাস্তি কঠিন ও দীর্ঘস্থায়ী (অর্থাৎ আমি না মূসা, কে তোমাদের বেশী কঠিন শাস্তি দিতে পারে)৷

এসব কিছু তাদের নিজেদের হাতে সৃষ্ট নয়, তবুও কি তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে না ?

(৩৬-ইয়াসিন :৩৩) এদের ২৬  জন্য নিষ্প্রাণ ভূমি একটি নিদর্শন৷ ২৭ আমি তাকে জীবন দান করেছি এবং তা থেকে শস্য উৎপন্ন করেছি, যা এরা খায়৷৩৪) আমি তার মধ্যে খেজুর ও আংগুরের বাগান সৃষ্টি করেছি এবং তার মধ্যে থেকে ঝরণাধারা উৎসারিত করেছি, ৩৫) যাতে এরা তার ফল ভক্ষণ করে৷ এসব কিছু এদের নিজেদের হাতের সৃষ্ট নয়৷ ২৮ তারপরও কি এরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না?২৯ 
ব্যাখ্যার জন্য দেখুন : ত > তাওহীদ > তাওহীদই সত্য এবং শিরক পুরোপুরি ভিত্তিহীন


আরো দেখুন ফল (বিভিন্ন প্রকার ফল

=================================


প্রশ্ন : ৬০ : শুয়ে শুয়ে মোবাইলে কুরআন পড়া যাবে কি

============================

খাদ্য :






(২১:৮) সেই রসূলদেরকে আমি এমন দেহবিশিষ্ট করিনি যে, তারা খেতো না এবং তারা চিরজীবিও ছিল না৷ 
(ফুরকান:৭) তার বলে, “এ কেমন রসূল, যে খাবার খায় এবং হাটে বাজারে ঘুরে বেড়ায়? কেন তার কাছে কোন   ফেরেশতা পাঠানো হয়নি, যে তার সাথে থাকতো এবং (অস্বীকারকারীদেরকে)  ধমক দিতো?

অপরের গৃহে খাওয়ার বিধান :

দেখুন : স > সামাজিকতা ।

যিনি লালন পালন করেন, প্রয়োজনীয় খাদ্য ঔষধ পানীয় দেনতিনি রব :

(২৬.শুআরা:৭৭) (ইব্রাহিম বললেন ) ... একমাত্র রাব্বুল আলামীন  …..৭৯) তিনি আমাকে খাওয়ান ও পান করান৮০) এবং রোগাক্রান্ত হলে তিনিই আমাকে রোগমুক্ত করেন৷ 

খাওয়া দাওয়া ভোগ্য সামগ্রীগুলোতো দুনিয়াতে ঈমানদররা পাবেই আর কিয়ামতে / পরকালে তা একান্তভাবেই ঈমানদারদের জন্য হবে :


(৭-আ’রাফ : ৩২) দুনিয়ার জীবন তো একটি খেল-তামাসার ব্যাপার৷২০ আসলে যারা ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে চায় তাদের জন্য আখেরাতের আবাসই ভালো৷ তবে কি তোমরা বুদ্ধি-বিবেচনাকে কাজে লাগাবে না ? 

