বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

জিহাদ - ৭



জিহাদে উদ্ধুদ্ধ করা নবী/ রাসুলদের দায়িত্বের অন্তর্ভূক্ত :

৪:৮৪,

ইসলাম চিরকাল বিজয়ী থাকবে :

৩:৫৫, ১৩৯, ৪:৮৪, ৫:৫২, ৫৬,

আহলে কিতাবগণ তোমাদের সাথে যুদ্ধকরলে তারা পশ্চাদপসরণ করবে :

৩:১১, ৪:৭৬,

যখন যুদ্ধে সাহস হারাবার উপক্রম হয় তখন কি ব্যবস্থা নেয়া হল :

 ৩:১২২-১২৮, ৪:৭৬,

জিহাদের ময়দানে / যুদ্ধের মধ্যে আল্লাহ মুমিনদের অন্তরে সাহস সঞ্চার করলেন :

৩:১২২-১২৮, ১৩৯, ১৪০, ১৪৬, ১৫০, ১৫৪, ৪:১৪১,
(২০:৪৫) (মূসা ও হারুন ) উভয়েই  বললো, "হে আমাদের রব! আমাদের ভয় হয়, সে (ফেরাউন) আমাদের সাথে বাড়াবাড়ি করবে অথবা আমাদের ওপর চড়াও হবে৷৪৬) আল্লাহ বললেন, “ভয় করো না, আমি তোমাদের সাথে আছি, সবকিছু শুনছি ও দেখছি৷  
(২০:৬৭) এবং মূসার মনে ভীতির সঞ্চার হলো ৬৮) আমি বললাম, “ভয় পেয়ো না, তুমিই প্রাধান্য লাভ করবে৷



জিহাদের ময়দানে আল্লাহর সাহায্য / বিজয় লাভের শর্ত :

৩:১২৫, ৩:১৩৯ (নিরাশ হয়োনা, দু:খ করোনা, তোমরা বিজয়ী হবে যদি তোমরা মু’মিন হও), ৩:১৪৬,

জিহাদে মুমিনদের কাম্য থাকবে শুধু আখিরাত :

৩:১৫২, ৪:৭৭,

জিহাদ - ৬




জিহাদের উদ্দেশ্য সমূহ :

পাককে নাপাক থেকে পৃথক করা :

৪:৬৬,

যুদ্ধের মাধ্যমে শহীদ হিসেবে কিছু লোককে আল্লাহ গ্রহণ করতে চান এবং এটা ঈমানের পরীক্ষা :

 ৩:১৪০, ৩:১৬৯, ১৭০, ১৭১,

সর্বাত্মক জিহাদ :

আল্লাহর সাহায্য কবে আসব ? : ২:২১৪,
৩:৫২, ১৫০-১৫৭, ৩:১৭২, ১৭৩ (তোমাদের সাথে মোকোবেলা করার জন্য অনেক লোক সমবেত হয়েছে, এ চ্যালেঞ্জ এর ফলে ঈমানদারদের ঈমান আরো বেড়ে যায়)
তোমাদের কি হয়েছে ? – ৪:৭৫, ৫:৩৫,

যারা মৃত্যুর ভয়ে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল :

২:২৪৩, ৩:১৫৬, ১৫৮, ১৬৮,

কাফেরদের বলে দিন: তোমরা শীঘ্র্ই পরাজিত হবে, দোজখের দিকে হাকিয়ে নীত হবে :

৩:১২, ১৩, ৪:৮৪,

যুদ্ধের সময় সৈনিকদের নিজেদের সংখ্যার চেয়ে বেশী দেখা :

৩:১৩, ৪:৭৭

যুদ্ধ থেকে পিছপা হওয়ার কারণ :  মানুষকে ভয় করছে আল্লাহর চেয়ে বেশী :

মানুষকে ভয় করছে আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিত বা তার চেয়েও বেশী : ৪:৭৭,

জিহাদ-৫





শহীদ জিহাদ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দারস : 


শহীদ , জিহাদ, সশস্ত্র জিহাদ, ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারী, আল্লাহর পথে খরচ না করা ইত্যাদি :

(১৯:১৬৮) এরা নিজেরা বসে থাকলো এবং এদের ভাই বন্ধু যারা লড়াই করতে গিয়ে মারা গিয়েছিল, তাদের সম্পর্কে বলেছিলঃ যদি তারা আমাদের কথা মেনে নিতো, তাহলে মারা যেতো না ৷ ওদের বলে দাও, তোমরা নিজেদের একথায় যদি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তাহলে তোমাদের নিজেদের মৃত্যু যখন আসবে তখন তা থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করে দেখাও৷ ১৬৯) যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে তাদেরকে মৃত মনে করো না৷ তারা আসলে জীবিত ৷   নিজেদের রবের কাছ থেকে তারা জীবিকা লাভ করছে৷ ১৭০) আল্লাহ নিজের অনুগ্রহ থেকে তাদেরকে যা কিছু দিয়েছেন তাতেই তারা আনন্দিত ও পরিতৃপ্ত  এবং যেসব ঈমানদার লোক তাদের পরে এ দুনিয়ায় রয়ে গেছে এবং এখনো সেখানে পৌঁছেনি, তাদের জন্যও কোন ভয় ও দুঃখের কারণ নেই, একথা জেনে তারা নিশ্চিন্ত হতে পেরেছে৷ ১৭১) তারা আল্লাহর পুরস্কার ও অনুগ্রহ লাভে আনন্দিত ও উল্লসিত এবং তারা জানতে পেরেছে যে, আল্লাহ মুমিনদের প্রতিদান নষ্ট করেন না৷ ১৭২) আহত হবার পরও যারা আল্লাহ ও রসূলের আহবানে সাড়া দিয়েছে, তাদের মধ্যে  যারা সৎ-নেককার ও মুত্তাকী তাদের জন্য রয়েছে বিরাট প্রতিদান৷ আর যাদেরকে ১৭৩) লোকেরা বললোঃ তোমাদের বিরুদ্ধে বিরাট সেনা সমাবেশ ঘটেছে৷ তাদেরকে ভয় করো, তা শুনে তাদের ঈমান আরো বেড়ে গেছে এবং তারা জবাবে বলেছেঃ আমাদের জন্য আল্লাহ যথেষ্ট এবং তিনি সবচেয়ে ভালো কার্য উদ্ধারকারী৷ ১৭৫) এখন তোমরা জেনে ফেলেছো, সে আসলে শয়তান ছিল, তার বন্ধুদের অনর্থক ভয় দেখাচ্ছিলে ৷ কাজেই আগামীতে তোমরা মানুষকে ভয় করো না, আমাকে ভয় করো, যদি তোমরা যথার্থ ঈমানদার হয়ে থাকো৷১৭৬) ( হে নবী !) যারা আজ কুফরীর পথে খুব বেশী দৌড়াদৌড়ি করছে তাদের তৎপরতা যেন তোমাকে মলিন বদন না করে৷ এরা আল্লাহর কোন ক্ষতি করতে পারবে না৷ আল্লাহ আখেরাতে এদের কোন অংশ দিতে চান না৷ আর সবশেষে তারা কঠোর শাস্তি পাবে৷ ১৭৭) যারা ঈমানকে ছেড়ে দিয়ে কুফরী কিনে নিয়েছে তারা নিসন্দেহে আল্লাহর কোন ক্ষতি করছে না৷ তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত রয়েছে৷ ১৭৮) কাফেরদের আমি যে ঢিল দিয়ে চলছি এটাকে যেন তারা নিজেদের জন্য ভালো মনে না করে ৷ আমি তাদেরকে এ জন্য ঢিল দিচ্ছি, যাতে তারা গোনাহের বোঝা ভারী করে নেয়, তারপর তাদের জন্য রয়েছে কঠিন অপমানকর শাস্তি৷ ১৭৯) তোমরা বর্তমানে যে অবস্থায় আছো আল্লাহ মুমিনদের কখনো সেই অবস্থায় থাকতে দেবেন না৷ পাক পবিত্র লোকেদেরকে তিনি নাপাক ও অপবিত্র লোকদের থেকে আলাদা করেই ছাড়বেন৷ কিন্তু তোমাদেরকে গায়েবের খবর জানিয়ে দেয়া আল্লাহর রীতি নয়৷গায়েবের খবর জানাবার জন্য তিনি নিজের রসূলদের মধ্য থেকে যাকে চান বাছাই করে নেন৷ কাজেই ( গায়েবের ব্যাপারে) আল্লাহ ও তাঁর রসূলের ওপর ঈমান রাখো ৷ যদি তোমরা ঈমান ও আল্লাহকে ভয় করার নীতি অবলম্বন করো তাহলে বিরাট প্রতিদান পাবে৷ ১৮০) আল্লাহ যাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং তারপরও তারা কার্পণ্য করে, তারা যেন এই কৃপণতাকে নিজেদের জন্য ভালো মনে না করে ৷ না, এটা তাদের জন্য অত্যন্ত খারাপ ৷ কৃপণতা করে তারা যাকিছু জমাচ্ছে তাই কিয়ামতের দিন তাদের গলার বেড়ি হবে৷ পৃথিবী ও আকাশের স্বত্বাধিকার একমাত্র আল্লাহরই ৷ আর তোমরা যা কিছু করছো, আল্লাহ তা সবই জানেন৷