২০. এর মানে এ নয় যে, দুনিয়ার জীবনটি নেহাত হাল্‌কা ও গুরুত্বহীন বিষয়, এর মধ্যে কেন গাম্ভীর্য নেই এবং নিছক খেল-তামাসা করার জন্য এ জীবনটি তৈরী করা হয়েছেবরং এর মানে হচ্ছে, আখেরাতের যথার্থ ও চিরন্তন জীবনের তুলনায় দুনিয়ার এ জীবনটি ঠিক তেমনি যেমন কোন ব্যক্তি কিছুক্ষণ খেলাধূলা করে চিত্তবিনোদন করে তারপর তার আসল ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করাবারে মনোনিবেশ করেতাছাড়া একে খেলাধূলার সাথে তুলনা করার কারণ হচ্ছে এই যে, এখানে প্রকৃত সত্য গোপন থাকার ফলে যারা ভেতরে দৃষ্টি না দিয়ে শুধুমাত্র বাইরেরটুকু দেখতে অভ্যস্ত তাদের জন্য বিভ্রান্তির শিকার হবার বহুতর কারণ বিদ্যামানএসব বিভ্রান্তির শিকার হয়ে মানুষ প্রকৃত সত্যের বিরুদ্ধে এমন সব অদ্ভুত ধরনের কর্মপদ্ধতি অবলম্বন করে যার ফলশ্রুতিতে তাদের জবীন নিছক একটি খেলা ও তামাসার বস্তুতে পরিণত হয়যেমন যে ব্যক্তি এ পৃথিবীতে বাদশাহের আসনে বসে তার মর্যাদা আসলে নাট্যমঞ্চের সেই কৃত্রিম বাদশাহার চাইতে মোটেই ভিন্নতর নয়, যে, সোনার মুকুট মাথায় দিয়ে সিংহাসনে বসে এবং এমনভাবে হুকুম চালাতে থাকে সে সত্যিকারের একজন বাদশাহঅথচ প্রকৃত বাদশাহীর সামান্যতম নামগন্ধও তার মধ্যে নেইপরিচালকের সামান্য ইংগিতেই তার বরখাস্ত, বন্দী ও হত্যার সিদ্ধান্তও হয়ে যেতে পারেএ দুনিয়ার সর্বত্র এ ধরনের অভিনয়ই চলছেকোথাও কোন পীর-অলী বা দেব-দেবীর দরবারে মনস্কামনা পূরণের জন্য প্রার্থনা করা হচ্ছেঅথচ সেখানে মনস্কামনা পূর্ণ করার ক্ষমতার লেশ মাত্রও নেইকোথাও অদৃশ্য জ্ঞানের কৃতিত্বের প্রকাশ ঘটানো হচ্ছেঅথচ সেখানে অদৃশ্য জ্ঞানের বিন্দু বিসর্গও নেই কোথাও কেউ মানুষের জীবিকার মালিক হয়ে বসে আছেঅথচ সে বেচারা নিজের জীবিকার জন্য অন্যের মুখাপেক্ষীকোথাও কেউ নিজেকে সম্মান ও অপমানের এবং লাভ ও ক্ষতির সর্বময় কর্তা মনে করে বসে আছেসে এমনভাবে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের ডংকা বাজিয়ে চলছে যেন মনে হয়, আশেপাশের সমুদয় সৃষ্টির সে এক মহাপ্রভুঅথচ তার ললাটে চিহ্নিত হয়ে আছে দাসত্বের কলংক টীকাভাগ্যের সামান্য হেরফেরই শ্রেষ্ঠত্বের আসন থেকে নামিয়ে তাকে সেসব লোকের পদতলে নিষ্পিষ্ট করা হতে পারে যাদের ওপর কাল পর্যন্তও সে প্রভুত্ব ও কৃর্তত্ব চালিয়ে আসছিল দুনিয়ার এই মাত্র কয়েকদিনের জীবনেই এসব অভিনয় চরছে মৃত্যুর মুহূর্ত আসার সাথে সাথেই এক লহমার মধ্যেই এসব কিছুই বন্ধ হয়ে যাবে জীবনের সীমান্ত পার হবার সাথে সাথেই মানুষ এমন এক জগতে পৌছে যাবে যেখানে সবকিছুই হবে প্রকৃত সত্যের অনুরূপ এবং যেখানে এ দুনিয়ার জীবনের সমস্ত বিভ্রান্তির আবরণ খুলে ফেলে দিয়ে মানুষকে দেখিয়ে দেয়া হবে কি পরিমাণ সত্য সে সাথে করে এনেছেসত্যের মীযান তথা ভারসাম্যপূর্ণ তুলাদণ্ডে পরিমাপ করে তার মূল্য ও মান নির্ধারণ করা হবে


আরো দেখূন : পশু > হালাল হারাম   র > রিজিক্ব , র > রব ।


===================================
প্রশ্ন: ৬১ : কুরবাণীর নিয়ম কানুন সংক্রান্ত


খাবীসা : কালিমায়ে তাইয়্যেবা ও কালিমায়ে খাবীসা


কালিমায়ে তাইয়্যেবা কালিমায়ে খাবীসা  :


(১৪:২৪) তুমি কি দেখছো না আল্লাহ কালেমা তাইয়েবার  উপমা দিয়েছেন কোন্‌ জিনিসের সাহায্যে ? এর উপমা হচ্ছে যেমন একটি ভালো জাতের গাছ, যার শিকড় মাটির গভীরে প্রোথিত এবং শাখা-প্রশাখা আকাশে পৌঁছে গেছে৷২৫) প্রতি মুহূর্তে নিজের রবের হুকুমে সে ফলদান করে৷  এ উপমা আল্লাহ এ জন্য দেন যাতে লোকেরা এর সাহায্যে শিক্ষা লাভ করতে পারে৷২৬) অন্যদিকে অসৎ বাক্যের  (কালিমায়ে খাবীসা)উপমা হচ্ছে, একটি মন্দ গাছ, যাকে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপড়ে দূরে নিক্ষেপ করা হয়, যার কোন স্থায়িত্ব নেই৷


============================


প্রশ্ন: ৬২: মুহাম্মদ সা: এর বৈবাহিক জীবন


খাদেম


খাদেম :         


(১৮:৬০) (এদেরকে সেই ঘটনাটি একটু শুনিয়ে দাও যা মূসার সাথে ঘটেছিল) যখন মূসা তার খাদেমকে বলেছিল, দুই দরিয়ার সংগমস্থলে না পৌঁছা পর্যন্ত আমি সফর শেষ করবো না, অন্যথায় আমি দীর্ঘকাল ধরে চলতেই থাকবো৷

=====================================



প্রশ্ন : ৬৩ : চোখ বন্ধ করে নামায আদায় করা যাবে কি?

===========================

খচ্চর




(১৬:৮) তোমাদের আরোহণ করার এবং তোমাদের জীবনের শোভা-সৌন্দর্য সৃষ্টির জন্য তিনি ঘোড়া, খচ্চর এবং গাধা সৃষ্টি করেছেন৷ তিনি (তোমাদের উপকারার্থে) আরো অনেক জিনিস সৃষ্টি করেছেন, যেগুলো তোমরা জানোই না৷

=====================

প্রশ্ন : ৬৪ : আদে ইরাম

====================